somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সীমান্তের সুলতান

১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা। অন্যপাশে বসা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস। তার চোখে ঠাণ্ডা, ধূর্ত চাউনি।

"স্যার, আমার ছেলে তো মাদক ব্যবসা করে না। সে তো ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে..." লোকটা ডুকরে কেঁদে উঠল।

প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস তার টেবিলের ওপর রাখা মোটা লাঠিটায় আলতো করে হাত বোলালেন। মৃদু হেসে বললেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তো কী হয়েছে? টেকনাফে টেকনাফের আইন চলে, আর সেই আইনের নাম প্রমোদ রঞ্জন। আজ রাতে পাঁচ লাখ টাকা যদি আমার চকরিয়ার রিসোর্টের ম্যানেজারের কাছে না পৌঁছায়, তবে কাল সকালে মেরিন ড্রাইভের পাশে তোমার ছেলের লাশ পাওয়া যাবে। সুরতহাল রিপোর্টে লেখা থাকবে—বন্দুকযুদ্ধ"

গত পাঁচ বছরে এই সীমান্তে তিনি একচ্ছত্র সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। ক্ষমতার শীর্ষ মহলের আর্শীবাদ আর ক্রসফায়ারের ভয়—সব মিলিয়ে প্রমোদ নিজেকে ভাবতেন সীমান্তের অঘোষিত সুলতান।

কিন্তু প্রমোদ জানতেন না, ক্ষমতার চূড়া থেকে পতনের রাস্তাটা কত খাড়া হয়। আর সেই পতনের সূচনা করতে অলরেডি কক্সবাজারে পা রেখেছেন এক ছায়ামানব—সেনাবাহিনী থেকে আগাম অবসর নেওয়া সৎ ও নির্ভীক মেজর (অব.) সোবহান আহমেদ। সোবহান এসেছেন তার ইউটিউব চ্যানেলের ট্রাভেল ডকুমেন্টারি বানানোর আড়ালে প্রমোদের টর্চার সেল ও ক্রসফায়ার সিন্ডিকেটের গোপন ফুটেজ রেকর্ড করতে।

জুলাইয়ের এক শেষ বিকেলে প্রমোদের এক বিশ্বস্ত সোর্স তাদের দেখে ফেলে প্রমোদকে ফোন করে জানায়, "স্যার, ঢাকা থেকে আসা সেই আর্মির সাবেক মেজর আপনার বর্ডার ক্রসিংয়ের ভিডিও করে ফেলেছে। ওনার কাছে মারাত্মক সব প্রমাণ আছে।"

থানার কামরায় বসা প্রমোদের চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। তিনি তার বিশেষ স্কোয়াডের সদস্য, সাব-ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে ডাকলেন। "আজ রাতে সোবহান আহমেদ যখন ইনানী থেকে মেরিন ড্রাইভ হয়ে ফিরবে... খেলা শেষ করে দিবি। নো উইটনেস।"

জুলাই, ২০২০। রাত ৮:৩০ মিনিট।
কক্সবাজার ডিবি কার্যালয়ে নিজের ডেস্কে বসে কিছু পুরোনো ফাইলের ডেটা মেলাচ্ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশফাক চৌধুরী। তিনি টেকনাফ অঞ্চলের ক্রাইম গ্রাফ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে কাজ করছেন। প্রমোদ বিশ্বাসের ক্ষমতার উৎস এবং তার ক্যাশ ফ্লোর ওপর আশফাকের নজর ছিল অনেক আগে থেকেই, কিন্তু পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে তিনি হাত দিতে পারছিলেন না।

ঠিক তখনই তার টেবিলে টেকনাফ বর্ডারের একটি ইন্টারসেপ্টেড অডিও কল রেকর্ড এলো। লিয়াকত আর প্রমোদের সেই সংক্ষিপ্ত কোড-ল্যাঙ্গুয়েজের কথোপকথন।

আশফাকের মেরুদণ্ড দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে গেল। "লিয়াকতকে শামলাপুর চেকপোস্টে মুভ করতে বলা হয়েছে? টার্গেট কে?" আশফাক সঙ্গে সঙ্গে তার টিম নিয়ে মুভ করার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু টেকনাফ রোড থেকে শামলাপুরের দূরত্ব অনেক।

রাত ৯:২৫ মিনিট। শামলাপুর চেকপোস্ট।
দূর থেকে সোবহানের জিপ গাড়ির হেডলাইটের আলো দেখা গেল। গাড়িটি আসতেই লিয়াকত চিৎকার করে উঠল, "গাড়ি থামান! হাত ওপরে তুলুন!"

সোবহান অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের মানুষ। তিনি গাড়ি থামালেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি তার ক্রু সায়মনকে বললেন ভিডিও ক্যামেরাটা সিটের নিচে অন করে রাখতে। সোবহান নিজে জিপের দরজা খুলে দুই হাত ওপরে তুলে নেমে এলেন।

"আমি মেজর (অব.) সোবহান আহমেদ। শান্ত হোন অফিসার," সোবহান বললেন।

কিন্তু লিয়াকতের কানে তখন প্রমোদের শেষ নির্দেশ বাজছিল। লিয়াকত কোনো কথা শোনার চেষ্টা করল না। সে চিৎকার করে বলল, "ও পিস্তল বের করছে! গুলি কর!"

ঠাস! ঠাস! ঠাস!

তিনটি গুলির শব্দে মেরিন ড্রাইভের বুক কেঁপে উঠল। সোবহানের বুকে তিনটি গুলি লাগল। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পিচঢালা রাস্তার ওপর লুটিয়ে পড়লেন।

ঠিক ১০ মিনিটের মধ্যে একটি কালো পাজেরো গাড়ি তীব্র গতিতে ব্রেক কষে থামল চেকপোস্টে। গাড়ি থেকে নেমে এলেন স্বয়ং প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস। তিনি মাটিতে পড়ে থাকা সোবহানের নিথর দেহের দিকে তাকালেন। প্রমোদ নিজের বুট জুতো দিয়ে সোবহানের মুখটা চেপে ধরে নিচু স্বরে বললেন, "প্রমোদ রঞ্জনের সাম্রাজ্যে হাত দেওয়ার ফল বুঝলে এবার?"

প্রমোদ সঙ্গে সঙ্গে তার কনস্টেবলদের নির্দেশ দিলেন গাড়ির ভেতর ইয়াবা আর বিদেশি মদ রেখে একটা ভুয়া চুরির গল্প সাজাতে।

হত্যাকাণ্ডের ঠিক এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছালেন আশফাক চৌধুরী। চারপাশ তখন প্রমোদের পুলিশ ফোর্সে গিজগিজ করছে। প্রমোদ অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে আশফাককে বললেন, "স্যার, সেলফ ডিফেন্সে গুলি চালাতে হয়েছে। আমাদের কাছে ইয়াবা আর বিদেশি পিস্তল উদ্ধার হয়েছে।"

আশফাক কোনো কথা বললেন না। তিনি জিপের ভেতরের সায়মন ও নাবিলাকে গ্রেপ্তার করার ভান করে নিজের হেফাজতে নিলেন, কারণ তিনি জানতেন প্রমোদের হাত থেকে এই সাক্ষীদের বাঁচাতে হবে। সায়মন ডিবির গাড়িতে উঠেই ফিসফিস করে বলল, "স্যার, সিটের নিচে ক্যামেরা অন ছিল। ওটার ক্লাউড ব্যাকআপ আমার ফোনে আছে।"

আশফাকের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। কিন্তু প্রমোদ এত সহজে হেরে যাওয়ার পাত্র নন।

পরদিন সকালে প্রমোদ বুঝতে পারলেন হাওয়া উল্টো দিকে বইছে। তিনি দ্রুত শামলাপুর চেকপোস্টের আশেপাশের সমস্ত সিসিটিভি ডিভিআর (DVR) জব্ধ করে পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন। একই সাথে সোবহানের ক্রুদের ফোনগুলো ডিবির হেফাজত থেকে চুরি বা নষ্ট করার জন্য ল্যাবের এক কনস্টেবলকে বিশাল অঙ্কের ঘুষ দিলেন প্রমোদ। কিন্তু আশফাক চতুর ছিলেন; তিনি আগেই মূল ডিজিটাল এভিডেন্স ডুপ্লিকেট করে সেনা সদরের তদন্ত কমিটির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

আগস্ট, ২০২০। প্রমোদ টের পেলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে যাচ্ছে। তিনি তার শেষ চাল চাললেন। বোরকা পরে টেকনাফের এক লবণ চোরাকারবারির ট্রলারে করে মিয়ানমার পালিয়ে যাওয়ার জন্য রাতে বর্ডারে পৌঁছালেন।

কিন্তু ঘাটে ট্রলারের মাঝি সেজে বসে ছিলেন স্বয়ং আশফাক চৌধুরী। প্রমোদ যখন ট্রলারে পা দিলেন, চারপাশ থেকে সোয়াত টিম তাকে ঘিরে ধরল। প্রমোদ বোরকার নিচ থেকে পিস্তল বের করতে চাইলেন, কিন্তু আশফাক তার কব্জি চেপে ধরলেন।

"সাম্রাজ্য শেষ, প্রমোদ সাহেব," আশফাক ঠাণ্ডা গলায় বললেন।

বহু মাসের দীর্ঘ ও রুদ্ধশ্বাস বিচার প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি উঠলো বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। পুরো দেশ তখন তাকিয়ে আছে এই রায়ের দিকে। প্রমোদের পক্ষে দেশের নামী আইনজীবীরা দাঁড়িয়েছেন, তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে সোবহানই প্রথমে গুলি ছুড়েছিলেন।

আদালতের মাঝখানে পিনপতন নীরবতা। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস। তার সেই ওসির দাপট নেই, তবে চোখে এখনো এক ধরণের ধূর্ত ও প্রত্যাশামূলক চাউনি—হয়তো কোনো অলৌকিক উপায়ে উপরমহল তাকে বাঁচিয়ে দেবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ল্যাপটপ অন করলেন। আদালতের বড় প্রজেক্টরে প্লে হলো সেই কালরাতের ভিডিও।

অন্ধকার ভেদ করে সোবহানের শান্ত কণ্ঠস্বর শোনা গেল—"আমি মেজর (অব.) সোবহান আহমেদ। শান্ত হোন অফিসার।" এরপর লিয়াকতের চিৎকার এবং তিনটি নির্মম গুলির শব্দ। প্রজেক্টরের আলোয় দেখা গেল প্রমোদ বিশ্বাসের মুখ। তিনি যখন বুট জুতো দিয়ে লাশের মুখ চেপে ধরেছিলেন, সেই দৃশ্য দেখে পুরো আদালতে গুঞ্জন উঠল।

বিচারক চশমাটা নাক থেকে নামিয়ে প্রমোদের দিকে তাকালেন। সেই চাউনিতে তীব্র ঘৃণা। প্রমোদের মুখের সেই শেষ ধূর্ত চাউনিটি মুহূর্তের মধ্যে মিলিয়ে গেল। তার কপাল বেয়ে ঘাম ঝরতে লাগল। তিনি বুঝতে পারলেন, টেকনোলজির এই অকাট্য প্রমাণের সামনে তার সমস্ত রাজনৈতিক ক্ষমতা আজ অচল।

বিচারক তার রায় পড়া শুরু করলেন। টানা দুই ঘণ্টার রায় পাঠ শেষে বিচারক তার গম্ভীর কণ্ঠে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন:

"আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক পরে প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা যে বর্বরতা চালিয়েছেন, তা নজিরবিহীন। এই আদালত আসামিদের অপরাধকে সর্বোচ্চ মাত্রার অপরাধ হিসেবে গণ্য করছে। বহু মাসের দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া বিবেচনা করে এই আদালত মূল আসামি প্রমোদ রঞ্জন বিশ্বাস এবং সাব-ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করছে।"

রায় ঘোষণার সাথে সাথে প্রমোদ বিশ্বাসের পা কেঁপে উঠল। তিনি কাঠগড়ার রেলিং ধরে কোনোমতে দাঁড়িয়ে রইলেন। তার চোখ দুটো শূন্য, যেন তিনি নিজের তৈরি করা ডেথ সেলের অন্ধকার দেওয়াল এখনই দেখতে পাচ্ছেন।

রায়ের পরদিন সন্ধ্যায় এএসপি আশফাক চৌধুরী একা ড্রাইভ করে মেরিন ড্রাইভের সেই শামলাপুর চেকপোস্টে এলেন। গাড়ি থামিয়ে তিনি সমুদ্রের দিকে তাকালেন। সমুদ্রের গর্জন আজ অনেক শান্ত, যেন কোনো এক দীর্ঘদিনের পাপ ধুয়ে মুছে গেছে।

আশফাক পকেট থেকে সোবহানের সেই ছোট মেমোরি কার্ডটি বের করলেন, যা এই বিশাল অপরাধ সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়েছে। তিনি স্বগত স্বরে বললেন—

"ক্ষমতা যখন অন্ধ হয়ে যায়, তখন সে নিজের কবর নিজেই খোঁড়ে। প্রমোদ ভেবেছিলেন তিনি টেকনাফের ঈশ্বর, কিন্তু তিনি ভুলে গিয়েছিলেন—ইতিহাসের শেষ বিচারটা সবসময় মানুষই করে।"

আশফাক গাড়িতে উঠে স্টার্ট দিলেন। পেছনে পড়ে রইল মেরিন ড্রাইভের সেই কালো পিচঢালা রাস্তা, যা এখন প্রমোদ রঞ্জনের পতনের এবং মেজর সোবহানের ন্যায়ের সাক্ষী হয়ে শান্ত ঘুমে মগ্ন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×