
পর্ব-১০
জৈনক নাস্তিকের প্রশ্নঃ- মুসলিমরা সবকিছুতে ইহুদী-নাসারা খুজে পায় কেনো?
উত্তরঃ- বর্তমানের টেকনোলজী হতে শুরু করে গনতন্ত্র নামক ধোঁকাবাজি জীবন ব্যাবস্থা দ্বারা সারা পৃথিবী কারা কনট্রোল করছে ? উত্তর পশ্চিমা খ্রীষ্টান-ইহুদিরাই। সামাজিক ধ্যান ধারনা, কালচার, পোশাক-পরিচ্ছদ হতে সকল কিছুই ওদের অনুকরন করা হচ্ছে। এই যে আপনিসহ আপনার পিতাও ক্লিন সেভ করেন এটা কি আপনার দাদার পুর্ব যুগে ছিল ? আজ বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ ক্লিন সেভসহ শার্ট প্যান্ট পরিধান করে এগুলো কাদের কালচার ? মুসলিমদের ধর্ম সত্য বিধায় এই সত্য ভবিষ্যৎবাণী করেছে। এখন যারা স্রষ্টার দাস না হয়ে পরিপুর্নভাবে ইহুদী-নাসারাদের গোলাম হতে চায় তাদের মনেই এমন প্রশ্ন আসবে।
নাস্তিকঃ-কোরানে রয়েছে অনেক ভুল তথ্য ! তারমধ্যে এখানে আমি কোরানের ১১ টি মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত ভুল ধরেছি।আমার ওপেন চ্যালেঞ্জ!! কেও যদি আমার যুক্তি-প্রমান খণ্ডন করতে পারেন, তাকে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে !!! কোরানের ভ্রান্ত মত ১ – আগে পৃথিবী এবং পরে আকাশ সৃষ্টি হয়েছে। বি:দ্রঃ ড. জাকীর নায়েক ২:২৯ আয়াত টির “সুম্মা ” শব্দের অর্থ করেন “এ ছাড়াও” (moreover ). অর্থাৎ তিনি বলতে চান যে আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, এ ছাড়াও আকাশ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু এই তাফসীর ভুল কারণ ৪:১১ এবং ৪১:১২ আয়াতে পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ আছে যে আগে পৃথিবী এবং তারপর আকাশ সৃষ্টি করা হয়েছে। সমস্ত সাহাবী,তাবেঈন এবং তবে-তাবেঈন গণ এ ব্যাপারে একমত।
আস্তিকঃ-ইনশাহ আল্লাহ সব মিথ্যারই জবাব দেয়া যাবে আপাদত ১ম টা দেই। ১ম মিথ্যাচারের জবাব--- এখানে মিছেমিছি যে ১১ টি ভুল ধরা হয়েছে কুরানের তার ১ নং সহ প্রথমদিকের বেশ কয়েকটিই হল বৈজ্ঞানিক ভুল তাই সুচনাতেই বিজ্ঞান নিয়ে কিছু কথা না বললে একদমই উলুবনে মুক্তা ছরানোর মত ব্যাপার হবে, এরপর সংক্ষেপেই নির্ভুলতার প্রমান দেয়া হবে। যেহেতু এখানে বৈজ্ঞানিক ভুল ধরা হয়েছে তাই ১মেই বিজ্ঞান কি এটা ভালভাবে জানা জরুরী । সাধারনত বিজ্ঞানের আওতায় পড়তে হলে উক্ত জ্ঞানটিকে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। আর একই শর্তের অধীনে যে গবেষকই পরীক্ষণটি করুন না কেন ফলাফল একই হতে হবে। অর্থাৎ ব্যক্তি চেতনা অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষণের ফলাফল কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না।বর্তমান বিজ্ঞানের দুটি স্তর রয়েছে যেমন- ১) শুধুই পর্যবেক্ষন স্তর, ব্যাক্তি মতবাদ স্তর বা কাল্পনিক স্তর। ২) পরীক্ষণের মাধ্যমে বহুলভাবে প্রমাণিত স্তর যেমনঃ- নিউটনের গতিসূত্র, পরমানুর মৌলিক গঠন, ডিএনএ তত্ত্ব ইত্যাদি। যদিও বিজ্ঞান বইয়ে ১ম স্তরের অনেক কিছুই লিপিবদ্ধ থাকে - ওমুকের মতবাদ তমুকের মতবাদ তারপরেও এটা সর্বজন স্বিকৃত যে ২য় স্তর বা পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত স্তরই হল সত্যিকারের বিজ্ঞান বা বাস্তব পরীক্ষিত সত্য কিন্তু তারপরেও ১ম স্তর বিজ্ঞান বইয়ে উল্লেখ থাকার কারন হল এটিও গুরুত্বপূর্ন কেননা ১ম স্তরের অনেক কিছুই ২য় স্তরে উন্নীত হয়েছে অর্থাৎ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিনিত হয়েছে। তাছারা ১ম স্তর অর্থাৎ মতবাদ বা থিউরীগুলো বিজ্ঞান বইয়ে রাখার আরেকটি কারন হল- এতে কিছুটা এভিডেন্সও থাকে, এরপূর্বে থিউরীগুলোও শুধুই হাইপোথিসিস অবস্থায় থাকে, তবে যত এভিডেন্সই থাকুক ভালভাবে প্রমান না হওয়া পর্যন্ত মতবাদগুলো ১ম স্তরেই থাকে। তাই বলে সব মতবাদই কিন্তু সত্য বা পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় না বরং এমন গাঁজাখুরি মতবাদও আছে যা সত্য থেকে অনেক দূরে অর্থাৎ একে সম্পুর্নই ভুল প্রমান করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল সম্পূর্নভাবে ভুল প্রমান করতেও অনেক সময় লেগে যেতে পারে আর সাধারনত দেখা যায় এইধরনের গাঁজাখুরি মতবাদ যদি ধর্মের বিরুদ্ধে যায় তবে উক্ত মতবাদ নিয়ে সবচেয়ে নাস্তেকদেরই বেশি লম্ফ ঝম্ফ করতে দেখা যায় এমনকি ভুল প্রমান হবার পরও নাস্তেকদের লাফালাফি তেমন কমেনা এমনটাই ইতিহাস সাক্ষী দেয়। শুধু তাই নয় এটি বড়ই পরিতাপের বিষয় যে বর্তমান একবিংশ শতাব্দীতে এসেও নাস্তেকরা ধর্মকে কিছু অপ্রমানিত বৈজ্ঞানিক মতবাদের সাথে দাঁত কেলিয়ে আজও চ্যালেঞ্জ করেই যাচ্ছে।
এবারে আসা যাক মূল কথায়, বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা আছে যেমন-জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি। জ্যোতির্বিজ্ঞান বা মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে অনেক গবেষনা করার পর বিজ্ঞানীরা একবাক্যে স্বীকার করেছে যে - আমরা এখনও মহাবিশ্বের অনেক কিছুই জানতে পারিনি আর মহাবিশ্বের দৃশ্যমান কিছুর পরিমানই হল মাত্র ৫% এর মত অর্থাৎ এগুলো হল মেটার।যেহেতু মহাবিশ্বের অনেক কিছুই জানতে পারিনি তাই মহাবিশ্ব নিয়ে চলছে অনেক বেশি পর্যবেক্ষন ও গবেষনা আর এসবের ভিত্তি করে অনেক বেশি মতবাদ দিয়ে চলেছে বিভিন্ন বিজ্ঞানীগন।এত বেশি আয়োজনের ফলে কিছু সত্য উপাত্ত বের হয়ে আসলেও বেশিরভাগ মতবাদই রয়েছে কল্পকাহিনীর মতন তার উপর নাস্তেক মহলের অতিরিক্ত লম্ফ ঝম্ফের দরুন ধর্মের সাথে বিরোধমূলক থিউরীগুলোই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
যদি আমরা মহাবিশ্ব এর ব্যাপারে পর্যাপ্ত সঠিক তথ্য উপাত্ত পেতে চাই তবে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ভান্ডার আরো উন্নত এবং বৃদ্ধি করতে হবে নির্ভুল ও নিখুতভাবে পর্যবেক্ষনের সার্থে পাশাপাশি আমাদেরও মহাকাশের খুব কাছাকাছি থেকে পর্যবেক্ষন চালাতে হবে কিন্তু এক্ষেত্রেও বর্তমান বিজ্ঞান তেমন এগুতে পারেনি তবে যতটুকু অভিযানের কথা বলা হয় সেখানেও রয়েছে বিজ্ঞমহলের অনেক সন্দেহ ( সম্প্রতি ফাস হয়েছে যে মানুষ মংগলে দূরে থাক চাঁদেই যেতে পারেনি, আমেরিকার এরিয়া ৫১তে সুটিংই ছিল বিজ্ঞানীদের চন্দ্রাভিযান এই ভন্ডামী ফাস হলে বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের লোক যারা পশ্চিমাদের গোলামী করে তারা আমেরিকাকে পূর্বের মত প্রভু মানবে না তাই মিথ্যা অভিযানের কাহিনী বিশ্বাস করাতে তারা নতুন প্লান করে, এবারে তৃতীয় বিশ্বের দেশ ইন্ডিয়াকে অত্যান্ত অল্প খরচে মংগলাভিযান নামক আরেক মিথ্যার অবতারনা করে। সত্যিকারের ঘটনা হল ইন্ডিয়ার রকেট ইন্ডিয়ার মাটি হতে উড়েছিল ঠিকই কিন্তু তা হয়ত গিয়ে পরেছে সেই এরিয়া ৫১তেই আর সেই রকেটের সমস্ত কমিউনিকেশন সিস্টেম হ্যাক করে সফট ওয়্যারের মাধ্যমে ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীদের দেখানো হচ্ছে যে তোমাদের পিকুলিয়ার মহাকাশযান মংগলের চারিপথে ঘুরছে আর সেই গ্রহের ছবি তুলছে। এই ঘটনাকে আরো বিশ্বাসযোগ্য করতে তারা মুভিও বানিয়েছে, এটাও যদি ফাস হয়ে যায় তবে পূর্বের সবগুলোই বিশ্বাসযোগ্য বানাতে হয়ত দেখা যাবে বাংলাদেশের মত গরীবদেশ বঙ্গবন্ধু রকেট- ১ এর মাধ্যমে সূর্যের ভিতরে গিয়ে সফলভাবে ফিরে আসছে ) আর যদি এসব সম্পূর্নই গুজব হয় তবু বলতে হবে আমাদের আরো বেশী দূরের সফল অভিযান চালাতে হবে বেশি বেশি সঠিক তথ্য পেতে।
মোটকথা মহাকাশের ব্যাপারে আশানুরুপ পর্যাপ্ত সঠিক তথ্য পেতে আমাদের আরো সময় লাগবে। অতএব বলতেই হয় মহাকাশ নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এখন শিশু হতে বালকে উন্নিত হয়েছে মাত্র ।তাছারা জ্যোতির্বিজ্ঞান বা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাস হল এর উৎপত্তিই হয়েছে ধর্মীয় তথ্য হতে। মাত্র কয়েশত বছর হলে জ্যোতির্বিজ্ঞানে মানুষ কিছুটা উন্নতি করলেও এখনও বিজ্ঞান এক্ষেত্রে সবেমাত্র বালক পর্যায়ে অথচ ধর্ম জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে যুগ যুগ ধরে তথ্য দিয়ে আসছে। সুতারাং বর্তমান বালক পর্যায়ের বিজ্ঞান যদি বৃদ্ধ ধর্মের ভুল ধরতে যায় তবে এক্ষেত্রে আমার একটি প্রবাদ মনে পরছে- "দুদিনের বৈরাগী, ভাতকে বলে অন্ন "। তবে সত্য এটাই যে অন্তত জ্যোতির্বিজ্ঞান বা মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ধর্মকে চ্যালেঞ্জ করার পূর্বে বিজ্ঞানকে সেই যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, আর তা করতে আরো সময় লাগবে।
তবে হ্যা ! মহাকাশ বিজ্ঞানের যেসব বিষয় একদম প্রতিষ্ঠিত সত্য সেসব বিষয় নিয়ে চ্যালেঞ্জ করাই যেতে পারে।এখন দেখা যাক উপরে কুরানের যে ভুলটি ধরা হয়েছে, তাতে বুঝানো হচ্ছে আগে পৃথিবী পরে আকাশ সৃষ্টি এটি বৈজ্ঞানিক ভুল, আর কিসের ভিত্তিতে এই ভুল ধরা হচ্ছে ? হ্যা ! নাস্তেকদের অতীতের বদাভ্যাস অনুযায়ি সেই অপ্রমানিত মতবাদ বা থিউরী অনুযায়ি ভুল বলা হচ্ছে আর এক্ষেত্রে নাস্তেক প্রতিবন্ধী স্টিফেন হকিং এর বিগ ব্যাং থিউরী এবং এরই কাছাকাছি অনান্ন সব পিকুলিয়ার থিউরীর উপর ভর করে স্রষ্টার ভুল ধরা হচ্ছে।
পারমানবিক বোমা আবিস্কারের যুগে স্টিফেন হকিং এর মহা বিস্ফোরণ তত্ত্ব মার্কেট পেলেও বাস্তবতার সাথে তার কতটা মিল? যদিও এই থিউরীতেও কিছু সত্য উঠে এসেছে বলে ইসলামি স্কলার ডাঃ জাকির নায়েকসহ অনেকেই এই মতের সাথে মিল দেখানোর চেষ্টা করেন কিন্তু প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য ছারা ইসলাম ধর্মের মিল দেখানো মেনে নেয়া হবে না। উপরের চ্যালেঞ্জে আরো বলা হয়েছে ড. জাকীর নায়েক ২:২৯ আয়াত টির “সুম্মা ” শব্দের অর্থ করেন “এ ছাড়াও” (moreover ). অর্থাৎ তিনি বলতে চান যে আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, এ ছাড়াও আকাশ সৃষ্টি করেছেন।
মূলত ড. জাকির নায়েক এর তথ্য মিছে নয় কারন- আরবী ছুম্মা শব্দের অর্থ যথাক্রমে- অতঃপর, এ ছাড়াও , একই সাথে ইত্যাদি বাক্যের ধারা অনুযায়ি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নটা বসে যা আরবরা অথবা আরবী ভাল গ্রামার জানা ব্যাক্তিরা বুঝে। এক্ষেত্রে দুটি অর্থই একই কথাই বলছে। উদাহরন স্বরুপ- আমি যদি কাউকে বলি, আমি একতলা বাড়ি বানিয়েছি(নিজে থাকার জন্য) , এছারাও দুতলাও বানিয়েছি(ভাড়া দেওয়ার জন্য)। আবার কাউকে একই কথাই যদি বলি- ১মে আমি একতলা বাড়ি বানিয়েছি(বেশি অর্থ ছিল না তাই), অতপর আমি দুতলা বানিয়েছি(অর্থ যোগার হলে)। এখানে বাক্যের ভাবভংগি অনুযায়ি বিভিন্ন সুম্মা এর অর্থ বিভিন্ন অর্থ হতে পারে যা একজন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রের চেয়ে ভাষা সাহিত্যে পড়ুয়া ছাত্র ভাল বুঝবে। অর্থাৎ মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে যাইহোক ড. জাকীর নায়েক যদি বিগ ব্যাং থিউরীর সাথে গুলিয়ে ফেলে বুঝাতে চান যে আগে ভূমি পরে আকাশ সৃষ্টি হয়নি বরং দুটো একই সাথে হয়েছে হুবহু মহা বিস্ফোরণ তত্ত্ব এর মত তবে তিনি কিছু ক্ষেত্রে ভুল বললে ইসলামের কি যায় আসে ? এখন দেখতে হবে ১মে যমিন পরে আকাশ সৃষ্টি এটি ভুল কিনা?
কুরানের অন্নান্য আয়াতে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন তিনি আকাশকে ছাদস্বরুপ বানিয়েছেন এখন স্বাভাবিক দৃষ্টিভংগিতেই বুঝা যায় যেকোন স্থাপত্য নির্মানে প্রথমেই কিন্তু ভিত দেওয়া হয় অর্থাৎ নিচের কাজ সম্পূন্ন হলেই পরে ছাদের কাজ করা হয় কিন্তু বিজ্ঞান সম্পর্কে যারা কম জানে তারা বলবে- পৃথিবী হতে আসমান পর্যন্ত তো কোন খুটি বা এজাতীয় কিছু দেখা যাচ্ছে না, কুরানে আল্লাহ সুবঃ বলেন আমি আসমানকে(দৃশ্যমান) বিনা খুটিতেই স্থাপন করেছি, তার অর্থ হল তিনি জমিন হতে আসমান এর মাঝে খুটি ছারা অন্য কোন মাধ্যমের দ্বারা সংযোগ রেখেছেন।
বর্তমান বিজ্ঞান বলছে যেখানে বাতাস বা কোনকিছুই নেই সেখানে যে আসলেই কোনকিছুই নেই এই ধারনা ভুল, সুতারাং আসমান আর জমিনের মাঝে এমন অজানা অনেক শক্তি, ডার্ক এনার্জি, পরস্পর একে অপরকে আকর্ষন করার মতন ম্যাগনেটিক ফোর্স জাতীয় অনেক বল দ্বারা হয়ত ঈশ্বর এই সংযোগ স্থাপন করে ভারসম্য বজায় রেখেছেন যেগুলো বিজ্ঞান বালক হতে যুবকে উন্নিত হলে পরিপূর্ন প্রমান করতে পারবে। তবে অনেক নাস্তেকের মনে এই প্রশ্নও জাগতে পারে যে পৃথিবীর চেয়ে অসংখ্য গুন বড় এই মহাকাশ কিভাবে ছোট্ট এই পৃথিবীর পরে তৈরী করা হল ? যাদের মনে এই প্রশ্ন জাগবে তারা বর্তমান বিজ্ঞানে আলোচিত স্ফিতিতত্ত্বটি একটু ভালভাবে চোখ বুলিয়ে নিন। পরিশেষে এই কথাই বলি যারা প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য বাদ দিয়ে মতবাদ বা থিউরী নিয়ে চরম সত্য ইসলামের ভুল ধরে তাদের এই অসৎ মনকে কিভাবে সত্য দিয়ে পরিতৃপ্ত করা যাবে, যতই সত্য দ্বারা তাদের অপবাদের জবাব দেওয়া হোক না কেন তারা আবারও সেই অপ্রমাণিত হাজারও মতবাদ নিয়ে স্রষ্টার ভুল ধরবে। এখানকার ২য় প্রশ্নের বেলাতেও একই নিয়ম অনুসরন করা হয়েছে।
জৈনক নাস্তিকের প্রশ্নঃ- মানুষ কষ্ট পেলে কি আল্লাহ কষ্ট পায়? কি করে তখন উনি?
উত্তরঃ-মানুষ হোক নাস্তেক,কাফের তারা যেমন কষ্ট পায় আল্লাহও কষ্ট পায় আর এটা তিনি অনুভব করেন তাদের মাঝে থাকা রুহ এর কারনে। কাল হাশরের মাঠে যখন আল্লাহ সুবঃ বলবেন- আমাকে খাবার দাও নি, বস্ত্র দাও নি, সেবা করনি (অর্থাৎ কষ্টে রেখেছ) । তখন বান্দা বলবে - আপনি তো এসব হতে মুক্ত । তখন আল্লাহ বলবেন- তোমার প্রতিবেশী অভুক্ত ছিল(কাফের হলেও) তোমার আরেক ভাই(নাস্তেক) অসুস্থ ছিল। অতএব মানুষ কষ্ট পেলে আল্লাহ যেমন কষ্ট পায় একই ভাবে মানুষ কোনকিছুতে সুখ পেলে তিনিও সুখ পান।আপনি আরও বলেছেন যে আল্লাহও কষ্ট পেয়ে কি করেন তখন উনি? আসলে তিনি তার কষ্ট গুলো জমা রাখেন, বিচার দিবসে বিচার করে তার প্রতিফল দেন।এতদিন তিনি ধৈর্য্য ধরেন এবং মুমিনদেরও ধৈর্য্য ধরতে বলেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




