আগেরগুলো পড়তে চাইলে-ডুমেলা বতসোয়ানা-১৮
নীতির রাজা রাজনীতি
বতসোয়ানায় বসে আমি বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে ভাবছি। বয়স্ক শিক্ষার ওপর পড়াশোনা করতে এসেছি বিধায় আমার ভাবনার কথা বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে। কিন্তু আমার মনে হলো শিক্ষা, সমাজ, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, রাজনীতি, বাণিজ্য নীতি যা কিছুই বলি না কেন বাংলাদেশে সবকিছুই রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণের সমর্থন নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে এবং সব ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করার চেষ্টা করে। আজ এ সরকার শিক্ষার উন্নয়নে একটি কর্মসূচি হাতে নিলো তো, পরবর্তী সরকার এসে তা বাতিল করে নতুন আরেকটি কর্মসূচি নেয়। আজ এ সরকার সমাজ কাঠামোর উন্নয়নে এ সিদ্ধান্ত নিলো তো পরবর্তী সরকার এলে এটি হিমাগারে চলে যায়। মাঝখানে কোটি কোটি টাকা অপচয় হয়, লুটপাট হয় এবং অনেকের পকেট ভারি হয়। কাজের কাজ কিছুই হয় না। কিন্তু বতসোয়ানার মতো আমরা যদি একটি ভিশন দাঁড় করাই এবং তা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সব কর্মসূচি পরিচালিত করি, তাহলে ভিশন বাস্তবায়ন সহজ হবে। আমাদের দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে ভিশন-২০২১ নামে এ রকম একটি ভিশন আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে দাঁড় করাতে পারি। ভিশনের কথাগুলো হবে খুব সহজ সাধারণ। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে সবাই এ ভিশনের মর্মার্থ বুঝবে এবং সেভাবে পরিচালিত হবে। পাঠ্য বইয়ে, পত্রপত্রিকায়, নাটক-সিনেমায় ভিশনকে সহজভাবে জনগণের মধ্যে উপস্থাপন করা হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এ রকম একটি ভিশন প্রণয়নে পলিটিশিয়ান, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজসহ সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকবে। যে সরকারই আসুক না কেন, ভিশন বাস্তবায়নে সবাই আন্তরিক থাকবে।
বতসোয়ানা দেশটি ১৯৯৬ সাল থেকেই নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন করে পথ চলছে। স্বাধীনতার ৩০ বছর পূর্তিতে তারা ভিশন দাঁড় করিয়েছে আগামী ২০ বছরের জন্য। এদের ভিশন-২০১৬ মাত্র সাতটি সহজ-সাধারণ কথামালা নিয়ে গঠিত। একেকটি কথামালা যেন বতসোয়ানার সাধারণ জনগণের মনের কথা। বতসোয়ানা ২০১৬ সালে শিক্ষা, অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোন অবস্থানে পৌঁছবে তার একটি সহজ বর্ণনা দেয়া আছে ভিশন ২০১৬-তে। এর প্রথমটিতে বলা আছে, বাই দি ইয়ার ২০১৬ বটসোয়ানা উইল বি এন এডুকেটেড অ্যান্ড ইনফরমড নেশন। ২০১৬ সালে পুরো বটসোয়ানার সবাই শিক্ষিত ও তথ্য সমৃদ্ধ হবে, এর চেয়ে বড় ভিশন আর কি হতে পারে! একটি জাতিকে পুরোপুরি শিক্ষিত করে তোলা, তথ্যসমৃদ্ধ করে তোলা, তার চেয়ে বড় কাজ আর কিছুতেই হতে পারে না। সে লক্ষ্যে বতসোয়ানা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, বতসোয়ানার সবাই শিক্ষিত ও তথ্যসমৃদ্ধ হয়ে বিশ্ব নেতৃত্ব দানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
২০১৬ সালের মধ্যে বতসোয়ানা একটি ওপেন, ডেমক্রেটিক অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবল নেশন হিসেবে গড়ে উঠবে। এ সময়ের মধ্যে গণতন্ত্রকে পুরোপুরি বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। দেশের উন্নয়নে ও সরকার পরিচালনায় সিভিল সোসাইটি প্রধান ভূমিকা পালন করবে। জাতীয় নেতারা সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে ওপেন ও অ্যাকাউন্টেবল থাকবেন। নিজস্ব মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুরোপুরি বজায় রাখা হবে। সহজ সাধারণ কথায় এই হচ্ছে বতসোয়ানার রাজনৈতিক ভিশন। বতসোয়ানার সাধারণ জনগণ রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামায় না। কারণ রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন তাদের হয় না। ভিশনে যা বলা আছে বতসোয়ানার সরকার সেভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে সরকারের এ ভিশন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আমরা সাধারণ জনগণও রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। আমরা চাই আমাদের পুরো জাতির সামনে এ রকম একটি ভিশন দাঁড় করানো হোক। আমরা সাধারণ আমজনতা সবাই মিলে ভিশন বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবো। আমরা চাই আমাদের রাজনৈতিক নেতারা দেশপ্রেমিক হোন। আমরা চাই আমাদের পলিটিশিয়ানরা সর্বসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য হোন। রাজনৈতিক নেতারা সম্মিলিতভাবে ভিশন বাস্তবায়নে, দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। তবেই আমাদের রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামানোর আর প্রয়োজন পড়বে না।
আমাদের দেশের রাজনীতিটা আজ খুব জটিল হয়ে গেছে কিংবা বলা যায় মেধাবী পলিটিশিয়ানদের জন্য জটিল করে তোলা হয়েছে। রাজনীতি মানে যে নীতির রাজা সে কথাটি আমরা প্রায় ভুলতে বসেছি। সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে গডফাদার হয়ে বড় পলিটিশিয়ান কিংবা চাঁদাবাজি মাস্তানি করে বড় নেতা হওয়া যায়। ঘুষ খেয়ে চাকরি ছেড়ে কিংবা অসৎভাবে পয়সা কামিয়ে রাজনীতিতে নাম লেখানো যায়, এমনকি রাজনীতিকে কিনেও নেয়া যায়। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে ছাত্র নেতা বনে গিয়ে বড় রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায়। আমাদের দেশের পলিটিকাল সিস্টেমটা এখন এ রকমই। আজকের যে শিশুটি রাজনীতির এ করুণ হাল দেখছে, সে তো ভবিষ্যতে এ রকম রাজনীতিবিদ হওয়ারই স্বপ্ন দেখবে। যার পড়াশোনার সামর্থ্য আছে সে পড়াশোনার নামে শিক্ষাঙ্গনে গিয়ে মাস্তানি, চাঁদাবাজি করে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে উঠবে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে এলাকার ছিঁচকে মাস্তান থেকে বড় সন্ত্রাসী কিংবা গডফাদার হয়ে জাতীয় নেতা হয়ে যাবে। কিন্তু বতসোয়ানার রাজনীতিতে এ রকম হওয়ার জো নেই। ওদের ভিশনে স্পষ্ট করে বলা আছে, সিভিল সোসাইটি উইল প্লে এ ফুল পার্ট ইন দি ডেভেলপমেন্ট অফ দি কান্ট্রি, অ্যালংসাইড গভর্নমেন্ট। সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ দেশের উন্নয়নে কাজ করবে এমনকি সরকারও পরিচালনা করবে। আমাদের দেশের মতো এ রকম চাঁদাবাজ, মাস্তান কিংবা সন্ত্রাসীদের দ্বারা সরকার পরিচালিত হবে না। একটি দেশের সত্যিকারের উন্নয়নে বতসোয়ানার মতো একটি কাঙ্ক্ষিত সমাজ আমাদের জরুরি দরকার নয় কি?
বতসোয়ানার যে শিশুটি ১৯৯৬ সালে এ ভিশন-২০১৬ প্রণয়নের সময় জন্মেছিল আজ সে কিশোর। ২০১৬ সালে তার বয়স হবে ২০। জন্মের পর থেকেই সে দেখে আসছে একটি ভিশনকে সামনে রেখে সবাই মিলে কি সুন্দরভাবে দেশটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শিশুটির বয়স ২০ পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি দেশের নেতৃত্বে আসে তাহলে সে পরবর্তী আরেকটি ভিশন দাঁড় করিয়ে দেশকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালাবে। বতসোয়ানার যে শিশুটি আজ জন্মগ্রহণ করেছে তার সামনে একটি চলার মসৃণ পথ তৈরি করে দেয়া আছে। সে পথ ধরে সে ধীরে ধীরে গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। গন্তব্যে পৌঁছে নতুন করে আবারো পথ তৈরি করে সে নতুনভাবে পথ চলা শুরু করবে। আমাদের দেশের শিশু-কিশোর-তরুণদের সামনেও এ রকম একটি ভিশন থাকা দরকার। এ ভিশনকে ধারণ করেই পরবর্তী প্রজন্ম বেড়ে উঠবে। এ ভিশনকে কেন্দ্র করেই আমাদের সভ্যতার পরবর্তী ইতিহাস রচিত হবে।
বতসোয়ানার যে শিশুটি ১৯৯৬ সালে জন্মেছিল কিংবা এখন যে শিশুটি জন্ম নিচ্ছে সে বতসোয়ানার রাজনৈতিক একটি সুন্দর পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠছে। যে রাজনীতিতে হিংসা-হানাহানি নেই সে রকম রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যেই সে বড় হচ্ছে। তার কাছে রাজনীতির সংজ্ঞাটা একরকম, আর আমাদের দেশের যে শিশুটি আজ রাজনৈতিক এ হিংসা হানাহানির মধ্যে বড় হচ্ছে তার কাছে রাজনীতির সংজ্ঞাটা অন্যরকম। জন্মেই সে দেখছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কোন্দলের কারণে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু। চারদিকে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ আর হাহাকার। সামনে কোনো গন্তব্য না থাকার কারণে যে যেভাবে পারছে লক্ষ্যহীন ছুটছে। যে যেভাবে পারছে লুটপাট করে খাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে আর সবাই। তখন তার কাছে নীতির রাজা রাজনীতি এ সংজ্ঞাটা আরো অস্পষ্ট, অবোধ্য মনে হবে। ঠিক এ বাচ্চা ছেলেটির মতোই-
বাচ্চা ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করলো, বাবা রাজনীতি কি?
বাবা ছেলেকে রাজনীতি বোঝাতে গিয়ে বললেন, ঠিক আছে শোন, আমি তোমাকে সহজভাবে ব্যাখ্যা করে বোঝাই। আমি তোমাদের অর্থের যোগানদাতা, তাহলে আমাকে তোমরা পুঁজিবাদী বলতে পারো। তোমার মা সেই অর্থের প্রশাসক, অর্থাৎ তার নির্দেশেই সংসারে সবকিছু হয় এবং হবে, তাই সে মনে করো সরকার। তোমাকে আমরা দেখাশোনা করি এবং তোমার সব অভাব-অভিযোগ, আব্দার মেটাই, সুতরাং তোমাকে জনগণ বলা যেতে পারে। আমাদের কাজের মেয়েটাকে ওয়ার্কিং ক্লাস বা শ্রমিক শ্রেণী বলতে পারো এবং তোমার ছোট ভাইটিকে দেশের ভবিষ্যৎ বলতে পারো। সুতরাং তুমি এবার নিজেই চিন্তা করে বের করো রাজনীতি কি?
ছেলেটি তার বাবার কথাগুলো চিন্তা করতে করতে ঘুমোতে গেল। গভীর রাতে ছোট ভাইয়ের তারস্বরে চিৎকারে ছেলেটির ঘুম ভেঙে গেল। ঘটনা কি জানার জন্য বিছানা ছেড়ে উঠে ছোট ভাইটির রুমে গিয়ে দেখতে পেল সে প্রশ্রাব করে বিছানা-কাথা নষ্ট করে হাত-পা ছুঁড়ে কাদছে। মা-বাবার রুমে গিয়ে দেখে মা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তাকে ডেকে বিরক্ত না করে কাজের মেয়ের ঘরের দিকে রওয়ানা দিল। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে কি-হোলে চোখ রেখে দেখতে পেল বাবা ওয়ার্কিং ক্লাসের বিছানায়।
সে কাউকে ডাকার আশা পরিত্যাগ করে নিজেই ভাইয়ের পরিচর্যা করে বিছানায় ঘুমোতে চলে গেল। পরের দিন সকালে ছেলেটি তার বাবাকে গিয়ে বললো, বাবা আমি রাজনীতি কি বুঝে গিয়েছি।
তাই নাকি! ভেরি গুড। তাহলে বলতো তুমি রাজনীতির কি বুঝলে? বাবা সোৎসাহে জানতে চাইলেন ছেলের কাছে।
পুঁজিবাদীরা যখন শ্রমিক শ্রেণীকে শোষণ করে, সরকার তখন ঘুমায়, জনগণ বঞ্চিত হতে থাকে এবং ভবিষ্যৎ তখন চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। রাজনীতি হচ্ছে ঠিক তাই। ছেলেটির উত্তর।
বতসোয়ানায় বসে ২০০৬ সালের বিদায় লগ্নের এ সময়টুকুতে দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমার বাচ্চা ছেলেটির ধারণাটিকে খুবই যথার্থ মনে হচ্ছে। আমাদের দেশে কয়েকদিন পরপরই শ্রমিকরা আন্দোলনে যায়। নিশ্চয়ই পুঁজিবাদ শ্রমিক শ্রেণীকে শোষণ করছে বুঝতে পেরে শ্রমিকরা আন্দোলনে যাচ্ছে। গার্মেন্ট শ্রমিকরা, কারখানার শ্রমিকরা সহিংস বিক্ষোভে ফেটে পড়ে যখন কোটি কোটি টাকার মূল্যবান সম্পদ নষ্ট করলো সরকার তখন সত্যিকার অর্থেই ঘুমুচ্ছিল। আমরা জনগণ নানাভাবে বঞ্চিত হলাম। আমাদের ভবিষ্যৎ তখন চিৎকার করে কাঁদছিল আর বলছিল, প্লিজ! সোনার দেশটিকে বাঁচাও, স্বপ্নের দেশটিকে বাঁচাও, এভাবে তোমরা ষড়যন্ত্র করে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিও না।
আমাদের সোনার দেশটিতে রাজনীতির নামে, ক্ষমতা দখলের নামে এখন কি হচ্ছে? কেন এ রকম হচ্ছে? এ প্রশ্নের জবাব আমাদের কে দেবে? আমাদের সোনার দেশটিতে আছে একটি বিশাল জনসম্পদ। এ জনসম্পদের যথার্থ পরিচর্যা না করলে আমরা যে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারবো না, আমাদের দেশের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা কি তা বুঝতে পারছেন না? অবশ্য আমাদের দেশে সে ধরনের নেতার বড়ই অভাব যার নেতৃত্বে আমরা সবাই মিলে আলোর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়বো। এ মুহূর্তে আমাদের দেশে সে ধরনের নেতার দরকার যার দিক নির্দেশনায় আমরা উন্নয়নের পথে ধাবিত হবো। পাঞ্জেরি হাতে পথ দেখিয়ে যিনি আমাদের রাত শেষে প্রভাতের আলোয় পৌঁছে দেবেন, এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমাদের সে রকম একজন নেতা। আমাদের এ রকম আরো বেশ কিছু নেতার দরকার। এক এক নেতা দক্ষ নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের শূন্যতাগুলো পূর্ণতায় ভরিয়ে দেবেন। আমাদের দেশে অনেক নেতা আছে। পুরো পার্লামেন্ট জুড়ে ৩৪৫ জন নেতা, এরও বাইরে উপনেতা, পাতি নেতা, খুচরা নেতা মিলিয়ে নেতায় নেতায় দেশটা আজ ভরে গেছে। কিন্তু এ নেতাদের মধ্যে নেই দেশটিকে, দেশের মানুষগুলোকে আলোর দিকে পৌঁছে দেয়ার মত সঠিক নেতৃত্বের ক্ষমতা।
(এই লেখাটি ২০০৭ সালে যায়যায়দিনে প্রকাশিত হয়েছিল)
চলবে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


