এতিম অসহায় শিশুর পক্ষে বলতে চাই।
২৪ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মায়াবী এতিম শিশু! মা বাবা হারিয়ে পথে এসেছে বেশীদিন হয়নি। আর অল্প কিছুদিন পরেই সে মাদকাসক্ত সহ বিভিন্নরকম রোগাক্রান্ত হয়ে যাবে। ভেংগে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে তার শারিরীক ও মানসিক হেল্থ। সে হয়ে যাবে আপনাদের ঘৃনিত টোকাই যাদের শরীর দিয়ে গন্ধ বের হয়। সমাজের বেশীরভাগ মানুষকেই দেখি তাদের বিষয়ে তুচ্ছ মনোভাব পোষন করতে। তুই ছাড়া তো কথায় বলে না! দোষ কার? এ ফুটফুটে বয়সে মা বাবা হারিয়েছে এর জন্য কি এ শিশু দায়ী? সে খেতে পারে না দেখার কেউ নেই বলেই তো সে পথে আসতে বাধ্য হয়েছে। আমি দেখেছি তারা এসেছে শুধুমাত্র পেটের ক্ষুধা নিবারন করতে। অসুস্হ হলেও তারা নীরবে আল্লাহ আল্লাহ করে! শুধুমাত্র ক্ষুধার জ্বালা বড় জ্বালা! ক্ষুধার এ কষ্ট যদি এ সকল শিশুদের না থাকত এবং থাকার যদি কোন জায়গা থাকত তাহলে কখনো পথে আসত বলে মনে করি না। থাকার জায়গার চেয়েও ক্ষুধা বড যন্ত্রনার! এ রকম হাজারও শিশুকে গবেষণা করে আমি তাই বুঝতে পেরেছি আর একটি মেইন কারন হল কোন না কোন কারনে মা এর সাথে বিচ্ছিন্নতা।
পথে ঘাটের এ সকল এতিম অসহায় শিশুকে নিরাপদ করার এক নং দায়িত্ব হল সরকারের। সরকার করছে না বলে আমি আপনি কি এড়িয়ে যেতে পারি? কখনো না? দয়াপূর্বক এ সকল শিশুদের তুচ্ছকরে হেয় করে কিছু বলবেন না। আবারও বলছি তারা সম্পুর্ণভাবে নির্দোষ তাদের এ পরিণতির জন্য। সরকারসহ আমি আপনার দায়িত্ব হল তাদের নিরাপত্তা দেয়া। নিরাপত্তার কাজ শুরু করুন তারপর আপনার কি আনন্দের অনুভূতি সৃষ্টি হচ্ছে আপনি নীজেই বুঝতে পারবেন। সত্যি অসাধারন এক অনুভূতি! ভাল থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
নতুন নকিব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯
মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ
একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।
একদিন সকালবেলা, চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাতি খবরের কাগজ খুলে দেখল, দেশের সবচেয়ে বড় পদটির জন্য মনোনীত...
...বাকিটুকু পড়ুন
ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা...
...বাকিটুকু পড়ুন
খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?...
...বাকিটুকু পড়ুন
আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।...
...বাকিটুকু পড়ুন
নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে...
...বাকিটুকু পড়ুন