সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা আমাদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। এই মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, কাভার্ড ভ্যান এবং বড় পণ্যবাহী লরি একই সড়কপথে চলাচল করছে। যানবাহনের আকার, গতি ও চলাচলের ধরনে পার্থক্য থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক বেশি।
আজকের দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (IIUC) ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থীর অকালমৃত্যু আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, এটি পুরো সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক সতর্কবার্তা।
এখন সময় এসেছে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করার। বিশেষ করে কাভার্ড ভ্যান ও বড় পণ্যবাহী লরির জন্য পৃথক লেন অথবা নির্ধারিত চলাচলব্যবস্থা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
মহাসড়ক শুধু পণ্য পরিবহনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের নিরাপদ যাতায়াতেরও অধিকার নিশ্চিত করার জায়গা। পণ্য পরিবহন ও যাত্রী চলাচলের মধ্যে নিরাপদ সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে পারলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
পণ্য পরিবহন গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানুষের জীবনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর কোনো সম্ভাবনাময় প্রাণ যেন সড়কে ঝরে না যায়।

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



