somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি রানা
বাস্তব এবং সাধারন মানুষ আমার লিখার জীবন। এখানে রানা নামের একজন অতি সাধারন ব্যক্তির দৈনিক জীবন এবং তার দৃষ্টিতে সমাজের বর্তমান অবস্থা এবং এর প্রভাব তার নিজের ভাষায় প্রকাশ করা হবে।

করোনায় বন্দী অবস্থায় আমার ভাবনা!!!(৭)

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নিজেকে বাসায় কখনোই এত সময় বন্দি করে রাখিনি। তার উপর কথাবলার কোন মানুষ নেই। গত দু-দিন মনে হচ্ছে পাগল হয়ে যাচ্ছি, মেজাজ অতি মাত্রায় খিটখিটে, কথায় কথায় যার তার সাথে ঝগড়া, নিজে নিজে হাসা, ইত্যাদি আরো নানা বিধ লক্ষন অনুভব করছি। কাজের উছিলাই কতক্ষনইবা নিজেকে একা রাখা যায়? বার বার ছোটবেলার সেই গল্পের কথা মনে পরছে MAN CAN NOT LIVE ALONE আসলেই মানুষ একা বাস করতে পারেনা।
ভাবছি করোনার প্রভাব শেষ হলে গ্রামে চলে যাবো। গ্রামে গিয়ে কৃষি কাজ করবো। কারন করোনা পরবর্তী অবস্থায় মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে খাদ্য আর চিকিৎসার। খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। অমদানি করা যাবেনা কারন কার কাছ থেকে আমদানি করবে? সবাইত নিজ খাদ্য যোগান দিতে হিমশিম খাবে। তখন কৃষকদের কদর বেড়ে যাবে তাদেরকে দেখা হবে সম্মানের চোখে। তারা তাদের অতীত গর্ব ফিরে পাবে আর গর্ব করে বলবে আমি কৃষক।
শহর থেকে মানুষ হুমরি খেয়ে পরবে গ্রামের দিকে। ঈদের দু-দিন আগে যেমনটা হয়। বিদেশ থেকে শ্রমিকরা আবার গ্রামে ফিরবে নতুন করে চাষাবাদ শুরুর আশায়। সবায় একসাথে মাঠে নেমে পরবে। লাঙ্গলটা আবার সারিয়ে তোলবে। ট্রাকটার টা বিক্রি করে দু-টি হালের বলদ কিনবে। ড্রেজারের বালি দিয়ে যে পুকুরটা ভরিয়ে ফেলেছিল দালান করবার আশাই তা আবার খনন করা হবে মাছ চাষের জন্য। পুরোনো মেপ দেখে উদ্ধার করা হবে ফসলি জমি। তার পর সবাই এক সাথে মাঠে গিয়ে শুরু করবে চাষাবাদ। গরু লাঙ্গল নিয়ে জমি চাষ করবে।



যার গরু লাঙ্গল আছে প্রথমে সে তার জমি চাষ করবে, তার পর যাদের নেই তাদের দিবে। চাষ দেওয়া শেষ হলে বড় বড় মাটির ঢেলা ভাঙ্গার জন্য জমিতে মই দিবে। মই দেওয়া আনেক আনন্দের। ছোটবেলাই আমিও জমিতে মই দিতাম।


মই দেবার পর জমিতে সার ছিটানো হবে।


তারপর দেওয়া হবে সেচ ।












এভাবেই সকল কাজ শেষ করে ফলানো হবে খাদ্য। বিলের মাঝদিয়ে যে রাস্তাটা নেবার প্লেন করা হয়েছিল তা বন্ধ হয়ে যাবে। আইন করা হবে ফসলি জমিতে বাড়ি করা যাবেনা।


নদীর গতি পথ স্বাভাবিক করার জন্য ভেঙ্গে ফেলবে সব অবৈধ স্থাপনা। ছোট ছোট যে খালগুলো ভরাট করে ফেলেছে তা আবার খনন করে খুলে দেওয়া হবে। জেলে পাড়া আবার হয়ে উঠবে উৎসব মূখর , নৌকার কারিগররা আবার ব্যস্ত হয়ে পরবে নৌকা বানাতে।





এভাবেই মানব সভ্যতা নিজের পায়ে দাড়াঁবে আবার নতুন করে।


ছবি সব গুগল থেকে ধার করা।
ঘরে থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×