
দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে, বিশেষ করে পৌরসভা এলাকায়, ইজিবাইক ব্যাপকভাবে চলাচল করলেও সাধারণত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেগুলোকে বাধা দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে পৌরসভা থেকে নিবন্ধন বা ফি গ্রহণ করা হয় বলেও জানা যায়।
কিন্তু একই ইজিবাইক যখন পৌর এলাকার বাইরে বা মহাসড়কে চলাচল করে, তখন বিভিন্ন স্থানে তা আটকানো বা জরিমানার ঘটনা দেখা যায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পৌর এলাকার বাইরের ইজিবাইক পৌর এলাকায় প্রবেশ করলে বাধার সম্মুখীন হয়।
এ অবস্থায় কয়েকটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে—
১. পৌরসভা কোন আইন বা বিধিমালার আওতায় ইজিবাইকের নিবন্ধন বা ফি গ্রহণ করে?
২. সেই আইন বা বিধিমালায় কি পৌর এলাকার বাইরের ইজিবাইকের প্রবেশ বা চলাচল সম্পর্কে কোনো বিধান রয়েছে?
৩. পৌর এলাকার বাইরে ইজিবাইকের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, অনুমোদন বা নিবন্ধনের দায়িত্ব কোন সরকারি সংস্থার?
৪. ইজিবাইকের বৈধতা, চলাচলের সীমা এবং লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সম্পর্কে কি কোনো একক ও স্পষ্ট জাতীয় নীতিমালা রয়েছে?
বিষয়গুলো হয়তো ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত আছেন লক্ষাধিক চালক এবং অসংখ্য যাত্রী।
যদি ইজিবাইক অবৈধ হয়, তাহলে তা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হোক। আর যদি বৈধ হয়, তাহলে এর লাইসেন্সিং, নিবন্ধন, চলাচলের ক্ষেত্র এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট নিয়মকানুন জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হোক।
বর্তমানের এই অস্পষ্টতা চালক ও যাত্রী—উভয়ের জন্যই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
