somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» মোবাইলগ্রাফী-২০ (ফুলের ছবি)

২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১। ও শেফালী লুকিয়ে আছিস ঘাসের বুকে
ঝরে পড়লি অসময়ে-বল্ না তুই কোন সে শোকে?



সব সময়ের সঙ্গী মোবাইল যেহেতু। কোনো কিছু সুন্দর দেখলেই ক্লিক হয়ে যায় -যেনো এটা অটো হয়ে গেছে। বিভিন্ন সময়ের তোলা কিচু মোবাইলগ্রাফী নিয়ে আবার হাজির । এবারও ফুলের ছবি। মৌসুম অনুযায়ী ফোটা ফুল....... যখন ইচ্ছে তখন তুলেছি। আমার চোখে সুন্দর যা -তা আমি একা দেখবো কেনো তাই আপনাদেরকে বিরক্ত করতেই পোস্ট করা হাহাহা। যদি ভাল লাগে তবেই না কষ্ট সার্থক। পোস্ট সাজানোটাও সময় সাপেক্ষ। কত পোস্ট সাজানোর জন্য আর দেয়া হয় না। আচ্ছা যাই হোক তো এবার স্ক্রল ঘুরিয়ে দেখতে থাকুন ফুলের ছবি। এবার ফুলের গায়ে লিখে দিছি ফুলের নাম।

২। বৃষ্টি ধোঁয়া কামিনীর পাতা-দেখো কেমন লাগছে সবুজ
একটি ফুলের পাপড়ি এনে দাও না বন্ধু-মন যে আবেগী অবুঝ



৩। ফুলের ডালা সাজিয়ে রাখি সন্তর্পণে-যদি তুমি আসো। শুকিয়ে ফুল হয় উদাসীন অহহো না আমি হই উদাস। ভাবি আর কুঁড়াবো না ফুল তোমার জন্য। মন দেউড়িটা খুলে রাখি-তুমি ভুলেও এ পথ মাড়াও না-তাতে কি আমি রোজ সকালে তোমার জন্য সাজিয়ে রাখবো রঙ্গন শিউলী আর বেলীর ফুলে। এসো কিন্তু সময় হলে-



৪। কাঠবেলীটা সবুজ বুকে-কেমন দেখো আছে শুয়ে
কেমন করে সজীবতার- স্নিগ্ধ ফসল যাচ্ছে রোয়ে
ধরো বন্ধু আমি যদি-থাকি তোমার শুয়ে বুকে
প্রেম রোবে কি ভালবেসে-সজীব মনে অথৈ সুখে?



৫। এমনি তো জীবন-কেউ তরতাজাই চলে যায় এই ধরা থেকে আর কেউ বুড়ো হয়েও পড়ে থাকে রোগে সোগে জীর্ণতায়। এখানেই তো সুখ আর দু:খ। এই দেখো -মরার পাশেই হেসে বেঁচে ফলবতী গাছ। কেমন বলো-জীবনতো মোদের এমনই তাই না।



৬। না, না আমি গোলাপ চাই-তোমার মনের মত শক্ত গোলাপের ছোয়া চাইনে বাপু। আমি তবে গোলাপই চাই-যাতে আছে স্নিগ্ধতার মাতাল করা ঘ্রাণ। তুমি হয়ে থাকো সেই কাঠগোলাপই-আর আমি হবো হাসনা হেনা।



৭। লাল সবুজের মাখামাখি-সেতো থাকবেই চিরকাল
আর আমিই বাবা রইলেম নে তোমার বুকের মাঝার। ছেড়ে চলে যাও-ফিরে আর আসলে না এদিক মাড়ালে না । ভালবাসার স্বপ্নও দেখতে জানো না। আচ্ছা তুমি যদি সবুজ হতে তবে কিন্তু আমি লালই হতাম-ছুয়ে থাকতাম তোমার বুকে। কি মন্দ বলেছি কি?



৮। রক্ত জবা এনে দাও গো- পরিয়ে দাও খোঁপায়
জীবন আমার রঙিন হবে-এমন সুন্দর তোফায়
কানের দুলটা বানাতে পারি-দাও না এনে রক্ত জবা
বলছো নাকো কোনো কথা-আচ্ছা তুমি কিগো বোবা?



৯। তুমি নিচের মরা দূর্বাঘাস আর এমনই সজীব কামিনী পাতা। তুমি মরে বেঁচে থাকো আর আমি বাঁচি মুগ্ধতায় সজীবতায়। আমার প্রহরগুলো কাটে বড্ড সুখে। আমি প্রভূর সৃষ্টির সকল সৌন্দর্য্য ভালবাসি যে। তুমি বড্ড বাস্তবমুখী। একটু কাল্পনিক হওতো এবার।



১০। ঝরে পরে ফুল আয়ূ যদি ফুরায় তার
অন্য ফুলের হৃদয় পুড়ে দেখো কেমন ছারখার
নুয়ে আছে জবা ফুলটি-সাথী তার গেছে ঝরে
দিবারাতি ফুলের চোখে-তবে কি সে অশ্রু ঝরে।



১১। বেলী ফুলের কলি- এখন ঘ্রাণ নেই। ফুটলেই ঘ্রাণে মাতাল হই। অথচ আমরা মানুষ নিজের মাঝেই চুপসে থাকি। ফুটে উঠিনা মানুষের সেবায়। আমাদের ঘ্রাণে কেউ সহজে মাতাল হয় না্ তাই না?



১২। কাঁটার মাঝে ফুটে থাকে রক্ত রঙা ফুল
হাত বাড়ালেই রক্ত ঝরবে-করো না সে ভুল
চাও গো যদি দিতে আমায় উপহার একটা কিছু
ভালবাসি বল তবে -তোমার মুখটি করে নিচু।



১৩। বেলীর ঘ্রাণে মাতাল আমি-তুমি তবে কিসের মাতাল
তোমার বাস যে আকাশ মাঝে -আমি থাকি পাতাল।



১৪। কাঠগোলাপ সুবাস নেই তাতে কি-তার সৌন্দর্য্য আছে।



১৫। কাঠগোলাপ



১৬। নাম জানি না ওরে ফুল-রাগ করিস না আমার সাথে
ভালবাসি তাইতো দেখ না-দেখা করি রোজ প্রাথে
লাল টুকটুক শাড়ি পড়ে-বসে আছিস সবুজ পাতায়
তোরে নিয়ে ইচ্ছে লাগে-কাব্য লিখি মনের খাতায়।



১৭। জবার বাগে আগ লেগেছে-ধোয়া কেনো নাইরে
দৃষ্টি দিয়ে দেখলে পরে-চোখ পুড়ে হয় ছাইরে......



১৮। হলুদ শাড়ি পড়ে গোলাপ সেজে আছে রাণী
ও গোলাপ তোর রাজা কোথায় বলবি একটু খানি
রাজা ছাড়া থাকিস একা-ভয় কি লাগে না তোর
একা কি তোর বোর লাগে না-কাটাস ক্যামনে রাত ভোর।



১৯। কচমচ কচমচ



২০। হলুদ গাদার বাগান



২১। কত জাতের ফুল যে ফুটে-আহা সুন্দর ধরায়
ফুটে থাকে ছয় ঋতুতে-হোক না চৈত্রের খরায়।
ভালবাসি ফুল যে আমি-ভালবাসি সবুজ পাতা
এখানটাতে যেনো আমার স্বপ্ন বিছনা পাতা।



ছবির সাথে মিলিয়ে মাত্রই লিখেছি -তাই এতে তাল মাত্রা লয় কিছুই ঠিক নাই .........

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:০২
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×