লালমনিরহাট থেকে রংপুর যাচ্ছি লোকাল ট্রেনে। কিছুদূর যাবার পর পরবর্তী স্টেশনে এক ‘ট্রেন কন্যা’ উঠলেন। কি ডাগর ডাগর চোখ, কি তার ভ্রু, কি তার চাহুনি, কি তার চেহারা সব মিলিয়ে এক সম্ভব সুন্দরী। যাকে কোকা কোলার ২০০ml কাচের বোতলের সাথে তুলনা করা যায়।
তার দিকে তাকাই যখনই ফুসরত পাই। হঠাৎ তার ঘুমিয়ে পরা আমাকে মনভরে দেখার সুযোগ এনে দেয়। কতবার যে তাকিয়েছি হিসেব নেই। মনে মনে ভাবছিলাম আজ যেন যাত্রায় অনেক বিলম্ব হয়, কিন্তু নাহ তেমনটা হয়নি সেদিন। কিছুদূর পরেই নেমে পরলেন ‘ট্রেন কন্যা’। মনে হচ্ছিল ভিতরটায় দুমরে-মুষড়ে কি যে একটা আলোড়ন তুলল। এত বেশি কষ্ট এত কম সময়ে কেউ পেয়েছেন কি না জানি না।
‘ট্রেন কন্যা’ একটা ব্যাগ হাতে নিয়ে পরন্ত বিকেলে একা একা হেঁটে যাচ্ছে বিকেলের শেষ বেলায়, মনে হচ্ছিল দিন-রাত্রির মিলন ক্ষণে তার বাস। আজও সে তার মেঠো বাড়ীতে পৌঁছেছে কিনা জানি না। আজও তার ঠোঁটের কিনারে লেগে থাকা হাঁসিটা চোখের সামনে চাক্ষুস, আজও তার ঘুমমাখা মলিন মুখটা পিড়া দেয়। আজও খুজি তোমায় হর্নে হয়ে। কিন্তু অনেকটা বছর, প্রায় এক যুগ।
কিন্তু তারপরও কেন খুজি তোমায়। এটাই কি আসল ভালবাসা, এটাই কি পিরিতের আগুন, এটাই কি মোমের আগুনে তিলে তিলে পুরে মরা পোকা-মাকড়ের মত। এটাই কি আশেকে-মশেকে প্রেম। এটাই কি দুমুঠো শুন্যতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


