somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» আমার দেশের ছবি.....

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১। গোধূলিয়ার কাছাকাছি এসে থেমে যায় ছেলেবেলা
সময় ঘোরে আমি হারাই কালের অতলে আর জেগে উঠে নতুন নতুন ছেলেবেলা
আমি মুগ্ধ হই আর সাটারের ক্লিকে তুলে আনি অতীতের ছেলেবেলা।



ক্যামেরার জন্য আবার একখান লেন্স কিনলাম । ১৮-১৩৫ জুম....... শখের বশে ছবি উঠাই। চাইছিলাম অনেক অনেক অনেক জুম হবে। কিন্তু পরে শুনলাম জুম লেন্স কিনলে নাকি বারবার লেন্স পাল্টাতে হবে তাই আর জুম লেনস কিনি নাই । এই মৌসুমে বাড়িত গেছিলাম। আমার কামই একটা যা দেখি ফটো উঠাই। রাস্তাঘাট কি পুকুর সব জায়গাতেই যা দেখে ভাল লাগে তাই উঠাই। ছবি ভাল আসলে মনটা ভাল হয়ে যায়। হয়তো ফটোগ্রাফারদের মতো ছবি উঠাতে এখনো শিখি নাই তাতে কি। শখ তো আর মাটি করন যাইবো না তাই আরকি ক্লিকায়ে যাই। ট্রেন থেকে কতগুলো ছবি তুলেছি কিচু বাড়ির ছবি কিছু পথে ঘাটের ছবি । আপনাদের ভাল লাগলে আমার ছবি উঠানো হবে কিছুটা না অনেকটাই স্বার্থক। তো কষ্ট করে নিচে উপরে চোখ রাখুন। ক্যানন ৬০০ডি
২। মায়ের ওমে গুটিসুঁটি মেরে শুয়ে থাকার প্রহর সে কবেই গেছে হারিয়ে
এমন ছবি দেখলেই মেয়েবেলা যেনো আমায় ডাকে হাত বাড়িয়ে
কি শীত কি গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই মায়ের ওমে থাকে লুকানো অথৈ সুখ
জড়িয়ে ধরলে মাকে-বিষাদ ব্যথা পালায় দূরে-তৃপ্তিতে যায় ভরে বুক।



৩। কুয়াশায় চাদরে মোড়া সকাল -কি যে স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে আছে পাতায় পাতায়, সে যদি দেখতে আর অনুভব করতে। তুমি তো ঘুমের কোমায় ডুবে থাকো। আজো দেখোনি মুগ্ধতার একটি সকাল। -একদিন যাবে কুয়াশা ঢাকা সকালে নগ্ন পায়ে আমার সাথে? আমি তোমায় চোখে এনে দিবো রাজ্যের মুগ্ধতা।



৪। জলের আয়নায় কখনো মুখ দেখেছো তুমি
মৃদু হাওয়ায় যখন জল কাঁপে সেই আয়নায় মুখ হয়ে যায় আঁকাবাঁকা....
আজ না হয় তোমাকে জল আয়না উপহার দিলাম। তুমি দেখো..... মুগ্ধতায়
তবে নিজের প্রতিচ্ছবি নয়-মহান আল্লাহর সৃষ্টির সৌন্দর্য। আমি জানি তুমি মুগ্ধ হবেই। মুগ্ধ হতে বাধ্য হবে তখন আমাকে না হয় এক পলক দেখে নিয়ো মনের আয়নায়।
বাড়ির পুকুর-আহা কি স্বচ্ছ জল তবে শীতের লাইগা নামতে পারি নাই আফসোস হাহাহা



৫। তুমি এমন কেনো শুনি, ছুঁয়ে দিলেই নুয়ে যাও
আঁচলে ঢাকো মুখ। তুমি কি জানো তুমি হাসলে
ভুবনটাও যেনো হেসে উঠে গোলাপী আভায়



৬। একটি কুয়াশা সকাল হোক আমার জন্য। তুমি সেই ঘুমেই আচ্ছন্ন। পাতায় পাতায় লেপ্টেছিল কুয়াশার স্নিগ্ধতা। সে শুধু আমি অনুভব করেছি আর মুগ্ধ হয়েছি। তোমার জন্য কুয়াশা ধরে আনলাম ছবি করে-একটু দেখো চেয়ে আর মুগ্ধ হও দেখি।



৭। যাস নে মাঝি-দেখ চেয়ে কুয়াশায় ঢেকে গেছে পৃথিবী
এপাড়ে বড্ড ভয়-তুই কি আমাকে ওপাড়ে নিয়ে যাবি তোর সাথে?
বিনিময়ে তোকে দিয়ে দিবো খোঁপায় গাঁধা বেলীর মালাটি।
(ট্রেন থেকে তোলা ছবি)



৮। হাতে লবণ গাছে বরই
ঢিলের ভয়ে পালায় চড়ই....
ও বন্ধু তুই দে-না ঢিল টা
খুশি করে দিবি দিল-টা?



৯। একদিকে কুয়াশা একদিকে ঝলমলে রোদ্দুর-তুমি আর আমি সেদিন দৃষ্টি দিয়েছিলাম দূর ঐ দূরে- জানি না কতটা মুগ্ধ হয়েছিলে তুমি। তবে আমি জানি এ আমার দেশ এ আমার মাটি-যার সোঁধাগন্ধে আমি মুর্হুমুহু হারিয়ে যাই/হারাই। তাইতো মুগ্ধতায় তাকাই যেথায় বয়ে গেছে সবুজের ছোঁয়া। আমার দেশ আমার অহংকার আমার গর্ব বুক ফুলিয়ে আমি তা বলতেই পারি তাই না।



১০। শীতের সকাল স্টেশনে আছি বসে
বদের হাড্ডি বদ তুমি
মনের মাঝে কিসের অংক যাচ্ছো কষে?
ঠান্ডা লাগছে -খাবো ইচ্ছে ঝাল চানাচুর
ওরে পাজি ভাঙ্গো দেখি দিবাস্বপ্ন
ভাঙ্গো অলীক ঘোর..............
নিয়ে আসো ঝাল চানাচুর পকেট খালি করো
আমার জন্য একটুখানি প্রেমতো মনে গড়ো....... (মাত্রার ঠিক নাই)


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:৪১
৩১টি মন্তব্য ৩১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×