
তৈয়বুর রহমান শ্যামল :: ও মন রমজানের এই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ তাই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাকীদ।’ দুনিয়ার প্রত্যেক জাতিরই এক বা একাধিক আনন্দ উৎসব থাকে। তেমনি মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় আনন্দোৎসব হচ্ছে ঈদুল ফিতর।
পূর্ণ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই ঈদ আসে অনাবিল আনন্দ ও মুক্তির বার্তা নিয়ে। বিশ্বের অগণিত মুসলমানের মত ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারেও গত ৩০শে আগস্ট মঙ্গলবার পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। রঙ-বেরঙের পোষাক আর নানারকম সাজে শিশু-যুবক-বৃদ্ধরা ছাড়া মহিলারা উপস্থিত হয়েছিলেন মসজিদে মসজিদে।
ম্যানচেস্টারের বাংলাদেশী কমিউনিটির সবচেয়ে বড় ঈদের জামাআত অনুষ্ঠিত হয় রোশমস্থ শাহজালাল মসজিদ এবং ইসলামিক সেন্টারে। এখানে সকাল সাড়ে আটটা, সাড়ে নয়টা ও সাড়ে দশটায় পরপর তিনটি ঈদের জামাআত অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামাআতে ইমামতি করেন মসজিদের ইমাম ও খতীব জনাব মাওলানা খায়রুল হুদা খান। জামাত পূর্ব সংক্ষিপ্ত বয়ানে তিনি বলেন, ঈদ হচ্ছে সার্বজনীন। ধনীদের পাশাপাশি গরীবেরাও যাতে ঈদের খুশি উদ্যাপন করতে পারে এজন্য ইসলাম ফিত্রা প্রদানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
তিনি রাসূলে পাক (সা.) এর হাদীস উল্লেখ করে বলেন, যারা রমজান শরীফের রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখবেন আল্লাহপাক তাদেরকে সারা বছর রোযা রাখা সওয়াব দান করবেন। শাহজালাল মসজিদে এ বছর প্রথমবারের মত মহিলাদেরও ঈদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। ম্যানচেস্টারে নিযুক্ত সহকারী হাই কমিশনার জনাব জকি আহাদ, প্রথম সচিব ওহিদুর রহমান বিশ্বাস টিপু সহ ম্যানচেস্টারের কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ শাহজালাল মসজিদে ঈদের নামাজে উপস্থিত হন। এ সময় উপস্থিত মুসল্লীদেরকে স্বাগত জানান মসজিদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মান্নান খান। প্রতিটি জামাআত শেষেই বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। দ্বিতীয় জামাত ৯.৩০ মিনিটে,জামাতটি পরিচালনা করে ন হাফিজ জামাল হুসাইন ও তৃতীয় জামাত সকাল ১০.৩০ মিনিটে,জামাতটি পরিচালনা করনে মোওলানা আব্দুল কদ্দুছ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

