ঘুম থেকে জেগেই মনে একটু আনন্দ সাথে সাথেই মনে পরল চলে যাওয়া মনের মানুষের কথা আর মুহুরতের মধ্যেই পিছন থেকে অন্ধকার ভির করতে শুরু করল...
মাথাটা একটু ঝারা দিয়ে বিছানা ছেরে নিচের রুম এ আসতেই মিষ্টি ঘ্রাণ...
মসজিদ একটু দূরে তাই গাড়ি দিয়ে যেতে হবে,আর আমার পা থাকতেও নাই,দূরে কোথাও যেতে হলে আংকল অথবা অ্যান্ট গাড়ি করে নিয়ে যান,আর গত বছর যে মসজিদ এ যাওয়া হয়েছিল এ বছর আবার অন্য একটি মসজিদ এ যাওয়া হবে শুনলাম আর আংকল যেখানে নিয়ে যাবেন সেখানেই যেতে হবে...
আংকল রাতেও কাজ করেন ফিরে আসেন খুব সকাল বেলায়,তাই তিনি বাসায় ফিরে আবার যাবেন কিনা একটু ভাবনায় পরে গেলাম।
হাত মুখ ধুয়ে আবার শুয়ে পরলাম...
অ্যান্ট ২০-৩০মিনিট পরে জিজ্ঞেশ করল আমি যাবো কিনা ঈদের নামাজ পরতে তখন প্রায় সকাল ৯;১০ আমি বললাম দেরি হয়ে যাবেনা ?
না হবেনা খবর জেনেই তোমাকে জিজ্ঞেস করতেছি।
আচ্ছা আমি তৈরি হচ্ছি।
আমি তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে ২দিন আগে জামা কাপড় কিনেছিলাম কিন্তু ঈদের উদ্দেশ্য মনে করে ক্রয় করিনি।
কিনেছিলাম একটি জায়গায় ভ্রমণ করতে গিয়ে সেখান থেকে ফেরার পথে।
গতকাল মনে হয়েছিল ঈদ এর জামার কথা তখন গত পরশু যেগুলো কিনেছি সেই গুলোতেই ঈদ এর জামা হয়ে যাবে ভাবলাম।যাই হউক হয়ত ভাগ্যগুণে/দোষে ঈদ এর জামা হয়ে গেলো।
আমি দেশের বাইরে আসার পড়ে কখনো ঈদ এর জন্য বিশেষভাবে জামা নেইনি সেটা কেন আমি নিজেও জানিনা।
হয়ত এখানে ঈদ এর আনন্দ নিজের মত না,
আর কেন যেন এমন খুশির একটি দিনে একা থাকতে ইচ্ছা হয়।
কি বলতে চেয়ে কি বলা শুরু করেছি।
নামাজ এ যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে রওনা দিলাম,নতুন জায়গায় যাবো নামাজ আদায় করতে।
Uncle কোথায় যাবেন যায়গা জানা আছে গিয়েছিলেন আগে?
না তোমার Aunt এর পরিচিত বাংলাদেশী আছেন তাদের সাথে ফোন এ যোগাযোগ করে যায়গা জিজ্ঞেস করে যাবো।
ও আচ্ছা।
হয়ত কাছাকাছি হবে সেখানে গিয়ে Uncle কল দিলেন কিন্তু কিছুতেই চিনতে পারলেন না।তার কারন যারা যায়গা বলে দেবে তারা নিজেরাও ঠিকানা জানেনা,তাদের বাড়ি থেকে ৫ মিনিট দূরে বলে তারা চিনত কিন্তু সেই জায়গার ঠিকানা জানতেন না,তাই আমাদের ও ঠিকানা বলতে পারলনা,আশে পাশে কাউকে জিজ্ঞেশ করলেও বলতে পারতেছেনা তার কারন সেই মসজিদ টা নতুন ছিল আর সেটি একটি সাধারণ বাড়ি ঘর যেমন ঠিক তেমন একটি ঘর ছিল,তাই তেমন কেউ জানতোনা,আর এই বেস্ত দেশে পাশের ঘরে কে থাকে তারই কোন খবর রাখেনা কেউ।
অবশেষে ১০;১০ বেজে গেলো আর নামাজ আদায় করা হলনা।
আরও প্রায় ২০ মিনিট খুজে না পেয়ে ফিরে এলাম বাসায়।
বাসায় ফিরে একটু সেমাই খেয়ে বিরিয়ানি খেয়ে কম্পিউটার এর সামনে বসলাম,ফেসবুক চেক করলাম সেখানে কিছুক্ষন সময় দিতে দিতে মনে পরল আবার সেই তার কথা যে কিনা চলে গেছে আমায় ছেরে।
তার কথা মনে পরলেই মাথার ২পাশের চুল গুলু খুব চুলকায় আর ২টি হাত দিয়েই জুড়ে জুড়ে চুলকাতে থাকি মাথা ঝারতে থাকি।
তারপর ভাবলাম মুভি দেখি একটি Animation Movie দেখলাম "Eve no Jikan" জাপানিজ মুভি,ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রোবট কেমন হবে আর তখন মানুষের মাঝে কি রকম পরিবর্তন আসতে পারে সেই বিষয় বলেই আমার কাছে মনে হল,
আসলে মুভি দেখে এক এক জন এক এক রকম অনুভুতি অনুভব করে হয়ত,
তাই আমি আমার অনুভুতিটা বললাম।
মুভি দেখার পর একটু ঘুম দিতেছিলাম,হঠাত Aunt এসে বললেন তারা একটু বাইরে যাচ্ছেন খাবার তৈরি করা আছে যা মনে চায় খেয়ে নিও,আসতে একটু দেরি হতে পারে। আমি আচ্ছা বলে নিচের রুম এ এসে দুপুরের খাবার বিকেলে খেয়ে নিলাম।
কম্পিউটার নিচের রুম এ এনে টিভিকে মনিটর হিসেবে ব্যবহার করে আরও একটি মুভি দেখতে শুরু করলাম,মুভি বাফারিং হতে থাকল আর একদিকে খবরের কাগজ আর অন্যান্যদের ব্লগ পরলাম কিছুক্ষন,
এবারও একটি জাপানিজ মুভি দেখলাম "Outrage" এই মুভিটা ইয়াকুজা/মাফিয়াদের নিয়ে।
মাঝে মাঝে বাফারিং সমস্যার কারনে টিভি অনুষ্ঠান ও দেখলাম,
এভাবে রাত প্রায় ৮টা বেজে গেলো Uncle,Aunt আসতে আরও প্রায় ৩০মিনিট লাগলো।
আমি উপরে আমার রুম এ এসে কম্পিউটার রেখে হাত মুখ ধুয়ে আবার নিজের রুম এ এসে কম্পিউটার এর সামনে বসতেই আবার তার কথা মনে হলো,তার নাম "বকুল"অবশ্যই সত্যি নাম না।
যখন বকুল এর সাথে প্রথম প্রথম পরিচয় তখন সে একটি গান প্রায় করত খুব ভালো লাগত...কেন যেন সেই গানটি মনে পরল আর তার কথা গুলো মনে পরতেছিল।সেই সময় যদিও গভির ভাবে ভাবতাম না গান এর মানে/অর্থ নিয়ে তবে বুঝতে পারতাম বকুল এর মন কি চাইতেছে...
কেন যেন খুব কষ্ট হচ্ছে...যদিও আজ খুশির দিন।
চিরদিন জানিনা পারবকিনা তবে এইক্ষণটিতে
তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

