
অনুগ্রহ করে আর কোন কমিটি করে জনগণকে ধোঁকা দিবেন না। সরকার ভুলে গেলেও আমরা কিন্তু সেই নিমতলার কমিটির কথা ভুলিনি। ২০১০ সালে এই সকাররের আমলেই নিমতলা অগ্নিকান্ডে নিরুপায় মানুষের চোখের সামনে ১২৪জন মানুষ জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ হয়ে ছটফট করতে করতে মারা যেতে দেখেছে জাতি। এই চেয়ে নির্মম দৃশ্য আর কি হতে পার? কর্তৃপক্ষ বিশদভাবে বিবৃতি দিচ্ছে। কেউ শোক আবার কেউ ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা বলেছে। আমি বলি আর কত প্রাণের বিনিময়ে তোমাদের শিক্ষা নেওয়া হবে?
আবার সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ কোরআন শরীফের ছবি দিয়ে বলে বেড়াচ্ছে দেখ কত মানুষ পুড়ে মরে গেল কিন্তু পবিত্র কোরআন শরীফ এর পবিত্র কালাম পুড়ে নাই। হায়রে মানুষ! মহান আল্লাহ পাক মানুষের জন্যই তো কোরআন পাঠিয়েছেন তাই না? যদি এভাবে সমস্ত মানুষ জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যায় তাহলে শুধু কোরআন শরীফ থেকে কি লাভ? উল্লেখ্য ইয়ামামার যুদ্ধে ৭০জন কোরআনে হাফেজ শহীদ হয়েছিলেন। তাহলে যারা এই সমস্ত পুরনো ছবি দিয়ে কাগজে লিপিবদ্ধ কোরআন কে সেই সমস্ত শহীদদের (কোরআনে হাফেজ) চেয়ে মর্যাদা বেশি বলে প্রচার করছে তাদের আসলে উদ্দেশ্য কি? তাদের হৃদয় কি একটুও ব্যাথিত করেনা শত শত নির্মম মৃত্যু?
মহান আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন। সকল মৃত ব্যাক্তিদের চির শান্তির ফয়সালা করুন। আমীন।।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



