somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

@ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(৬)

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগের পর্ব পড়ুন । অন্যদিকে জাগতিক উন্নয়ণ সাধন করে যদি কেউ নতুন কোন কিছু আবিস্কার করে, তাহলে এককভাবে সে তা ভোগ করতে পারে না, আর কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমন বোকামীসুলভ চিন্তাও কখনো করে না; বরং সে তার সর্বাধিক প্রচার ও প্রসারই কামনা করে, কারণ এর থেকে সে প্রচুর বৈষয়িক উন্নতি আশা করে থাকে। তাই মুসলিম-অমুসলিম যে-ই যা কিছু আবিস্কার করেছে, কেউই সেসবকে নিজেদের কুক্ষীগত করে রাখেনি।

হাঁ, এমন অনেক বিষয়াদি রয়েছে যেগুলো কেউ অর্জন করলে অন্যকে দিতে চায় না সহজেই। কারণ, প্রতিপক্ষ সেসব পেয়ে গেলে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্যে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। যেমন, অন্য সকলকে দমিয়ে একচ্ছত্র শক্তিমান নেতৃত্ব দানের প্রয়াসে পারমাণবিক মারণাস্ত্র তৈরীর কৌশল ও এ জাতীয় অন্যান্য গবেষণালব্ধ তথ্যাবলী; তথাপিও এসবের গোপন কেনাবেচা কিন্তু বন্ধ নেই কোনভাবেই। আর এখানে এসেই প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় মুসলিমদেরও বিজ্ঞান ও জাগতিক উন্নয়ণে অগ্রণী ভূমিকা রাখার। একথা সত্য যে, আজ অমুসলিমগণ জাগতিক উন্নয়ণে, আবিস্কারে, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ও কৌশলে যতটা অগ্রগামী, মুসলিম জাতি সেসবে অনেক পিছিয়ে, তবে অনেক অগ্রযাত্রার শুরু যে একসময় মুসলমানদেরই হাতে ঘটেছিল, তা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। আর মুসলিম জাতির বর্তমান পিছিয়ে পড়াটাও অমুসলিম কূটকৌশলীদের দীর্ঘমেয়াদী সুগভীর ষড়যন্ত্রের ফলাফল, যার জালে জানা-অজানায় আটকা পড়ে আছে আজো অধিকাংশ মুসলমান।

মোটের উপর, জাগতিক উন্নয়ণে মুসলিমগণ বর্তমান পৃথিবীতে খুব বেশী গর্ব ও শক্তি সঞ্চয় করতে না পারলেও সুযোগ-সুবিধা থেকে যে বঞ্চিত, তা নয়। কিন্তু এ মুসলিম জাতি যদি নিজেরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিস্কর্তা হতে পারতো, তাহলে তাদের জাগতিকতায় যেমন সাফল্য ও দুনিয়ায় আগমনের দায়িত্ব পালন সহজসাধ্য হতো, তেমনি তাদের অর্জিত সুযোগ সুবিধা ভোগ করার কারণে বিশ্ববাসীর নিকটও তারা নন্দিত হতো, যেমনটি হচ্ছে এখন অমুসলিমরা।

এখানে বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে, মুসলমানদের এই শ্রমার্জিত উন্নতি ও অবনতিতে কিন্তু ইসলামের বিধি-বিধানে কোনরূপ কমবেশী বা পরিবর্তন সূচিত হচ্ছে না এবং হবার সম্ভাবনাও নেই; বরং আল-কুরআন ও আল-হাদীস নিয়ে ইসলাম এবং তার বিধানাবলী যেমনটি ছিল ঠিক তেমনি স্বকীয়তায়, সমুজ্জ্বলতায় অম্লান রয়েছে এবং থাকবে। শুধু ফিক্হশাস্ত্রে এবং অন্যান্য মৌলিক বিষয়াদিতে গবেষণামূলক উন্নয়ণ হয়েছে এবং হবেও, কেননা, জগতে নিয়তই নতুন নতুন বিষয় ও জিনিসের আগমন ঘটছে, তাই সেসবের বিধান দিতে গেলে ইসলামী গবেষণার পরিধি এবং বিধিও বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মৌলিকতায় এক চুলও বৃদ্ধি বা ঘাটতির কোনই সম্ভাবনা নেই এবং তা কেয়ামত পর্যন্তই অপরিবর্তনীয় অটুট থাকবে ইনশাআল্লাহ্।

আরেকটি ব্যাপার লক্ষ্যণীয় যে, কোন আবিস্কারের পূর্বে কেউই তার জীবন বিধানের অনুমতি নিয়ে তা করেনি; বরং পৃথিবীতে কি কি নতুন জিনিসটির আগমন অথবা আবিস্কার ঘটবে, তা স্রষ্টার বৃহত্তর বিধানেরই অন্তভর্ুক্ত। কেননা, স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টির সার্বিক উত্থান-পতনকে সৃষ্টিরও বহু পূর্বে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন, তাঁর নিকট অতীত-ভবিষ্যত বলে কিছু নেই; সবটাই বর্তমান। আর তাই স্রষ্টার বিধানও সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিতে সর্বদাই সক্ষম; এই সক্ষমতা ইসলামের সত্যতা ও সর্বাধুনিক হওয়ার একটা বিরাট প্রমাণ।
(মন্তব্য কিন্তু হিসেব করে--; এখনো শেষ হয়নি)অন্যদিকে জাগতিক উন্নয়ণ সাধন করে যদি কেউ নতুন কোন কিছু আবিস্কার করে, তাহলে এককভাবে সে তা ভোগ করতে পারে না, আর কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এমন বোকামীসুলভ চিন্তাও কখনো করে না; বরং সে তার সর্বাধিক প্রচার ও প্রসারই কামনা করে, কারণ এর থেকে সে প্রচুর বৈষয়িক উন্নতি আশা করে থাকে। তাই মুসলিম-অমুসলিম যে-ই যা কিছু আবিস্কার করেছে, কেউই সেসবকে নিজেদের কুক্ষীগত করে রাখেনি।

হাঁ, এমন অনেক বিষয়াদি রয়েছে যেগুলো কেউ অর্জন করলে অন্যকে দিতে চায় না সহজেই। কারণ, প্রতিপক্ষ সেসব পেয়ে গেলে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্যে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। যেমন, অন্য সকলকে দমিয়ে একচ্ছত্র শক্তিমান নেতৃত্ব দানের প্রয়াসে পারমাণবিক মারণাস্ত্র তৈরীর কৌশল ও এ জাতীয় অন্যান্য গবেষণালব্ধ তথ্যাবলী; তথাপিও এসবের গোপন কেনাবেচা কিন্তু বন্ধ নেই কোনভাবেই। আর এখানে এসেই প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় মুসলিমদেরও বিজ্ঞান ও জাগতিক উন্নয়ণে অগ্রণী ভূমিকা রাখার। একথা সত্য যে, আজ অমুসলিমগণ জাগতিক উন্নয়ণে, আবিস্কারে, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ও কৌশলে যতটা অগ্রগামী, মুসলিম জাতি সেসবে অনেক পিছিয়ে, তবে অনেক অগ্রযাত্রার শুরু যে একসময় মুসলমানদেরই হাতে ঘটেছিল, তা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। আর মুসলিম জাতির বর্তমান পিছিয়ে পড়াটাও অমুসলিম কূটকৌশলীদের দীর্ঘমেয়াদী সুগভীর ষড়যন্ত্রের ফলাফল, যার জালে জানা-অজানায় আটকা পড়ে আছে আজো অধিকাংশ মুসলমান।

মোটের উপর, জাগতিক উন্নয়ণে মুসলিমগণ বর্তমান পৃথিবীতে খুব বেশী গর্ব ও শক্তি সঞ্চয় করতে না পারলেও সুযোগ-সুবিধা থেকে যে বঞ্চিত, তা নয়। কিন্তু এ মুসলিম জাতি যদি নিজেরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিস্কর্তা হতে পারতো, তাহলে তাদের জাগতিকতায় যেমন সাফল্য ও দুনিয়ায় আগমনের দায়িত্ব পালন সহজসাধ্য হতো, তেমনি তাদের অর্জিত সুযোগ সুবিধা ভোগ করার কারণে বিশ্ববাসীর নিকটও তারা নন্দিত হতো, যেমনটি হচ্ছে এখন অমুসলিমরা।

এখানে বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে, মুসলমানদের এই শ্রমার্জিত উন্নতি ও অবনতিতে কিন্তু ইসলামের বিধি-বিধানে কোনরূপ কমবেশী বা পরিবর্তন সূচিত হচ্ছে না এবং হবার সম্ভাবনাও নেই; বরং আল-কুরআন ও আল-হাদীস নিয়ে ইসলাম এবং তার বিধানাবলী যেমনটি ছিল ঠিক তেমনি স্বকীয়তায়, সমুজ্জ্বলতায় অম্লান রয়েছে এবং থাকবে। শুধু ফিক্হশাস্ত্রে এবং অন্যান্য মৌলিক বিষয়াদিতে গবেষণামূলক উন্নয়ণ হয়েছে এবং হবেও, কেননা, জগতে নিয়তই নতুন নতুন বিষয় ও জিনিসের আগমন ঘটছে, তাই সেসবের বিধান দিতে গেলে ইসলামী গবেষণার পরিধি এবং বিধিও বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মৌলিকতায় এক চুলও বৃদ্ধি বা ঘাটতির কোনই সম্ভাবনা নেই এবং তা কেয়ামত পর্যন্তই অপরিবর্তনীয় অটুট থাকবে ইনশাআল্লাহ্।

আরেকটি ব্যাপার লক্ষ্যণীয় যে, কোন আবিস্কারের পূর্বে কেউই তার জীবন বিধানের অনুমতি নিয়ে তা করেনি; বরং পৃথিবীতে কি কি নতুন জিনিসটির আগমন অথবা আবিস্কার ঘটবে, তা স্রষ্টার বৃহত্তর বিধানেরই অন্তভর্ুক্ত। কেননা, স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টির সার্বিক উত্থান-পতনকে সৃষ্টিরও বহু পূর্বে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন, তাঁর নিকট অতীত-ভবিষ্যত বলে কিছু নেই; সবটাই বর্তমান। আর তাই স্রষ্টার বিধানও সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিতে সর্বদাই সক্ষম; এই সক্ষমতা ইসলামের সত্যতা ও সর্বাধুনিক হওয়ার একটা বিরাট প্রমাণ।
(মন্তব্য কিন্তু হিসেব করে--; এখনো শেষ হয়নি)

পরের পর্ব পড়ুন
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০০৭ সকাল ৭:১৩
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....

প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্য ধর্মের অনুসারীদের সাথে সদয় আচরণ করলে আল্লাহর ভালোবাসা পাবেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৭

১) "দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদয় আচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেননি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সবার আগে মাতৃভূমি

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১৩



প্রভাতের আলোতে যে রূপ আমি দেখি
সে যে চেনাজানা চির জন্মভূমিখানি,
পাখির মুগ্ধ সুরেলা কন্ঠে জোড় জাদু
আহা মন ভালো করে দেয় প্রতিদিনি।

পাহাড় নদী মাঠের সবুজ গালিচা
নারীর রূপ লাবণ্য নজর... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২২ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭



বাংলাদেশে শেষ কবে সিনেমা হলে গিয়ে মুভি দেখেছিলাম মনে নাই। গতকাল সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম, স্টার সিনেপ্লেক্স মুভি থিয়েটারে। এখন আর আগের মতন সিনেমা হল নেই। অনেক কিছু বদলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে প্রথম ১০০০০০ মন্তব্যপ্রাপ্ত রাজীব নুর'কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা!!

লিখেছেন বিজন রয়, ২২ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০



প্রাপ্ত মন্তব্য ১,০০,০০০!!
ঐতিহাসিক!

এই ব্লগের ইতিহাসে রাজীব নুর আপনি সর্বপ্রথম ১০০০০০ মন্তব্য পেয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন!

আপনাকে অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা প্রাণঢালা।

আপনি আবার এই ব্লগে সর্বপ্রথম ১০০০০০ মন্তব্যকারীও বটে!
সেটা নিয়ে আমি এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×