
(কত স্মৃতি ফেসবুকের পাতায় পাতায়, বছর ঘুরে যায়, ফেসবুক নিয়ে যায় অতীতে টেনে। ভালো লাগে অতীতস্মৃতি রোমন্থণ করতে)
১। ছবির ক্যাপশনগুলোও তোমরা নিয়ে যাও নিদ্বির্ধায়-আহা আমার মনের কথাগুলো দিয়ে তোমরা বাহবা কুঁড়াও দেদারসে। ধন্যবাদ দিতেও করোনা কার্পন্য। আচ্ছা তোমাদের মনে কি কথার সুর লহরী নেই? নাকি তোমরা বোবা-তোমাদের কি কীবোর্ড নেই নাকি, আঙ্গুলটাচের এন্ড্রয়েড-তোমরা বুঝি লিখতে পারো না ?
নাকি তোমাদের ভিতরে কোন কথাই জমা নেই-তোমাদের প্রেমিক/প্রেমিকাদের উপহার দাও আমার মনের কথাগুলো কুঁড়িয়ে নিয়ে। বুক পকেটে করে নিয়ে গিয়ে উড়িয়ে দাও তাদের সামনে। আমি বিষ্ময় চোখে শুধু দেখে যাই তোমাদেরকে, মানুষ কতটা সম্মান দিয়ে মন্তব্য করে যায় মন খুলে অথচ তোমাদের মনে একটু দ্বিধাবোধ নেই, না আছে লজ্জ্বা।
যাই হোক, তোমরা তোমাদের অপকর্ম চালিয়ে যেতে পারো, বলব না আর কিছু।আমি আমার কথাগুলো ভাসিয়ে দেবোই এখানে মনের মাধূরী মিশিয়ে।

২। আচ্ছা আপারা/ভাইয়ারা-তোমরা এমন কেনো বলোতো? নিত্য নতুন শাড়ির পসরা সাজিয়ে অনলাইনে ছেড়ে দিচ্ছো। এই আপু/ভাইয়া মনিরা এত লোভ দেখাও ক্যান। এটুকু বিনয় থাকা উচিত তাই না! সময় উড়িয়ে নিয়ে গেছে শাড়ীর প্রহর। সে জানো না বুঝি! আজব! নবম আশ্চর্য্য হলাম এবার!
এখন আর দেহের ভাঁজে হয় না শাড়ি পেঁচানো, সন্তর্পনে আর টানা হয় না আঁচল। রেসের জীবন,থেমে থাকার উপায় নেই। নেই সময় নষ্ট করার মতো সময়। আহা এইতো সেদিন কতটা মুগ্ধতার প্রহর ছিলো। মাথার উপর ছিলো না ব্যস্ততার এক সমুদ্দুর ওজন। রঙ বেরঙের শাড়ি পড়ে ঘুরে বেড়িয়েছি অফিস পিকনিক কিংবা আড্ডায়। সে দিন কি আর আছে? দিন যায় যন্ত্র জীবনে তাল মিলিয়ে হয়ে গেলোম যন্ত্রমানব।
এখন হৃদয়ে নেই উচ্ছ্বাস উল্লাস কিংবা শাড়ি প্রহর। সাজগুজের জীবন সেতো পার্লারে এখন। কে যায় শুনি সময় করে সেই রঙিন অরণ্যে। সাদা কালো যুগের মানুষ রঙিন ভুবনে নেই ঠাঁই। এই সব কথা কি বলে বুঝাতে হয় শুনি! শুনো আপুমনি ভাইয়য়ারা, কোনো একদিন এমন রাগ হবে মনে... যে, তোমাদের অনলাইন শাড়ি মার্কেট পুরোটাই কিনে নিয়ে আসবো। তখন বুঝবে মজা কতো। সেদিন এক আপুকে বলেছিলাম এই আপি এত সুন্দর শাড়ি দেখিয়ে এত্তগুলা লোভ দেখান কেন গো, রেগে গেলে কী উপায় থাকবে ? সব শাড়ি সহ পুরো দোকান কিনে নিয়ে আসবো। কিন্তু আপি তুমি হাসি দিয়ে উড়িয়ে দিলে এমন সম্ভাবনা হাহাহা। ভালো ভালো আপি চালিয়ে যান,আমি আছি সাথেই।

৩। লেডিস ওয়াশরুম-অপেক্ষা! দুটো রুম ভিতর থেকে বন্ধ। ওযু করার অপেক্ষাও সাথে-পায়চারী হরদম..... কে জানতো সহসা বিব্রত মুহুর্ত চলে আসবে সম্মুখে! হাহাহাহা- খুব হাসি পাচ্ছে এখন! ভিতর থেকে বের হয়েই বেচারা ভ্যাবচ্যাকা আমার চোখে চোখ রেখে বলে অহহো এটা কি লেডিস-হুম সরি ম্যাম-আহা সেই লজ্বাবনত,বিনয়াবনত চোখ মুখ আর হাসি দেখে সব ভুলে বললাম ইটস অকে।
দে দৌঁড়-কে আর পায় তাকে হাহাহা-বাছা বড় বাঁচা বেঁচে গেলে আজ হাহাহা। সামনের দিনগুলোতে একটু সাবধানী হয়ো পুরুষ-দরজার উপরে লেডিস লেখাটা পড়তে ভুলো না যেনো !
(৩১-০১-২০১৭)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


