বন্ধু;
আমি জ্যোৎস্না’র উপত্যকা দেখেছি।
আমার মরা মা’য়ের কোলে তার,-
গন্ধ আমি পেয়েছি!
আমার রবি-নজরুল-সুকান্ত যখন ঘুরে এসেছিলো
জালালাবাদ থেকে জালিয়ানওয়ালা হয়ে ধর্মতলা;
আমি কাশ্মীর চষে সব আখরোট ভেঙে,-
হিমালয়ের কথকতা পেয়েছি!
নম্র যে নিঃশ্বাসে মা’য়ের আলতা-স্রোত ছিলো,
সেখানেই আলতো সুরে কখনো
কন্যাকুমারিকা হেয়েছিলো নির্ভ্যাজাল সত্যি।
তারপর, হাম্বা’রা সব সাম্বা করেছে!
ভুলেছে সিন্ধু’র জলসা।
আমি তার মাঝেও খুঁজেছিলাম,-
নীলে ভরা এক মালসা;
তিস্তা’র গোধূলি দিয়ে ছুঁয়েছিলাম বাগদাদ!
আমায় এড়িয়ে গা ঢাকা দিলো
আমার চাহিদা’রা, একসাথে!
আমার মা’য়ের কি দোষ ছিলো তাতে?
আমি জানতাম বন্ধু,
একফোঁটা গঙ্গা’য় এক পৃথিবী ভলগা’রা আঁটেনা!
চাইওনি! শুধু চেয়েছিলাম একটা স্বপ্ন দেখতে
আমার পোষা সাদা পায়রা’র পাখনা,-
কাঞ্চনজঙ্ঘা’র ঢালে রাখতে।
আমার আবেগের স্রোতেরা খুঁজে নিলো
নায়াগ্রা’র পতন!
আমি চাইনি হতে জটলা’র বারাবারি
আমার হাতেই ছিলো ধাড়ালো তরোবারি
আমি ভাবতে পারিনি তাতেও ধরবে জঙ্
আমি বুঝতে পারিনি বেরঙীন হবে রঙ!
এখনও চেষ্টা করি,-
দগদগে ঘা ঢাকতে!
বিশ্বাস করো এখনও চেষ্টা করি,-
নিজের কাছেই থাকতে!
কিন্তু, সব পচে-গলে গেছে
এখন শুধু কেটে কেটে বাদ দেওয়ার যুগবাণী!
আমিই টুকরো-টুকরো হয়েছি, তাও আমি জানি!
আজ অসহায়;-
ফুটপাথের নগ্ন যীশু হয়ে আমি
কাঁদতে কাঁদতে খুঁজছি সেই,-
জ্যোৎস্না’র উপত্যকা, ফেলে আসা দোল;
কোথায় অতলে থিতিয়ে আছে আমার,-
মরা মা’য়ের কোল!
ইতি,
আমার আমি’র শেষ

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১৬ রাত ৯:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



