১ম পর্ব।
ছোটবেলা থেকে আমি যে কোন কিছুর প্রকৃত সত্য খুঁজতে অব্যস্ত।আমার মমতাময়ী মা চান,তার ছেলে যেন ন্যায়ের পথে থাকে।এবং একজন মানুষ হয়ে ওঠে।তাই আমার ১১বছর বয়সে মায়া ত্যাগ করে আমাকে পাঠিয়ে দেন জেলা শহরের সবচাইতে নামী স্কুলে এবং চেইন অব কমান্ডের চলার দিক্ষা দেন।
এখন আসি মূল কথায়।
আমি বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করি।সেটা একটা গ্রামীন এলাকা।কিন্তু,এখানে গ্যাস,বিদ্যুৎ এবং সহজ যাতাযাত ব্যবস্থা রয়েছে।এখানে মধ্যবয়সীরা তেমন শিক্ষিত নয়।তবে,আজকাল শিক্ষার প্রসার ব্যপক হারে বাড়ছে।কিন্তু,আমাদের পূর্বসূরীরা যেহেতু তেমন শিক্ষিত ছিল না।তাই তাদের মধ্যে কাজ করে কু-সংস্কার,ধর্মভীরুতা, গ্রামীন রাজনীতি,উগ্রতা,শিক্ষা সম্পর্কে উদাসীনতা এবং বাটুলতা।(এখানে বলে রাখা ভাল।আমি তাদের শিক্ষা নিয়ে কোন কটুক্তি করছি না।মূল সমস্যা তুলে ধরার চেষ্টা করছি)।আমি যখন এলাকায় নতুন করে আসি।তখন দেখতাম আমার বয়সী অনেকে বাজমস্ত্রীর কাজ করছে।মনে প্রশ্ন জাগতো,এরাতো আমার মত বিদ্যালয়ে,কলেজে,বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কথা।কিন্তু,তারা কেন কাজজ করছে।অনেকদিন পর এ প্রশ্নের উত্তরের মুখোমুখী দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলাম।সারাদিন কাজ করার পর ১৫০-২৫০টাকা তারা পায়।সে টাকা তাদের কাছে এবং তাদের পরিবারের কাছে অমূল্য।তাদের পরিবারের কাছে শিক্ষার কোন মূল্য ছিল না।কারণ,তার পরিবার তত বেশী শিক্ষিত ছিল না।অবশ্য,কেউ কেউ দারিদ্র্যতার কারণে এ পেশা বেছে নিয়েছে।
সারাদিনের আয় করা টাকার কিছু অংশ পায়।তার পরিবার আর বাকী টাকা তারা খরচ করে নিজেদের প্রয়োজনে।প্রয়োজনগুলো ঠিক এরকম-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে বসবে যাবতীয় অরুচি-কুরুচি সম্পন্ন কথাবার্তা আর বাটুলতা করবে এবং টাকা উড়াবে।মাঝে সাঝে নেশা করত তারা।যদিও নেশার জগৎ থেকে অনেকে ফেরে এসেছে।আস্তে আস্তে তারা বিভিন্ন অপরাধে মিশে যাচ্ছে।এবং যাবতীয় হিফোক্রেসী করছে।অথচ,তারা নিজেও জানেনা,তারা কি থেকে কি করছে।
আমি এসব সমস্যা মূল কারণ হিসেবে মনে করি।তাদের শিক্ষাহীনতাকে।
যার থেকে সৃষ্টি হচ্ছে আরও অনেক সমস্যা।
ক্রমান্বয়ে সেগুলো প্রকাশ করবো।
আমি আমার সম্প্রদায়কে ভালবাসি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



