বর্তমানে সারাদেশে মোট ৯৮৮৬ টি পোস্ট অফিস রয়েছে। যা প্রতি বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার অধিক লোকসান গুনতে হচ্ছে। এই পোষ্ট অফিস গুলোকে কিভাবে লাভবান প্রতিষ্ঠান করা যায় সরকারের নানান প্রচেষ্ঠার ফলশ্রেুতিতে দেশের সকল পোষ্ট অফিস গুলোকে ডিজিটাল পোষ্ট অফিস রূপান্তরের লক্ষে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৯৮৮৬টি পোষ্ট অফিসকে পোষ্ট ই-সেন্টারে রূপান্তর করা হয়েছে। যা থেকে ডাকবিভাগের লোকসান কমিয়ে আনা সম্ভব এবং দেশের আমজনতা গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চল হতে ডিজিটাল সেবা পেতে পারবে। সেই উদ্দেশ্যে ১৭ থেকে ১৯টি সরকারি সেবার প্রলোভন দেখিয়ে ৯৮৮৬টি পোষ্ট অফিসে পোষ্ট ই-সেন্টারের উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হয় স্থানীয় পোষ্ট মাষ্টার মারফত। বর্তমানে নানান প্রতিকুলতায় বিলুপ্তের পথে ডাকবিভাগের সোনার ডিমদেয়া পরিকল্পনাধীন পোষ্ট ই-সেন্টার। আমার দৃষ্টিতে ১। কম্পিউটার পারদর্শীতায় অক্ষম লোকদের উদ্যোক্তা নির্বাচন, (মুদির দোকানে, টেইলারের দোকানে, ওয়্যাকসপে) ২। সরকারের ধ্বজবঙ্গ দোয়েল কোম্পানীর ল্যাপটপ সরবরাহ ( যা কয়েক মাসে অচল)।৩। প্রলোভনকৃত অফার সরকারি ১৭-১৯টি সেবা দেয়া।( যা দু একটি কোথাও চালু)।৪। লাভ্যাংশের ১০% ডাকবিভাগকে প্রদান, ৫। জিপিও এবং এইচপিও গুলোতে পোষ্ট ই- সেন্টার তদারকিতে কম্পিউটার পারদর্শী জনবলের অভাব, ৬। ডাক বিভাগের সেবাসমূহ পোষ্ট ই-সেন্টারের না দিয়ে দোকানপাটে চালূ (ডিপোজিট স্কিম, নগদ (মোবাইল ব্যাংকিং) ইত্যাদি। বর্তমানে ডাকবিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং নগদ চালু হয়েছে যা কিনা বাংলাদেশ ব্যাংক এর অনুমোদন বিহিন । সকল মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় সাধারন গ্রাহক ১০-১৫হাজার লেনদেন করতে পারে আর ডাকবিভাগের " নগদ" দেড় লক্ষ টাকা। কে জানে ভবিষ্যৎকি ?
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



