গতকালই আমার পোস্টে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলাম 'থাবা বাবা' কে আদৌ জামাত-শিবির হত্যা করেছে কীনা তা নিয়ে!
বহুত গালিগালাজ শুনতে হইছে, আমি নাকি শিবিরের সাফাই গাইছি, প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করছি...ব্লা...ব্লা...।
শেষ পর্যন্ত কী হলো? দেখা গেলো পুরা কাহিনীটা ছবিরহাট কেন্দ্রিক হিসাব নিকাষ, একটা মেয়েও ইতোমধ্যে গ্রেফতার হইছে!!!
বিস্তারিত-
রাজীব হায়দারের হত্যাকান্ডে প্যাচ লেগে গেছে। (অমি পিয়াল)
যারা আমারে ট্যাগ দিতে চেষ্টা করেছিলো, আজ তারা কই সব?
বলেছিলাম "যুক্তি বলছে প্রজন্মের অভূতপূর্ব জাগরনে একেবারেই কোনঠাসা একটি রাজনৈতিক দল কী এতোবড় আত্নঘাতী কাজ করবে? স্বাধীনতার চার দশক পরেও স্বাধীনতা বিরোধীতার ক্ষমা না চেয়ে রাজনীতি চালিয়ে যাওয়া অতি ধূর্ত একটা রাজনৈতিক দলের সাথে এধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কেমন যেন বেমানান লাগছে! একাত্তরে ওরা একাজ করেছে, জানি ওরা পারে, তারপরো কেন যেন খটকা লাগছে, কোনঠাসা জামাত কী নিশ্চিহ্ন হবার এতবড় ঝুঁকি নেবে?
দেখা যাক হত্যাকান্ডের লাভের গুড় কার পকেটে যায়!"
ঝাঁকের কইয়ের দল, এবার বইসা হিসাব করেন যে লাভের গুড় কার পকেটে ঢুকলো!
আর হুজুগে মাতার আগে আল্লাহ'র দেওয়া ঘিলুটা একটু ইউজ করার চেষ্টা কইরেন, জিনিস টা কম্পোষ্ট সার বানানোর জন্য দেওয়া হয় নাই।
আরো একবার এই জঘন্য হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যারা তার নাস্তিক পরিচয় কে তুলে এনে এই হত্যাকান্ড কে জাষ্টিফায়েড করার চেষ্টা করছেন, তাদের কে বলছি পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত স্পষ্ট করে 'মানুষকে অন্যায় ভাবে হত্যা করতে ও দুনিয়ার বুকে ফাসাদ সৃষ্টি করতে' নিষেধ করা হয়েছে।
সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অবিলম্বে খুনীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার দাবী জানাই।
আর যেন একটা লাশ ও না পড়ে।
আর যেন আর একটা মায়ের বুক ও খালি না হয়।
বন্ধ হোক এই লাশের রাজনীতি।
নিষিদ্ধ হোক এই নষ্ট মানুষেরা।
**যারা এখনো শহীদ থাবা বাবা ও শাহবাগ নিয়ে সাহিত্য রচনা করে যাচ্ছেন তাদের বলি, আপনাদের মতো
অতি উৎসাহীরা রাজীবের সাথে শাহবাগ জড়িয়ে অলরেডি আমাদের আন্দোলনের যথেষ্ট বাঁশ মারছেন। এইবার থামেন। আমাদের খ্যামা দেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


