somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারী বিপননঃ নারীরাই সফল উদ্যোগতা।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশ্বায়নের এই যুগে নারীরা পা গুটিয়ে বসে থাকবে তা তো হতে পারে না। তাদের তো বিশ্বায়নের সাথে সাথেই বিশ্বায়িত হতে হবে। কিন্তু বিশ্বায়িত হতে গিয়ে নারীর বিশেষ বিশেষণটার বিশেষ কিছু বাকি আছে বলে আমি মনেকরি না। খোলামেলা বলতে গেলে নারী তার নারীত্ব হারিয়ে ফেলেছে। অন্যভাবে বা অনন্যভাবে বললেঃ নারীরা আজ বাজারের প্রতিযোগিতামূলক বিনামূল্যর পণ্য। যেটার সফল বাজারজাতকরণ করছে নারীরা।

নারীরা আজ তাদের লজ্জা বিকিয়ে দিয়ে বিশ্বায়িত হচ্ছে,যা একটা মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আজ নারীদের বিচরণ সব জায়গায় হাট-বাজার,অফিস আদালত,আন্দোলন,মিছিল,মারামারি..........সব জায়গায় নারীদের পদচারনা। আমি সবখানে তাদের পদচারনা চাই। কিন্তু শালীনভাবে।

নারীরা না কি তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সদা জাগ্রত? অনেক সময় তাদের মানব বন্ধন,সেমিনার,টকশো করতে দেখি। খুবই অবাক হয়ে সেই মানব বন্ধনরত নারীদের ভাচুয়ালি প্রশ্ন করি- আপনারা কিসের অধিকার চান? আপনারা তো নিজেরাই নিজেদের দিন দিন অবহেলিত জাতিতে পরিণত করছেন, নিজেদের পরিণত করছেন ভোগ্য পণ্যে। আপনারা তো নিজেরাই নিজেদের বিকিয়ে দিচ্ছেন পুরুষ পণ্য হিসেবে। কেন আপনাদের কাছে লজ্জা এত মূল্যহীন? কেন আজ আপনারা পুরুষদের সমান অদিকার চাচ্ছেন? কেন আপনাদের ইজ্জতকে আপনারা নর্দমার ড্রেনে বা ডাস্টবিনে অবলীলায় ফেলে দিচ্ছেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠিত বা কায়েম করা কিছু অধিকার তুলে না ধরার লোভ সামলাতে পারলাম না।

টিভির এমন কোন বিজ্জাপন পাওয়া যাবে না যেখানে সুন্দর চেহারার অর্ধ উলঙ্গ মেয়ে নেই। বিজ্ঞাপন দেখে মনে হয় আসল পণ্য ঐ বিজ্ঞাপনি মেয়েটি। কেন টাকার বিনিময়ে আপনারা আপনাদের ইজ্জত বিক্রি করছেন? আপনাদের পোশাক এত পাতলা যে আপনাদের মহামূল্যবান সম্পদের যে কেউ সহজে হিসাব-নিকাস কসতে পারে,কবির দৃষ্টিতে তাকানোর কোন প্রয়োজন পরে না। কেন নামে মাত্র একটি ওড়না গলায় প্যাঁচীয়ে রাখেন? অনেকেই ওড়না ঝুলালেও আকর্ষণীয় করার খাতিরে বুকের অগ্রভাগ দেখাতে সদা প্রস্তুত। হাল্কাময় পাতলা জামা না পড়লে আপনাদের আধুনিক বলা মুস্কিল যা আপনাদের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলোর ভুমিকা ছাড়াই বর্ণনা দিতে সক্ষম। এমন হাল্কা ও পাতলা কামিজ পরেন যে বহির্বাসের পিনের সংখ্যা বুঝতে কারো কষ্ট হয় না।

শপিং মলে আজকাল বেশির ভাগ ছেলেরা যায় কোন জড় পণ্য কিনতে না আপনাদের মত জীবিত পণ্য উপভোগ করার জন্য আর আপনারাও যান আপনাদের উপভোগ করাতে। আজ ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার কারণ আপনাদের বেহায়াপনা যেমন দায়ী তেমনি কিছু বেজন্মা পুরুষও। উপযুক্ত আইনের প্রয়োগ না থাকার কারণে, আজ আপনারা চলন্ত বাসে ও থানায় ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। এমন কোন নজির দেখাতে পারবেন না যে শালিন পোশাক পরিহিতা কোন মেয়ের ধর্ষণ হয়েছে।

তাই আমার দৃষ্টিতে নারীরা আজ ভোগ্য পণ্য যা কোন দামে বিক্রি হয় না, এবং যার বাজারজাতকরন করছে নারীরা। নোংরা পোশাক ছেড়ে দিয়ে শালীন পোশাক পরেন সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের সম্মান পাবেন। শালীন পোশাক পরে মানব বন্ধন থেকে শুরু করে চাকুরী-বাকুরি,অফিস-আদালত,মিছিল-মিটিং,হাট-বাজার যান,সমাজ টা বদলে যাবে। বুঝতে চেষ্টা করুন কোনটা আপনাদের আসল অধিকার। আপনারা আগে নিজেদের অঙ্গগুলোর অধিকার নিশ্চিত করুণ। এটাই প্রত্যেক মানুষের আসল অধিকার। নগ্ন পোশাক পরে আসল অধিকার কোন দিন নিশ্চিত হবে না। যে ডালটা কাটবেন সেই ডালে বসলে তো পরে যাবেন। বোকামি ছেড়ে দিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×