শয়তানের পরিচয়
শয়তান এক প্রকার সৃষ্ট মাখলুখ।শয়তান আগুনের তৈরি।সে মানুষের মন ভ্রমন করতে পারে,এবং মানুষের মনে কুচিন্তার উদ্রেক ঘটায়।শয়তানের সাথে মানুষকে সারাজীবন লড়াই করতে হয়।সূমুদ্রের মধ্যে শয়তানের সিংহাসন রয়েছে,সেখান থেকেই সে তার দলবলকে বিভিন্ন জায়গায় প্রেরণ করে,যেই শয়তান সবচেয়ে বেশি মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে,শয়তান তাকে বাহ বা দেয়,পুরুষ্কৃত করে।অধিক পরিমানে যিকিরকারীর অন্তরে শয়তান প্রবেশ করতে পারেনা।হারাম খাবার ভক্ষনকারীর অন্তরে শয়তান সহজেই প্রবেশ করতে পারে।এবং বিপথগামী করতে পারে।হালাল খাবার ভক্ষনকারীর অন্তর নূরের আলোয় আলোকিত হয়, সুতরাং এমন অন্তরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না, শর্ত হলো সৎ আমলকারী হতে হবে।
শয়তান মূলত জীন।এজন্য জীনদের সাথে তার বন্ধুত্ব রয়েছে,শয়তানের চেলাপেলা দল বল বেশিরভাগই জিন।মানুষ শয়তানও পৃথিবীতে কম নয়,প্রচূর।মানুষ শয়তান কুফরির প্রতি উৎসাহ দেয়।সৎকাজে আলসেমি করে।অসৎ কাজে খুবই দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়ে থাকে।
শয়তান দেখা যায়না কেন?
শয়তানকে আমাদের চোখের আড়ালে রাখা হয়েছে এজন্য দেখা যায়না।জীন শয়তানদেরকে দেখা না গেলেও মানুষ শয়তানদেরকে দেখা যায়।শয়তান মানুষের উপর আসর বা ভর করতে পারে।শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য বেশি বেশি আমল,নামাজ,যিকির এবং তেলাওয়াতে জোড় দিতে হবে?
তবে অন্তর্দৃষ্টির অধিকারি ব্যাক্তিগন শয়তানের আসর অনুভব করতে পারেন,সাধারন মুমিনগনও শয়তানের কু চক্রান্ত এবং প্রভাব টের পেতে পারেন।কিছু কৌশল নিন্মে প্রদত্ত হলো—
১।শয়তান নামাজে অলসতা সৃষ্টি করে এবং গুনাহের কাে দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।নামাজের ওয়াক্তের সময় কোনোভাবে শুয়ে পড়লে সে দ্রুত ঘুম পাড়িয়ে দেয়,যাতে নামাজ টা ক্বজা হয়ে যায়।তারপর ফজরের আগে সে আরামদায়ক ঘুমপাড়ায়।তারপর বেগানা নারীপুরুষ একত্রিত হলে,অথবা নির্জন কক্ষে একত্রিত হলে তাদের মধ্যে অঘটন ঘটানোর জন্য ফুসলায়।
২।পুরুষকে বিপদে ফেলানোর জন্য শয়তান নারীদেরকে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করে। বেগানা নারীদেরকে নিয়ে শয়তান পুরুষদের অন্তরে কুচিন্তার উদ্রেক ঘটায়।নিজের স্ত্রীর চাইতেও পরনারীকে সুন্দর এবং আকর্ষনীয় করে দেখাতে পারে,যেকারনে পুরুষরা পরনারীকে নিয়ে কুচিন্তা করে ধ্বংস হয়।
"কিতাবে আছে," নারীরা শয়তানের জ্বাল।"আরো আছে নারীরা শয়তানের বিষাক্ত তীর।""
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



