সন্ধ্যাবেলা মশার কয়েল কিনতে মোড়ের দোকানে গেলাম।দেখি দোকানদার সামসুদ্দিন চাচার ছেলে বদরুদ্দিন।অনেক দিন পরে দেখা।ও এক সময় আমাদের ক্লাসমেট ছিল। পরীক্ষায় খারাপ করায় আমাদের স্কুল থেকে চলে গেছে।পরে শুনলাম কোন এক ভালো স্কুলে ডোনশন দিয়ে ভরতি হয়েছে।চাচার তো আর টাকার অভাব নাই।লিবিয়া প্রবাসী দুই ছেলে প্রচুর টাকা পাঠায়। বদরুদ্দিন এর লম্বা চুল,কানে দুল।পড়াশুনা কি করে কে জানে! জিজ্ঞেস করলাম,তুমি এখন কি কর? আমি তো এবার ট্রিপলিতে যাব। শুনে চমৎকৃত হলাম। কিছুটা অবাক ও। এই ছেলে! আর আমার মত ছেলের ভার্সিটিতে একটা সিট পেতে পেটের ভাত চাল হবার অবস্থা।
চাচা বলছেন, আর কইওনা ভাইস্তা।পোলারে নিয়া যত জ্বালা।কি স্কুলে পড়ে কে জানে? ক্লাসমেটরা ডাকে Bod,বদ্রুদ্দিনের সংক্ষিপ্তরূপ। ব্যাটা আসলেই বদের হাড্ডি বদ। আমি বললাম, চাচা্ও দুষ্টমি করলেও তো পড়াশোনায় ভাল।আপনার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে।চাচা বলে উঠল ,কিসের ইঞ্জিনিয়ার?দুইবার টেস্টে ফেল আর এই বার নকল করতে গিয়া ধরা পরছে। ব্যাটা রে তো ওর ভাইগো কাছে ত্রিপলিতে পাঠাইয়া দিতাসি।আমি বললাম, ট্রিপলি............মানে...
আরে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি,ওর ভাইগো কাছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





