জীবনের প্রথম ও শেষ লেখা (মনে হয়)
আমরা নানা সমস্যায় জর্জরিত তারপরও আমরা আনন্দ খুজে বেড়াই। আমি আমার জীবনের প্রথম ও শেষ টিউনে আপনাদের একটু আনন্দ দেবার বৃথা চেষ্টা করলাম মাত্র। তিনটা মজার বাস্তব গল্প
১) আমার এক বন্ধুর বাসায় এক মহিলা প্রতিদিন গরুর দুধ দিয়ে যেতো হঠাৎ একদিন আমার ঐ বন্ধুর মাকে বলল “ আই যে শুনিন মাসের টাকা পরের মাসের ১ তারিখে মদ্দে দাওয়া লাগবে” তো আমার বন্ধুর মা বলল কানো আমিতো ৫ তারিখের মধ্যে দিয়ে দিয়।
মহিলা বলল “ আর হবে না এত দিন আমার দুধ খাইছেন কিছু কই নি কাল থাকে আমার বেটির (মেয়ে) দুধ খাবেন। আমি আর দুধ দিতে আসমু না , কাল থেকা আমার বেটি আসবে”।
২) অনেক দিন আগের ঘটনা আমাদের গ্রামে এক লোক বিয়ে করে। লোকটা ছিল খুবই পাতলা গরনের আর বউটা ছিল বেশ স্বাস্থ্যবতী এবং শক্তিশালী। বিয়ের প্রথম ২ মাস মোটামুটি ভালোই কাটলো। হঠাৎ একদিন কি একটা কারনে তাদের মাঝে ঝগড়া আরম্ভ হল তুমুল ঝগড়া চলছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হল। একপর্যায়ে লোকটা তার স্ত্রী’র গালে একটা চড় মেরে দিল এইবার স্ত্রী তার স্বামীকে খুব জোরে একটা লাথি মারল, দুর্ভাগ্যবশত লাথিটা যেয়ে আঘাত করল স্বামীর ঐ জায়গাতে (লজ্জা স্থানে)। ভাবেন কি অবস্থা । ব্যাস স্বামী তো কুপকাত জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। তারপর সবাই মিলে হাসপাতাল নিয়ে গেল। তিন দিন পর স্বামী সুস্থ হয়ে গ্রামে বিচার ডাকল। বিচারে আসামিকে হাজির করা হল। জমজমাট বিচার সেন্সিটিভ স্থানে আঘাত করার অপরাধে বিচার তাই সবার একটা উত্তেজনা কাজ করছিল।
বিচার শুরু হল মোড়ল দুই পক্ষের বক্তব্য শুনলেন। এরপর আসামি কে ডাকা হল।
গ্রামের মোড়ল আসামি কে প্রশ্ন করলো ; তুমি কানো তোমার স্বামীকে লাথি মারলে তাও আবার ঐ জায়গায়?
আসামি ; “ প্রথমে আমার স্বামী আমার গালে চড় মারছে তারপর আমার মাথা গরম হলে আমি লাথি মারছি আর ঐ জায়গাতে লাগলে আমি কি করমু?”
মোড়ল ; “ যাই হক আসল কথা বল তোমার কি তোমার স্বামীর ভাত খাওয়ার(সংসার করার ) ইচ্ছা আছে?”
মহিলা অনেকক্ষন কি যেন চিন্তা করলো তারপর বলল “ আছে”।
মোড়ল এইবার ক্ষেপে উঠে বলল “ ভাত খাওয়ার ইচ্ছা আছে তো ভাতের মেশিন লাথি দিয়ে নষ্ট করলি কানো? তোর স্বামীর ভাতের মেশিন তো পুরাপুরি গেছে।
৩) এই মুহূর্তে তিন নাম্বার গল্পটা মনে পরছে না। তবে ৩ নাম্বারটা ও সেই রকম হাসির।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

