somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» মোবাইলগ্রাফী-১২ (পরিচিত জায়গার অপরিচিত ছবি.....)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবিগুলো একই জায়গার তবে দৃশ্যপট পরিবর্তন... বিরক্তিবোধ করিলে বলিবেন মুছিয়া দিবো।
ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা। (আজকের মতিঝিল)

হীরা মতির ঝিল.......
এখানে পানি নেই তবু শাপলা ফোটে রোজ
আকাশের খানিক নীল মুঠোয়
এনে রোদ্দুর তার গায়ে মাখিয়ে নেয়
আর নীল রোদ চশমায় ......
হনহন ছুটে যায় এপথ থেকে ওপথ
অবাক কান্ড... রোদ্দুর আজ অবাক,
ঝাঁঝাঁ রোদ মাথার উপর তবুও
রোদ্দুর মুগ্ধতায় চারিপাশ দেখে যায় চোখ ঘুরিয়ে!
পরিচিত শাপলা আজ অপরিচিত ঢংয়ে সেজেছে..
রোদ গলে গলে পড়ছে শাপলার পাপড়িতে
শাপলার পানিতে আকাশ তার নীল ঢেলে দিছে
নীলে আর রোদ্দুরের মাখামাখি ভালবাসা
এ যেনো এক হৃদয় ছোঁয়া অবাক কান্ড।
মানুষ নেই, গাড়ি নেই, নেই রিক্সার টুংটাং
যতদূর চোখ যায় যেনো খাঁখা বিরানভুমি
সেই বিরাণভূমিতে রোদ্দুর দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছে
নেই উৎকণ্ঠা, নেই আতংক..... নেই ভয় মনে তার
যন্ত্রের হাত পা আজ বুঝি প্যারালাইজড হয়ে শুয়ে আছে
গ্যারেজে গ্যারেজে........।
তাইতো কানে বাজেনি ভয়ংকর হর্ণ......সাঁই সাঁই উড়েনি পুরোনো যান
হোঁস করে থামেনি গা ঘেঁষে কোন মার্সিডিস।
আহা! এমন বেলা রোদ্দুর পেয়েছে, মুগ্ধতায় টুইটুম্বর যেনো!
নীলে মাখানো রোদ্দুরে চোখে বিষ্ময় আর সে বিষ্ময় তার ধরে রাখা চাই
ক্যামেরায় টাচ্ আর টাচ্ ..... অপরিচিত শাপলা চত্বর।
কি তোমরা দেখবে কি? আসবে আমার হীরা মতির ঝিলে
এখানে পানি তবু এটা ঝিল এখানে শাপলা ফুটে
এখানেও পাখি গায় যন্ত্রের ভেঁপু ধ্বনিতে।
কি দেখতে চাও? শাপলা ঝিল অথবা অপরিচিত হীরা মতির ঝিল
তাহলে একটু অপেক্ষা? পারবে?

১।
এই যে এই যে এইটাই শাপলা
নাই ভাই নাইরে আজ যানজটের ঘাপলা
হাঁটতে পারেন ঘুরতে পারেন -রাস্তাটা ফাঁকা
এমন ঢাকা তো সবার মনের মাঝে আঁকা



২।
ঝিল নেই জল নেই
শাপলা ফুটে তবু
এমন কান্ড ভাইয়েরা
দেখেছেন নাকি কভু।



৩।
লালগাড়ি নীল গাড়ি শাপলার চারপাশে
মাতে যে প্রতিদিনি শাপলার সুন্দর নাশে



৪।
ঐ পথ ধরেই যেতে হয় বায়তুল মোকাররম
উপছে পড়া রোদ্দুর আজ ফেলেছে কি গরম।



৫।
এখান থেকেই খানিকটা নীল এনে রোদ্দুর আজ নীলে সেজেছিল। তার চোখে ছিল নীল রোদ চশমা......
মুগ্ধতা ছিল আজ তার চোখে আর ঠোঁটে ছিল স্নিগ্ধ হাসি



৬।
এই পথ ধরেই যেতে হয় নটরডেম কলেজ
কিংবা যদি যেতে চান ব্যাংক কলোনী
আর এ পথ ধরেই রোদ্দুর তার নীড়ে ফিরে প্রতিদিন



৭।
ফাঁকা রাস্তা গাড়ি মানুষ অল্প
এ নিয়ে বানালাম আজ গল্প
সময় থাকলে শুনবেন......বসে দেখি চুপ সে
চোখ দিয়ে দেখবেন নড়াচড়া পিঠে বসাব ধুপ সে



৮।
গোল করে ঘিরে গাড়ি হাজার হাজার
শাপলার পাশেই যেনো রঙ্গের বাজার
ফুটে থাকে সে কারো কথা শুনে না
ঝরে না পাপড়ি, সে আর সময় গুনে না।



৯।
এই গোল ঘুরতেই একদিন
গলা থেকে চেইন টান দিয়ে মনে বাজিয়েছিল দু:খের বীন
টান মারে হেঁচকা..... ছিঁড়ে যায় গলা, ছিঁড়ে যায় চেইন
জীবন বাঁচানোই তবে ছিল মোর কাছে মেইন
ভাগ্যের কি পরিহাস রিক্সায় চেইন ঝুলে আছে
পিছু ফিরে দেখি ঝুলে আছে স্বর্ণ
প্রাণটা খুশিতে নাচে আহা।



১০।
এই রাস্তা সেই রাস্তা...
ফাঁকা ফাঁকা আহা ফাঁকা...
চারিপাশে ঝলমলানি
যেনো রোদ্দুর মাখা।



১১।
কর্মের খাতিরে কেউ কেউ রাস্তায়
সুন্দর কিনে নেয় তারা বড় সস্তায়



১২।
দূর দূর ঐ দুরে
নীল আকাশটা মিশে গেছে
খানিকটা নীল তোমার মুখে ছুঁড়ে দিলো কে গো
এমন নীলের মতো আচরণ
বিষয় ঢেলে দাও অন্তরে।



১৩।
টুকটাক গাড়ি ছিল সাথে ছিল রিক্সা.... রোদ্দুর অতিরিক্ত বলে তুমি আসনি শাপলা তলায় অথচ তোমার রোদ্দুর মিশেছিল শাপলার তলের স্বচ্ছ জলে।



১৪।
এই পথ দিয়ে তোমাকে নিয়ে হাঁটতে চাই এমন রোদ্দুর বেলায় তুমি কি আসবে সায়োনারা smile



১৫।
ঐ যে নীল আকাশট সে হচ্ছো তুমি আর আমি রোদ্দুর ভেসে বেড়াই তোমার কাছ ঘেঁষে । তুমি দাও না ধরা। ভেসে ভেসে দূরে মিলিয়ে। তাই তো তুমি আমার শরত আকাশ আর আমি তোমার রোদ্দুর।



১৬।
সায়োনারা তুমি এসো এই পথ ধরে হেঁটে যাই... গল্প করতে করতে
তুমি আমি পাশাপাশি
খবরদার হাত ধরতে যাবে না......রোদ্দুরের তেজে পুড়িয়ে মারব কয়ে দিলুম।



১৭।
আকাশ ঢেকে দিচ্ছে তোমাকে কিভাবে দেখব অভ্র...... ইট পাথরের শহরে আর থাকতে ইচ্ছে করে না চলো হারিয়ে যাই। মঙ্গলগ্রহে একটা ফ্লাট কিনে নিয়ো



১৮।
রাস্তা পারাপারে খুব ভয়...... তুমি আমাকে রাস্তা পার করা শিখাবে সায়োনারা?



১৯।
এই পথটি গেছে রাজধানী মার্কেট আর পুরাতন ঢাকার দিকে আর যাত্রাবাড়ির দিকে। তুমি কি এই পথের সাথে পরিচিত। না হলে এসো আমি তোমাকে পথ চিনিয়ে নিয়ে যাবো।



২০।
এই লাল গাড়িটা আমার চাই তুমি হবে ড্রাইভার আমি তোমার যাত্রী। আর শুন, গাড়িটি সাজিয়ে নিয়ো একশত দুইটি নীল পদ্মে অথবা পেজাতুলো মেঘ থেকে কিছু মেঘ এনে শুভ্র বসনে সাজিয়ে দিয়ো। কি দিবে তো?



২১।
এই পথটি আমার নীড়ের দিকে গেছে। তুমি আসলে চিনিয়ে দিবো অকে আজ তবে আসি । আল্লাহ হাফেজ


সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:১৯
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×