ডুমেলা বতসোয়ানা-১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
বতসোয়ানার জাতীয় পতাকা
আগেরগুলো পড়তে চাইলে-ডুমেলা বতসোয়ানা-১৬
রাজনীতি এবং ব্যবস্থাপনার কয়েকটি পাঠ
বতসোয়ানার স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৫টা হলে বাংলাদেশে রাত পৌনে ৯টা। বতসোয়ানা সময়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ থেকে চার ঘণ্টা পিছিয়ে আছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে যখন সূর্য ওঠে এর ঠিক চার ঘণ্টা পর বটসোয়ানার আকাশে সূর্য ওঠে। বতসোয়ানার ঠিক চার ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে সূর্য ওঠে এবং অস্ত যায়, বিষয়টি ভাবতে আমার খুব ভালো লাগে। বতসোয়ানায় বসে টাইম মেশিনে চড়ে আমি চার ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে পৌঁছে যাই। টাইম মেশিনের সময় অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন বিকাল পৌনে ৫টা। সরকারি অফিস-আদালতগুলোতে এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চলে বাড়ি ফেরার ব্যস্ততা। বাংলাদেশে সরকারি অফিস টাইম সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা। এ আট ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেরেছেন। এ সময়ে বাংলাদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে। বাংলাদেশের অনেক সরকারি-বেসরকারি, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এ আট ঘণ্টা সময়ের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদন করেছেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মন্ত্রী-সচিবরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিটিংয়ে অ্যাটেন্ড করেছেন এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পলিটিশিয়ানরা রাজনীতির মাঠ সরগরম রাখার জন্য বিভিন্ন মিটিং-মিছিল, সভা-অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। দেশ-বিদেশে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক অনেক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
টাইম মেশিনে করে আবার মুহূর্তেই বতসোয়ানা ফিরে আসি। এখানে সবে বিকাল। পড়ন্ত বিকালের সূর্যরশ্মির তীর্যক আলোয় বতসোয়ানার গ্যাবরন শহরটি ঝিকমিক করছে। গ্যাবরন শহরে যে কয়টি হাইরাইজ বিল্ডিং আছে, তার বেশক’টি কাঁচ ঘেরা। বতসোয়ানা ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্টাডিজ ফ্যাকাল্টি এবং লাইব্রেরি ভবনটি এ রকম কাঁচ ঘেরা। এমন শৈল্পিকভাবে বিল্ডিংগুলো নির্মিত যে, কাঁচের ওপর সূর্যের রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চারদিক ঝকমকে হয়ে ওঠে। আমার হোস্টেল রুমের জানালা দিয়ে তাকিয়ে আমি বতসোয়ানা ইউনিভার্সিটির সৌন্দর্য দেখি। এ ইউনিভার্সিটি পুরো বতসোয়ানার উচ্চ শিক্ষার একমাত্র কেন্দ্র। এরা সবাই মিলে কি যত্ন সহকারে এটি রক্ষা করছে। কোথাও কোনো অপরিচ্ছন্নতা নেই। পুরো ইউনিভার্সিটিকে সবুজে আচ্ছাদিত করে রাখার জন্য তাদের সে কি আপ্রাণ চেষ্টা! বিল্ডিংগুলোর ফাঁক-ফোকরে ঘাসের বাগান, ফুলের বাগান করে সবুজের ছোঁয়া আনার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা। আর আমার দেশ এমনিতেই সবুজে আচ্ছাদিত। আমরা সচেতনতার অভাবে সেই সবুজকে ধ্বংস করে মরুভূমি বানিয়ে ফেলছি।
বতসোয়ানা ইউনিভার্সিটির মাস্টার্স হোস্টেলে আমার জন্য বরাদ্দকৃত ফার্স্ট ফ্লোরের এ নির্জন কক্ষটি এতোদিনে আমার খুব প্রিয় হয়ে গেছে। রুমের দুই পাশ জুড়ে বিশাল জানালার পর্দাগুলো সরিয়ে দিলে বতসোয়ানার পুরো আকাশটা ঝপ করে আমার জানালার কাছাকাছি নেমে আসে। গ্যাবরন শহরে ঢাকার মতো আকাশছোয়া উঁচু বিল্ডিং নেই। তাই আকাশটাকে মনে হয় মাটির খুব কাছাকাছি। বতসোয়ানার আকাশটাকে আমার খুব আপন মনে হয়। আমার বাংলাদেশেরও তো একই আকাশ। একই সূর্য নিত্যদিন উঠে, একই চন্দ্র নিত্যদিন পৃথিবীতে আলো ছড়ায়। একই আকাশের একই তারকারাজি বতসোয়ানার আকাশেও দেখা যায়, বাংলাদেশের আকাশেও দেখা যায়। একই ছাদের নিচে আমরা পরস্পর প্রতিবেশী। সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ের এ দেশটি থেকে আমার দেশের দূরত্ব হাজার মাইল। কিন্তু প্রযুক্তি আমার দেশকে আমার হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। বিশ্বায়নটাকে আমার কাছে খুব সহজবোধ্য মনে হয়। এই তো গ্লোবালাইজেশন। পুরো পৃথিবীটা একটা ভিলেজ কল্পনা করলে আমি বাংলাদেশ থেকে পাশের বাড়ি বতসোয়ানা এসেছি পড়াশোনা করতে।
আমি পর্দাগুলো সরিয়ে দিয়ে বতসোয়ানার আকাশে দৃষ্টি প্রসারিত করি। কি নীল আকাশ! বতসোয়ানার বাতাসে আমাদের দেশের মতো যানবাহন কিংবা কল-কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া নেই। তাই আকাশটাকে উজ্জ্বল নীল মনে হয়। সামারের শুরুতে বতসোয়ানার নীল আকাশে হালকা মেঘের ভেলা ভেসে যাওয়ার দৃশ্য আমার দেশের শরৎকালের কথা মনে করিয়ে দেয়। এ দেশে মূলত দুটি ঋতু। সামার এবং উইন্টার। আমাদের দেশের মতো ঝুম বৃষ্টির বর্ষা, শীতের আগমনী বার্তাবাহক হেমন্ত কিংবা ঋতুরাজ বসন্ত নামে এ দেশে আর কোনো ঋতু নেই। ঘরদোর ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া বন্যা বা ফ্লাড বলতে এরা কিছুই চেনে না। পানির অভাবে মাইলের পর মাইল জমি পতিত পড়ে আছে। অনাবাদি জমিগুলোতে কিছুই ফলে না কিংবা ফলানো যায় না। আর আমাদের দেশের সোনাফলা জমিগুলো অপব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের আবাদযোগ্য সম্পদ সীমিত। জমির উপযোগিতা বা ইউটিলিটি বৃদ্ধি করতে না পারলে আমাদের কৃষি সম্পদ ক্রমেই কমে আসবে। যে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৮০ ভাগ কৃষক সে দেশে কৃষি সম্পদের ওপর অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষির ব্যবহারিক দিককে শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত করে সবাইকে ব্যবহারিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। লাইফ লং এডুকেশনের আওতায় এনে কৃষকদের জীবনভর শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়া যায় সহজেই। কৃষক, জেলে, কামার, কুমোর, তাঁতি সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা হাতে নেয়া যায়। বাংলাদেশের পুরো জনগোষ্ঠী শিক্ষিত হয়ে গেলে দেশের চেহারাটাই পাল্টে যাবে। লাইফ লং এডুকেশন প্রোগ্রাম হাতে নিয়ে পুরো বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করে তোলা যায় অনায়াসে।
আজ ২০ অক্টোবর ২০০৬, শুক্রবার থাকায় আমার ক্লস নেই। শুক্র, শনি, রবি এ তিনদিন বাদ দিয়ে বাকি চারদিন ক্লাস থাকে। আজ কোনো ক্লাস না থাকায় হাতে অফুরন্ত সময়। আমি আমার রুমে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশ গেটওয়ে ব্যবহার করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ি। অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোর ইন্টারনেট সংস্করণ পড়ি। এইচ জি ওয়েলস তার কালজয়ী সায়েন্স ফিকশন টাইম মেশিন-এ চড়ে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ পরিভ্রমণ করেছেন আর আমিও আমার নেট মেশিন-এ চড়ে বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ পরিভ্রমণ করছি। বতসোয়ানায় এখন বিকাল পৌঁনে ৫টা হলে বাংলাদেশে রাত পৌঁনে ৯টা। বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে যেখানে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছেনি, সেখানে রাত পৌনে ৯টা মানে নিশুতি রাত। এ সময়ের মধ্যে জীবিকার টানে যারা বাইরে আছে তাদের ছাড়া আর সবাই ঘরে ফিরেছে। বাংলাদেশ সময়ের দিক দিয়ে চার ঘণ্টা এগিয়ে থাকায় আমি নেট মেশিনে চড়ে চার ঘণ্টা আগের বাংলাদেশে চলে যাই। ভেবে দেখার চেষ্টা করি এই চার ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে কি কি ঘটেছে।
দেশ এখন এক অস্থির সময় পার করছে। একটি বিস্ফোরণোন্মুখ আগ্নেয়গিরির সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। যে কোনো সময় আগ্নেয়গিরির লাভা উদগিরণ ঘটতে পারে। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ছোটখাটো অগ্ন্যুৎপাত ঘটছে। কানসাট এবং শনির আখড়ায় এ রকম অগ্ন্যুৎপাত ঘটে গেছে। দেশ জুড়ে এক অরাজক অবস্থা চলছে। মিছিল হচ্ছে, মিটিং হচ্ছে, হরতাল-অবরোধ হচ্ছে। কল-কারখানা, বন্দর-রাজপথ একেকজনের কথায় এবং হুমকিতে অচল হয়ে যাচ্ছে। দুটি রাজনৈতিক দল এখন পরস্পর সম্মুখ সমরে মুখোমুখি। সুবিধাভোগী দলগুলো একেক দলে ভিড়ে যাচ্ছে ক্ষমতার বাহুলগ্ন হয়ে থাকার জন্য। দেশ আজ স্রেফ দু’ভাগে বিভক্ত। পলিটিশিয়ান, আমলা, বিচারজীবী, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি কর্মচারী সবাই আজ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন। নির্বাচনকে ঘিরে ক্ষমতার রেসে জেতার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন সবাই। বিচারজীবী চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন পলিটিশিয়ান হয়ে ওঠার জন্য, আমলারা চাকরি ছেড়ে লাইন ধরছেন মন্ত্রী-এমপি হওয়ার জন্য। বুদ্ধিজীবীরা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে দরকষাকষি করে আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন নিজ নিজ দলের সঙ্গে। ডাক্তার, শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি কর্মচারী সবাই একটি দুইপক্ষীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এক এক পক্ষে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। এক এক জোট-মহাজোটের নামে রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান দল দুটিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। প্রধান দল দুটির বাজির দর বেড়ে যাচ্ছে হু-হু করে। সে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে পরবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সাও। যে কোনো উপায়েই হোক ক্ষমতায় যেতেই হবে, এ মনোভাব নিয়ে এক পক্ষ লগি-বৈঠা হাতে এবং আরেক পক্ষ কাস্তে-কোদাল হাতে একে অন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার অপেক্ষায়।
রাজনৈতিক অস্থিরতার এ সুযোগে শ্রমিক, শিক্ষক, বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবী এমনকি সরকারি কর্মচারীরা পর্যন্তও আন্দোলনে নেমে গেছেন তাদের দাবি আদায়ের ঘোষণা দিয়ে। সরকার পরিবর্তনের এ সময়টা যেন আন্দোলন করে দাবি আদায়ের মোক্ষম সময়। তুমি আমার দাবিগুলো মেনে নাও, তাহলে আমি এবং আমার অনুসারীরা তোমাকে ভোট দেবো। আর যদি না মান, তাহলে তোমাকে ক্ষমতায় যেতে দেয়া হবে না। এই হচ্ছে বর্তমানে দেশের প্রকৃত অবস্থা। দেশে এখন কি ঘটছে? রাজনৈতিক হিংসা-হানাহানির কারণে দেশ কার্যত এক প্রকার অচল হয়েই আছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া বাংলাদেশের একেকটি পত্রিকা খুলে পড়তে বসি আর ভাবি রাজনৈতিক হিংসা-হানাহানি আমাদের কোথায় নিয়ে চলেছে? ভূ-প্রাকৃতিক, সাংস্কৃতিক এবং নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যে পুরো জনগোষ্ঠী মিলে আমরা একটিই জাতি। আমাদের মধ্যে বর্ণগত, জাতিগত, ধর্মগত, গোত্রগত কোনো বিভেদ নেই। তাহলে আমরা কেন পুরো জনগোষ্ঠী স্রেফ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছি? কোন আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য দুটো রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করে আমরা ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছি?
চলবে...
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।