somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এখন শুধু জায়গামত চাপ দিলেই কাজ হবে ?

০৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনলাইনে বরিশালের একটা ভাইরাল ভিডিও দেখলাম। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একদল মানুষ একজন বয়স্ক মানুষের অন্ডকোষে চাপ দিয়ে জোর করে স্ট্যাম্পে সই করিয়ে নিচ্ছে আর টাকা দাবি করছে। পরে মিডিয়ার বদৌলতে জানা গেল, দলবল নিয়ে এই কাণ্ড যে করেছে তার নাম লিটু, আর সে নাকি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত । অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিএনপি এখন দেশের কোথাও একটু বায়ু ত্যাগ করলেও সেটা ব্রেকিং নিউজ হয়ে যাচ্ছে; ক্ষমতায় চলে এসেছে তাই তাদের নেতাকর্মীরাই কেবল ভাইরাল হওয়ার একচেটিয়া লাইসেন্স পেয়েছে ।

মানুষের রিঅ্যাকশন দেখা শুরু করলাম , দেখলাম সেখানে একটা বিশেষ গুপ্ত দলের অ্যাক্টিভিস্টরাই সবচেয়ে বেশি কান্নাকাটি করছে। আর একটু খোঁজ নিতেই বিএনপির এক কর্মীর একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস চোখে পড়ল, যেখানে লেখা ছিল: প্রথম দিকে বলা হয়েছিল অন্ডকোষ চেপে ধরা ব্যক্তি যুবদল, তারপর 'ডেইলি ক্যাম্পাস' নিউজ করল সে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার ভাই, কিন্তু আসলে সে বিএনপির কেউ না, বরং পতিত আওয়ামী লীগের সাথেই তার ভালো খাতির ছিল, সে মূলত একজন ব্যবসায়ী। আর যার অন্ডকোষ চাপা হয়েছে, সে নাকি এক জামাতী প্রতারক, যে মানুষের টাকা মেরে পালিয়ে বেড়াত। যেহেতু অন্ডকোষ চেপে ধরা ব্যক্তি অ্যারেস্ট হয়েছে, তাকে ঝুলিয়ে পিটালে কোনো সমস্যা নেই, তবে সব জায়গায় এভাবে দলীয় ট্যাগিং দেওয়াটা মূলত জামাতী মিডিয়ার চুলকানি ছাড়া আর কিছুই না।

এই স্ট্যাটাসটার সত্য-মিথ্যা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে, তবে ঘটনার গভীরে গেলে বোঝা যায় এটা কোনো সাধারন চাঁদাবাজির ঘটনা না, এটা হলো তিন বছর ধরে চলা অগ্রণী হাউজিং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালকদের আর্থিক বিরোধ, যেখানে দুই পক্ষই একে অপরকে প্রতারক বলছে। এমডি আব্দুল আজিজের ভাষ্য অনুযায়ী, লিটু একসময় তাদের পার্টনার ছিলেন, তিন বছর আগে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব মিটমাট হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু লিটু এখন জোর করে এক কোটি টাকা দাবি করছে।

অন্যদিকে লিটুর ভাষ্য হলো, আজিজের কাছে তার উল্টো চুয়ান্ন লাখ টাকা পাওনা, আজিজ নাকি আওয়ামী লীগ আমলে প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে বহু মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে, উপরন্তু কোম্পানির আরেক পরিচালক মিজান এক কোটি সত্তর লাখ টাকা নিয়ে এমডির ইশারায় পালিয়েছে এবং ২০১৬ সালে এমডির নিজের ভাইয়েরাই তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেছিল। তার মানে, এটা ক্রেতা-বিক্রেতার সাধারণ প্রতারণা না, এটা পার্টনারশিপ বিজনেসের ভেতরের চরম গোলযোগ ও স্বচ্ছতার অভাব।

নিজের দেখা অভিজ্ঞতা থেকে বলি, আদম ব্যবসা, রিয়েল এস্টেট, জমির দালালি কিংবা ট্রাভেল এজেন্সির লাইনে যারা আছে, এদের বেশিরভাগই হলো আস্ত বাটপাড়ের দল। বাইরের একটা খণ্ডচিত্র বা কারও অন্ডকোষে চাপ দেওয়ার দৃশ্য দেখেই ভেতরের খবর না বুঝে এক পক্ষকে ধোয়া তুলসী পাতা বানিয়ে মস্ত বড় গরুর রচনা লেখার কোনো সুযোগ নেই। চোখে যা দেখা যায়, ভেতরের আসল সত্য তার চেয়ে অনেক আলাদা।

উদাহরণ হিসেবে আমার মেজো চাচার ঘটনা বলি । তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর ছিলেন এবং উনার শ্বশুরবাড়ির দিকটা বেশ কট্টর জামাতী ফ্যামিলি। চাচা নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জামাতের রাজনীতিতে জড়ান আর আমার চাচীর পুরো চৌদ্দগোষ্ঠীই জামাত। চাচাতো বোন বড়োটার জামাই আবার আওয়ামী লীগ আমলে ব্যাপক টর্চারের শিকার হয়েছিল। মার খেয়ে টিকতে না পেরে তখন সে জামাত ছেড়ে দিয়ে রাতারাতি আওয়ামী লীগের লোকজনের সাথে খাতির জমিয়েছিলো। পাঁচই আগস্টের পর যেই দিন বদলাল, অমনি সে রঙ বদলে আবার আগের লাইনে ব্যাক করেছে ।

চাচা একজন আত্মীয়ের রিয়েল এস্টেট প্রজেক্ট থেকেই রামপুরা বনশ্রীতে একটা ফ্ল্যাট বুকিং দিয়েছিলেন। ফ্ল্যাটের কাজ পুরো শেষ হওয়ার আগেই সেই আত্মীয় সবার টাকা মেরে উধাও হয়ে গেলেন। চাচা বেচারা নিজের ফ্ল্যাটে এক দিন থাকার সুযোগও পেলেন না, তার আগেই মারা গেলেন। এরপর চাচাতো বোনের জামাই নিজে অন্য আরেকটা জামাতী রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরি নেন; আবাসন ব্যবসায় জামাত এখন বেশ ভালোভাবেই জেঁকে বসেছে। অবশ্য আওয়ামী লীগ আমলে মিশন/ ভিশন নামের কিছু গ্রুপ গজিয়ে উঠেছিল যাদেরকে ভালোমতো টাইট দেয়া হয় । যাই হোক, শেষমেশ চাচাতো বোনের জামাই নিজের কোম্পানির লোকবল আর দরকারি জিনিসপত্র পাঠিয়ে কোনো রকমে কাজটা শেষ করান এবং চাচীকে সেই ফ্ল্যাটে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

চাচার সেই আত্মীয় আবার একই সাথে ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসাও করতেন। একই সময়ে তিনি হজ যাত্রীদের টাকা মেরে দিয়েছেন। এখন নাকি সৌদি আরবে পালিয়ে আছে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কারণে রিয়েল এস্টেট বা ট্রাভেল এজেন্সির নাম শুনলেই আমি আগে খুব ভালো করে চেক করি। ট্রাভেল এজেন্সি এবং ওমরাহ কিংবা হজের ব্যবসায় জামাত সবচেয়ে বেশি অগ্রগামী। এমনকি আমাদের অনেকের প্রিয় হুজুর শায়খ আহমাদুল্লাহ হুজুরদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনও এই ব্যবসায় যুক্ত আছেন। উনার প্রতিষ্ঠান নিশ্চয়ই টাউট বাটপার টাইপ প্রতিষ্ঠান হবে না।

তবে খুব কম প্রতিষ্ঠানই দেখেছি যারা স্বচ্ছতার সাথে কাজ করছে ; বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলে, কারণ এদের সবার মুখে সুন্দর কথার ফুলঝুড়ি থাকে। অন্তত যতজন দেখেছি সবাই একই ক্যাটাগরি। অনেকেই আবার এই সব ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ করতে গিয়ে সৌদি আরবে থেকে যায়, আবার অনেক ওমরাহ আর ট্রাভেল এজেন্সি সাধারণ মানুষের টাকা মেরে পালিয়ে যায়। এসব খুবই সাধারণ ঘটনা।

আদম ব্যবসা নিয়ে আমার প্রথম অভিজ্ঞতা হয় মায়ের মামাতো ভাই, ছোট মামার সাথে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনার মাধ্যমে। মামারা চার ভাই, সবাই বিদেশ পাগল; পড়াশোনা কিচ্ছু করেননি, অল্প বয়সেই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হয়ে গিয়েছিলেন। আর এর পেছনে অবদান ছিল সোনাগাজীর এক বিখ্যাত রাজাকার, ওবায়দুল হক চেয়ারম্যানের। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই জয়নাল হাজারী গ্ং এই লোকটাকে খুঁজছিল; ওবায়দুল হক ছিল রাজাকারের কমান্ডার, যার প্রত্যক্ষ নির্দেশে ফেনী সোনাগাজীর হিন্দু বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছিল, যাদের মুখে এই ঘটনা শুনেছি তারা এখনো সবাই জীবিত। হাজারী আসছে বুঝতে পেরে লোকটা চিটাগাং পাহাড়ী এলাকায় পালিয়ে যায় । শেখ মুজিবুর রহমান খুন হওয়ার পর গর্ত থেকে বের হয়ে আসে; এরশাদের আমলে চেয়ারম্যান হন। এলাকায় ফিরে এসেই ছেলেদের মগজ ধোলাই করা শুরু করেন তিনি। এখনো সেই বাড়ি থেকে ভোট বিএনপি/জামায়াতের বাক্সে যায় ।

মেঝো মামা কোনোমতে সাউথ আফ্রিকা গিয়েছিলেন , কিন্তু বাকি ভাইদের নিতে পারছিলেন না। তিনি ছোট মামাকে এক দালালের মাধ্যমে আফ্রিকা নেওয়ার চুক্তি করেন, চুক্তি ছিল আগে কিছু টাকা দিতে হবে, তারপর আফ্রিকায় ঢুকতে পারলে বাকি টাকা দেওয়া হবে, কোন রুট দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকবে সেই ম্যাপও আমি দেখেছিলাম, কিন্তু হঠাৎ সেই রুটে কড়াকড়ি বেড়ে যাওয়ায় ছোট মামা আর যেতে পারলেন না। এখন টাকা তো ফেরত নিতে হবে। মেজো মামা যাকে টাকা দিয়েছিলেন সেও আবার আমাদেরই এক আত্মীয়(লতায় পাতায়) , নাম আবদুর রউফ হুজুর। এই লোক পাক্কা জামাতী এবং নিজেকে সবসময় চার বা পাঁচ নম্বর মানুষ দাবি করত, মানে বাকি দুনিয়া দুই নম্বর হলে সে নাকি পাঁচ নম্বর।

জমির দালালি আর আদম ব্যবসা করে এই লোক যে কত জায়গা জমি নিজের নামে করেছে তার হিসাব নাই। নিজের ছেলে আর মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছে তানজানিয়া নামক এক দেশে; তানজানিয়ার টাকার ক্ষমতা কেমন সেটা জানলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। তানজানিয়ার টাকার জোরেই আবদুর রউফ হুজুর গুলশানে দশ কাঠা জায়গার ওপর বিলাসবহুল ভবন বানিয়ে ফেলেছেন। আমাদের চিন্তাতেই আসে না গুলশানে বাড়ি করার কথা; হুজুরের ছেলে আর মেয়ের জামাই বলে যন্ত্রাংশের ব্যবসা করে তানজানিয়ায় । আমার সন্দেহ, এরা আসলে কোনো চোরাচালান বা অবৈধ ব্যবসা করে , নইলে এত টাকা কীভাবে সম্ভব ?

সেই আবদুর রউফ হুজুরের কাছ থেকে ছোট মামা যখন টাকা উদ্ধার করতে যান, তখন আমাকেও সাথে নিয়েছিলেন। হুজুরের তখন কী গরম ভাব, টাকা দেবেনই না। এক পর্যায়ে হুজুর পাঞ্জাবির হাতা গুটিয়ে ছোট মামাকে মারতে আসেন, ছোট মামাও তখন শার্টের হাতা গুটিয়ে পুরা কুংফু ফাইট করার জন্য প্রস্তুত। পরে অবশ্য এটার একটা সমাধান হয়েছিল এবং ছোট মামা এখন বাজারে সেই টাকা দিয়ে একটা স্টুডিও দিয়েছেন, ভালোই আছেন।

যখন এই সমস্ত আদম ব্যবসায়ী, ট্রাভেল এজেন্সি কিংবা রিয়েল এস্টেটের লোকজনকে নিয়ে কোনো সংবাদ হয়, সেটাকে কেবল সাধারণ চাঁদাবাজি হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিএনপির লোকজন যে একদম চাঁদাবাজি করছে না তা নয়, নাহলে তো আর তাদের দলের নাম টেম্পু স্ট্যান্ড হতো না, কিন্তু আমাদের দেশের মিডিয়াগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে সংবাদ লেখে/দেখায় যেখানে দুই পক্ষের ভেতরের পারস্পরিক বিবাদ বা পাওনা দেনার কোন্দলকে রাজনৈতিক রঙ চড়িয়ে অমুক দলের অত্যাচার বানিয়ে প্রচার করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট দলের প্রতি মানুষের সন্দেহ তৈরি হয়।

বাংলাদেশের মিডিয়া এই কাজটা খুব ভালো করেই পারে। বরিশালের ঘটনায় বিশেষ গুপ্ত দলের কর্মীদের কান্নাকাটি দেখেও আমার সন্দেহ হয়, কারণ এরা কেবল তখনই শোকাহত হয় যখন নিজেদের কোনো লোক বিপদে পড়ে, বাদবাকি অন্য দলের লোক কিংবা দেশের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি এদের মনে কোনো দরদ নেই। তাই ভেতরের সত্য না জেনে শুধু ভিডিও দেখে বিচার করা যাবে না, যেখানে দুই পক্ষই একে অপরকে বাটপার বলছে, সেখানে কে ভালো আর কে খারাপ তা নিশ্চিত করে বলা মুশকিল।

অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেক-স্ট্যাম্পে সই নেওয়া সেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ভাই গ্রেপ্তার- ঢাকা ডায়েরী

কী ঘটেছিল, বর্ণনা দিয়ে কাঁদলেন সেই এমডি- বাংলা ট্রিবিউন

photocard courtesy : Amar Desh



সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাসিত নক্ষত্রের শহর !

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯



রাতের শেষে যে শহর জেগে থাকে
তার ভাঙা নীয়ন আলোয়
আমি দেখেছি মানুষের মুখ—
অথচ দেখিনি মানুষ ।
দেখেছি ক্লান্ত আত্মারা,
ধীরে ধীরে আত্মহুতি দেয় প্রতিরাতে।

চারদিকে শব্দ ছিল,
হাজার কথার বিষাক্ত ভিড় ছিল,
কর্পোরেট... ...বাকিটুকু পড়ুন

"তোমরা আমাদের মানুষদের কেন খুন করলে?"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:০১

জাপানের মানুষেরা আজও বুঝতে পারে নাই, কেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এভাবে হত্যা করা হলো। সেই দেশের মুরুব্বীরা এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। আক্ষেপ করেন। আমার বোনের জামাই জাপানে পোস্ট ডক... ...বাকিটুকু পড়ুন

শত্রুর শত্রু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:১৪

উগ্রবাদী আর উদারবাদী, দুটি ইসলামই একই রাজনীতি করে। তাবলীগ জামাতের লোকটি মাঠে এসে বলে মেয়েদের ফুটবল হারাম। তারপর বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে সমর্থন করে রাস্তায় নামে। এই দুটি আচরণ পরস্পরবিরোধী নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩



বিয়ের মঞ্চে বসে আছি। মঞ্চ বলতে চকির মতো একটা খাট, তার সম্ভাবত এক পা ছোট বা নাই, কারন সামান্য নাড়াচাড়ায় খাটা টালমাটাল হয়ে একদিকে কাত হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×