somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিগারেট মানুষ খায় দুঃখে - আমার দুঃখ কি?

১৫ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফিরে আসছি অফিসে - উত্তরা থেকে । হাতে পয়সা যা ছিল - চা পানি আর সিগারেটের পেছনে চলে গিয়েছে - আছে শুধু মাত্র 20 টাকা! অফিস সেই এসকাটন গার্ডেন রোডে । ভাবছি কিভাবে যাবো - হঠাৎ মাথায় এলো কেন না ভোলভো তে চড়ে যাই?

অসম্ভব গরম - টিকিট কেটে পাশের চায়ের দোকানে বসে শেষ 8 টাকা দিয়ে নিজেকে মারবার জন্য ওষুধ কিনলাম। জখন জালাচ্ছি তখন খেয়াল করে দেখলাম দোকানের মহাজন একটা বাচ্চা ছেলে - বড়জোর 12 কি 13 বছর হবে। দেখে একটু খারাপ লাগলো -এক সময় ইচ্ছে ছিল - কোনো এন জি ও খুলবো, এবং এধরনের ছেলেদের কিছু গতি করবার। সময়, কিংবা টাকা - কোনোটাই হয়ে ওঠেনি করবার মত -এরকম যান্ত্রিক জীবনে কি বা করার আছে? আমি একদিন পিছিয়ে গেলে আরেকজন কাজ নিয়ে যাবে - আর কারই বা টাকার দরকার নেই জীবনে? তবু এদের দেখলে হঠাৎ না পারার কষ্ট জেগে ওঠে নিজের মাঝে - এর সাথে আরো অনেক - তবু এটাই মুখ্য। হয়তো এ কারনেই জখনই সময় পাই, কথা বলি। ওনেক টা এসব কারনেই শুরু করলাম কথা -

তারপর ভাইয়া, তুমি কি পড়াশুনা করছ?

নাহ রে ভাই - যখন আমারে ডাকসিল তখন কোইসিল খালি দুপুর টাইম দেখতে হৈব দোকান - এখন তো আমি থাকি সারা সময়!

হমম.. কেন মহাজন আসে না?

হো আহে - সকালে একবার আহে তারপর খাইতে যায়। দুপুরে একবার আহে আবার যায়গা - গিয়া ঘুমায় - তারপর সন্ধ্যাতে আবার আসে হিসাব নিয়া যায়গা!

তাইলে তো পুরা সময় তুমি দেখো!

হো রে ভাই আর কি কৈতাচি এতোখন ধোইরা?

তা সিগারেট খাওয়া পরে নাকি?

ধুর মিয়া কি যে কন - সিগারেট মানুষ খায় দুঃখে - আমার দুঃখ কি?





বলার সময় তার মুখে বেশ একটা বেহেসতী হাসি ছিল।

আমি সিগারেট ফেলে দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বালুর নিচে সাম্রাজ্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১


(ডার্ক থ্রিলার | কারুনের আধুনিক রূপক)

ঢাকার রাত কখনো পুরোপুরি ঘুমায় না।
কাঁচের অট্টালিকাগুলো আলো জ্বেলে রাখে—যেন শহর নিজেই নিজের পাপ লুকাতে চায়।

এই আলোর কেন্দ্রেই দাঁড়িয়ে ছিল করিম গ্লোবাল টাওয়ার
আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্ঞানহীন পাণ্ডিত্য

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০


এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে স্বদেশ,
যে কিছু জানে না; সে-ই দেয় উপদেশ।
“এই করো, সেই করো;” দেখায় সে দিক-
অন্যের জানায় ভ্রান্তি, তারটাই ঠিক।
কণ্ঠে এমনই জোর, যে কিছুটা জানে-
সব ভুলে সে-ও তার কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্র হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মত এবং শরিয়া আইন হলো সকল পক্ষের সম্মতি বিশিষ্ট ইসলামী হুকুমতের আইন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৯



সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে:... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কেমন হবে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



সামনের গণভোট ঘিরে অনেক অপপ্রচার চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাঁচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কি রকম হবে? নির্বাচন কমিশনের ওয়েসবাইট থেকে জানতে পারা গিয়েছে যে, গণভোটের ব্যালটটি উপরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহতারাম গোলাম আযমই প্রথম We Revolt বলেছিলেন !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৮


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’। দলটির দাবি, অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সংগৃহীত ৩৭ লাখের বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×