somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাজী ফাতেমা ছবি
ইসলামের পক্ষে কথা বললেই হালাল লেখক সাহিত্যি উপন্যাসিক এর উপাধি পাওয়া যায়

ফুল ফুল আর ফুল (ভালোবাসি ফুল)-২

০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
০১।



=চন্দ্রমল্লিকার পাপড়িতে কী মুগ্ধতা=
হে মহান রব, তোমার সৃষ্টির সৌন্দর্য এই ফুল;
তোমার দয়াতেই সে পাপড়ির ডানা মেলে, ভুল নাই এক চুল;
হে মহান প্রভু, দৃষ্টিতে দিয়েছো তোমার নূরের আলো;
তোমার সৃষ্টি এই দুনিয়া, ফুল ফল দেখি লাগে ভালো।

হে আমার করুণাময় কত রঙের ফুল সৃষ্টি করিয়াছো এই ভুবনে;
কত সুখ অনুভব কত ঘ্রাণ ছড়ানো প্রহর, কত সুখ দিয়েছো এই জীবনে
কৃতজ্ঞতায় পড়ি নুয়ে, ভালোবাসাসি তোমার সৃষ্টি
তোমার দয়াতেই আলো সমেত পেয়েছি এই দৃষ্টি।

০২। ©কাজী ফাতেমা ছবি
=কাঁটামুকুট ফুলের মত হতো যদি জীবন=
আম্মা আব্বা ভাই বোন নিয়ে ফুটা কাঁটামুকুটের মতই থাকতে চাই
ইচ্ছে করে এমন গা ঘেঁষে থাকি আপনজনদের, উপায় নাই!
জড়াজড়ি সম্পর্কগুলো দূরে চলে যায়,
সময় এসে বিচ্ছেদের বাজনা বাজায়।

ইচ্ছে হয় কাঁটামুকুট হই আমি আম্মা আব্বা ভাইবোন
চাই না এমন দুরুত্ব, যেমন হাতের মুঠোফোন
মুঠোফোনে কণ্ঠ শুনেই থাকতে হয় তুষ্ট,
আব্বাকে মনে পড়লেই বুকে বাড়ে কষ্ট।



০৩। ©কাজী ফাতেমা ছবি
=আমি সবুজ পাতা তুমি নীল অপরাজিতা=
আমি সজিবতায় মোড়া থাকি হরপল
তুমি নীলাভায় সাজো, তোমা পানে তাকালেই
অনুভব করি আমি দুর্বল;
তুমি যেন নীল অপরাজিতা, বিষ পুষো মনে
আমি সবুজের সজীবতায় মেতে থাকতে গেলেই
আতঙ্ক হয়ে আসো, আমি মরি ভয়ের শিহরণে।

তুমি যেন নীল নীল ফুল, বিষ বিষ অনুভব
মিহি কথা ছাড়া চাই না বন্ধু বিত্ত বৈভব;
চাই তুমি নীল হয়েও কথা ছড়াও গোলাপী
হও আমার সাথে মিষ্টি আলাপী।



০৪। =এক ঝাঁক হিমু ফুল=
ও চন্দ্রপ্রভা তোর নাম দিয়েছি হিমু ফুল
বুঝিস না ভুল,
গায়ে হলুদ পাঞ্জাবি জড়িয়েছিস, উফ কী সুন্দর
তোদের দেখে সুখে উচ্ছল হৃদ বন্দর।

আমি কী রূপা হবো? তাহলে হয়ে যায় সাদা চন্দ্রমল্লিকা
রূপালী পাড়া সাদা শাড়ি পরে, জ্বালাই প্রেমের শিখা;
খুব ইচ্ছে হয় চন্দ্রপ্রভা তোদের ছুঁয়ে দেই
আমি চন্দ্রমল্লিকা..... একটু সুখ শিহরণ নেই।



০৫। =মিষ্টি রঙের গোলাপ দেব=
গোলাপ বেলী গাঁদা দেব, মনটা তোমার দেবে নাকি?
গোলাপ নিয়ে হাতে বন্ধু দেবে নাতো আমায় ফাঁকি;
মনদানিতে রেখে দিয়ো, ভালোবাসার জলও দিয়ো;
তোমায় তবে ডাকবো গোলা তুমি আমার ওগো প্রিয়।

কী বাহানায় শব্দ বুনি মিথ্যে কথা কাব্য গড়ি,
তুমি নও প্রকৃতি আমার সুখে থাকার আস্ত বড়ি,
তবু কেন মন চায় তোমায় গোলাপ দিয়ে ভালোবাসি
দেখতে ইচ্ছে ঠোঁটে তোমার সুখ মুগ্ধতার আলতো হাসি।



০৬। =মন বসন্ত রঙে সেজেছে আজ=
সবুজ জামায় গাঁদা রঙ ফুল, মন যেন বসন্ত;
রঙের ছোঁয়ায় উড়াল পাখি আজ এ মনতো,
গাঁদার পাপড়ি ছুঁয়েছে মন, মনে জমা ফাগুন রঙ
মন জমিনে প্রকৃতি বসালো সুখের আড়ং।

চিরল চিরল পাতা তার, বাসন্তি রঙ ফুল;
ভীষণ সৌন্দর্য ছড়ানো এ বেলা, মনে সুখ অতুল;
না, ছিঁড়ো না ফুল, দিয়ো না গেঁথে চুলে;
দিয়ো না গাঁদা ছিঁড়ে হাতে আমার তুলে।



০৭। =তুমি তো ঘ্রাণ বুঝো না, বুঝো না মনের রঙ=
গোলাপের ঘ্রাণ তোমার মন ছুঁয় না, তোমার জন্য প্লাস্টিকের গোলাপ,
আমি যা বলি তাতেই বলো পাগলের প্রলাপ;
তুমি রঙ বুঝো, বুঝো না ঢঙ,
সেজে থাকো সারাক্ষণই এ কেমন শঙ!

তুমি সবুজ পাতা ছুঁয়ে দেখো না, অনুভবে পাথর
হও না বন্ধু আমার প্রেমে কাতর;
তোমার জন্য ঘ্রাণহীন গোলাপ এই নাও,
মন দেয়ালে এবেলা রঙীন প্রেম ব্যানার টানাও।



০৮।৷ =ঝরা পাতার গল্প অথবা ঝরা ফুল=
একদিন ঝরে যেতেই হয়, আয়ূ ফুরালে;
পাতাদের রঙ কমলা হয়, বয়সের রঙ কী তবে?
বয়স ফুরালে জরাজীর্ণ মুখোচ্ছবি আর
পাতারা নেয় রঙবাহারী রূপ!

একদিন ঝরা পাতার হয় অবসান
ধুলোয় মিশে অথবা পথিকের পায়ের তলায় হয় চিড়েচেপ্টা
আর মানুষের আয়ূ ফুরালে দেহে তার পোকামাকড়ের ঘরবসতি
এই জীবন ফুরোবে...... বয়সের রঙ কী তবে বাসন্তি?
জীবনের রঙ কী লাল নাকি কমলা।



০৯। =বিন্দু বিন্দু স্নিগ্ধতা=
ভালো লাগে পাতার উপর জলবিন্দু,
ছুঁয়ে দিলেই মনে সুখ সাত সিন্ধু,
সবুজে রাখলে চোখ, আহা চোখ ফিরে পায় জ্যোতি,
পাতায় ছড়িয়ে থাকলে জলবিন্দু, জেগে উঠে নরম অনুভূতি।

অনুভবে সুখ জলবিন্দু তুললেই আঙ্গুলের ডগায়,
শান্তির শিহরণ জাগে সারা গায়,
বিন্দু বিন্দু সুখ তুলে রাখি
মনে জলবিন্দুর ছবি আঁকি।



১০।৷ =একটি ঘ্রাণ মাখানো প্রহর তোমায় দিলাম=
মন করে নাও বিস্তির্ণ, আকাশের মতন
কিছু প্রেম পুষো বুক পিঞ্জরে যতন
আমি তোমায় একটি ঘ্রাণ মাখানো প্রহর দেবো,
দেবো বেলীর শুভ্রতা, মনে মাখিয়ো,
একদিন আধবেলা আমার কথা ভেবো।

মনটা করে নিয়ো
ও প্রিয়
সবুজ যেমন, সজীব ফুরফুরে;
থেকো না এবেলা দূরে।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:৩৬
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একলা আমি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

সব মানুষের ভিতর একটা একলা 'আমি' থাকে। যে আমি হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের একাকিত্বকে আগলে রাখে। সেখানে একটা 'তুমি'ও থাকে। যে তুমি, চিরবিরহের। যে তুমি অনেক দূরের, যাকে চোখ দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×