পৃথিবীতে ভুমিষ্ট হওয়ার পর থেকেই কিশোরী মা কে নাকি অনেক জালিয়েছিলাম কোন খাবারই মুখে নিচ্ছিলাম না মা ড্রপারে করে মুখে দুধ তুলে দিয়ে খাওয়াতেন সারারাত সজাগ থকতাম তাই আমার কিশোরী মাকে ও সজাগ থাকতে হতো এতে করে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। মা কে পীড়া দেওয়ার এই ব্যপারটা আমার ৫ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী ছিলো তাই ফেইসবুকের অনেক আত্মীয় স্বজনের কাছে আমি একটি জীবন্ত কিংবদন্তী তাই আমার মেয়েও যখন খাওয়া এবং ঘুম নিয়ে বিরক্ত করে মা মুচকি হেসে বলেন প্রকৃতি তোকে ক্ষমা করেনি আমাকে যেমন জ্বালিয়েছিস তোর মেয়েও তাই করছে!!!!!আমার এই মা আমার প্রতি অনেক দুর্বল তাই যখন প্রেমে পড়লাম মা কেই একদিন গুলশান লেডিস পার্কে হাটতে গিয়ে বললাম মা আমি তো প্রেমে পরছি!!!! মা প্রতুত্ত্যরে বললেন হারামজাদা কি কস ??? আমি বললাম মা মেয়ে তো পুরান ঢাকার !!!!! মা বললেন ওই তুই এতো সেয়ানা ক্যামনে হইলি পুরান ঢাকায় গিয়ে প্রেম করোস তোরে তো মনে করছিলাম ভোদাই তুই তো দেখি মিনমিনা শয়তান খবরদার এই কথা যেন তোর বাবার কানে না যায়!!!!! দিন যায় আমার প্রেমের পারদের মাত্রা উপরেই উঠতে থাকে ঘরে হেভি মেটাল আর হার্ড রকের বদলে কবিগুরুর সহেনা যাতনা নতুবা বধু কোন আলো লাগলো চোখে, আমি তোমার প্রেমে হব সাড়া এই সকল অসাধারন গান দিনরাত বাজতে থাকে আমার গেম থিয়োরিস্ট বাবা সকালে নাস্তার টেবিলে বসে দার্শনিক হয়ে যান আমাকে বলেন জয় তোমার আচরন সন্দেহজনক বি ফ্র্যাঙ্ক উইথ মি ডোন্ট ট্রাই টু বি এন স্মার্ট অ্যাস তুমি কি আজাকাল নেশা ফেশা করো নাকি তোমার আচরনে এতো ড্রাস্টিক চেইঞ্জ দেখছি সামথিং ওয়েণ্ট রং আমার সাথে চালাকি করবানা আমি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকি মা বলেন যা এমবি এর ক্লাসে যা!!!! কোন কিছুই চাপা থাকেনা পৃথিবীতে আর প্রেম বিষয়ক ব্যাপার স্যাপার দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে তাই পরিবারের সবার কানেই আমার লাইলি মজনু প্রেম কাহিনী পৌঁছে যায়। আমার দাদা বাড়িতে এই নিয়ে বিশাল বৈঠকের আয়োজন করা হয় এবং বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন আমার মেজ চাচা কেতাদুরস্ত কূটনীতিবিদ প্রাত্তন অ্যাম্বাসেডর মহিউদ্দিন সাহেব। তো বৈঠকে জাতিসংঘের অধিবেশনের মতোই ইংরেজিতে কথা বার্তা হয় যার শানেনজুল হচ্ছে আমি পরিবারের মান সম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছি একটা প্রেম করে!!! কারন আমার মতো ছেলে প্রেম করবে ওনারা ভাবতেই পারেননি বরং ওনাদের পছন্দ করা পেডিগ্রী সার্টিফিকেটধারী হানি টাইপ মেয়েকে বিয়ে করবো এটাই তাদের বদ্ধমূল ধারনা ছিলো আর বৈঠকের মাঝাখানে মেকাইভ্যালিয়ান পলিটিক্যাল সেজ চাচ্চু লাফ দিয়ে বলে উঠলেন তোর কারনে আমি আর সংসদ নির্বাচনে পাশ করতে পারবোনা আমি প্রত্যুত্তরে বললাম তবে তাই হোক। আমি অভিমান করে বেড় হয়ে আসলাম রাগে অপমানে সমস্ত শরীর কাঁপছিল প্রচণ্ড রোদে বাগানে বসে কাঁদছিলাম হটাত দেখি আমারে ঘাড়ে হাত রেখে মা দাড়িয়ে আছেন আর স্মিত হেসে আমাকে বললেন কোন চিন্তা করিস না সব ঠিক হয়ে যাবে আমি আছি না বোকা আর তোর উপর আমার আস্থা আছে।শেষ পর্যন্ত আমার মায়ের একক প্রচেষ্টাতেই আমার বিয়ে হয় এতে আমার বাবার দিকের আত্মীয় স্বজনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন ছিলোনা অনেকটা সামাজিকতা রক্ষা করতেই ওনারা এসেছিলেন বিয়েতে আর আমার মহিয়সী মা আমার স্ত্রীর বিয়ের শাড়ী পর্যন্ত নিজের হাতে এম্ব্রডায়রি করেছিলেন আমার প্রতি উনার আকুণ্ঠ ভালোবাসা থেকেই। তাই আমার মা আমার কাছে দেবীর সমতুল্য আর আমার মা ই আমার ঈশ্বর .........মা তুমি ভালো থাকো আজীবন !
একটি সফল প্রেমের গপ্পো.....................সাব্বির আহমেদ জয়
=কিছু তৃপ্তি দেরীতেও আসে না=
জানুয়ারী শেষের পথে। নতুন বাড়ীতে একমাস হয়ে গেল। এখনো গুছানো হয়নি। প্রতিদিনের নিয়ম কানুন অনেকটা পাল্টে গেছে। সকালে অফিসে আসার সময় এত তাড়াহুড়া বাপরে বাপ। রেডি হয়েও কাজ করি। ঘর... ...বাকিটুকু পড়ুন
বুঝে বলুন, হুজুর!
শরীয়া আইন প্রয়োগ করতে শরীয়া আইন জানা বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী আর প্রশাসন দরকার। বাংলাদেশে শরীয়তী এতো সরকারী মানুষ কি আছে? আর, শরিয়া প্রয়োগ করার জন্যে যদি একটি রাষ্ট্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রিয় প্রফেসর ইউনুস সাহেবের নিকট খোলা চিঠি ( কাল্পনিক)

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা,
অন্তর্বর্তী সরকার,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
বিষয়: পে কমিশন বাস্তবায়ন ও সামষ্টিক অর্থনীতি পুনর্গঠনে একটি বিকল্প সামাজিক প্রস্তাব।
আসসালামু আলাইকুম। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আপনার শাসন আমল কেবল আইয়ুব খানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রলয়ংকরী সুনামি এবং প্রপাগান্ডা: সাধারণ মানুষ হয়ে উঠেছে উগ্র ইসলামপন্থি শক্তির হাতিয়ার

"আমাকে গুম করেছিল হিটলার, গোরিং বা গোয়েবলস নয়। করেছিল সাধারণ মানুষই। প্রতিবেশী মুদি দোকানদার, দারোয়ান, ডাকপিয়ন, দুধওয়ালারাই এই কাজ করেছিল। তারা মিলিটারির পোশাক পরল, হাতে অস্ত্র নিল - আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
জনতার “হ্যাঁ”, দালালের “না”
যতই বলুন “হ্যাঁ”,
চাঁদাবাজরা শুনবে না;
তাদের প্রিয় “না”—
অভ্যাস তো বদলাবে না।
যতই বোঝান “হ্যাঁ”,
বুঝতে তারা চাইবে না;
অনিয়ম আর দুর্নীতি
ছাড়তে তো রাজি না।
বলছে সবাই “হ্যাঁ”,
তবু তাদের “না”;
লুট-সন্ত্রাস না থাকলে তো
তাদের জীবন চলেনা ।
গণভোটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।