
স্বপ্নাদ্য প্রেমের ভ্রুণ নড়িয়াছিল
এক পূর্ণিমায় চন্দ্রালোর গগনে
অমৃতের সুখস্বাদে একে অপরকে
চুমিতেছিল তারকাবৃন্দ
প্রণয়ে প্রহসন ঘটিয়ে বাড়ন্ত প্রেমভ্রুনের
বুকে কালবৈশাখীর প্রহার
এ স্বয়ং ঈশ্বরের ঈর্ষা
যাযাবরের হিয়ায় প্রণয়ের বাতি
দপদপিয়া জ্বলে, আলো বাহির হয়
এও কি তাহার সয়?
অতপর নিঃসংকোচে আছড়াইয়া পড়ে
সিন্ধুর ঢেউ, গর্জিয়া উঠে, কুল ভাঙে
নাবিকরা ভীত সন্ত্রস্ত বক্ষ চাপড়ায়
তাকিয়ে দেখে পারাবারে জল ফুলিয়া উঠিতেছে
তড়িঘড়ি নোঙর ফেলো মহাশয়
বারীন্দ্র ক্রোধান্বিত!
ক্রোধান্বিত? নাকি অনন্ত বিয়োগে তাহার
তরুন বাহুখানি কাঁদিয়া উঠিল?
বলিয়া গেলো অহংকার বদলিয়া যাও
দরদীর দরদ বোঝো
সে সুপ্রভাত শুভরাত শুভ অপরাহ্ন
তাহারে তোমরা মারিয়াছো
অনন্তকাল পুড়িয়াছো
তবু সুখের সমীরণ দখিন দ্বার দিয়া
তোমাদের গৃহে প্রবেশ করে নাই?
করে নাই, করিবেও না!
অনন্ত জ্বালায় পুড়িবে তোমরাও
নবাগত বর্ষায় প্রথাগত রীতি
চিরনিদ্রায় যাক-
এ আমি জনমভর চাহিবো।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


