এই পোস্ট খানা রাতারাতি বিখ্যাত হবার জন্য করা কোন পোস্ট না,সেই ইচ্ছা থাকলে আগেই তা করতাম এত দিন অপেক্ষা করতাম না।তারপরও মুসলিম আস্তিক ভাইদের চ্যালেঞ্জ এর জবাব এমন কথার উত্তরে কিছু বলতেই হয়,না বললে উনারা আবার অনেক কিছু ভেবে বসেন। যাক আসেন মুসলিম আস্তিক ভাইরা দেখি আপনার ধর্মের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
(উল্লেখ্য এটি একটি ক্রমিক পোস্ট - এই রকম চ্যালেঞ্জ ব্লগের উদ্দেশ্য,মুসলিম আস্তিক আলাদা ভাবে কেন প্রশ্ন করা হয়েছে সকল ধর্মের আস্তিকদের কেন নয়,আমি কোন ধর্মের এবং আমি কয়জন দেবতাকে মানি কিংবা আল্লাহ সম্পর্কিত কোন যুক্তি যদি থাকে তাহলে দয়া করে সকল মুসলিম আস্তিক ভাইদের প্রতি চ্যালেঞ্জ জানাইলাম লিঙ্কে যান ,ঠিক তেমনি কুরান সম্পর্কিত সকল তর্ক-বিতর্ক কুরআন,সকল মুসলিম আস্তিক ভাইদের প্রতি আবার চ্যালেঞ্জ জানাইলাম (পর্ব -২) এখানে এবং পোস্টমর্টেম-কুরআন,সকল মুসলিম আস্তিক ভাইদের প্রতি আবার চ্যালেঞ্জ জানাইলাম (পর্ব -২) এখানে করলেই ভাল হবে কারন আপনার যুক্তি যদি বাকি ব্লগের ভাইদের থেকে আলাদা হয়ে থাকে তাহলে বিনা সংকোচে রিপ্লাই দিন,উত্তর দেবার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।আল্লাহ সম্পর্কিত সব প্রশ্ন এক সাথে থাকলে সবারই [ আস্তিক এবং নাস্তিক] সত্যি জানতে সুবিধা হবে সেই জন্য বললাম, ধন্যবাদ। )
প্রায়শ মুসলিম ভাইদের বলতে শুনা যায় - "ইসলাম নারীদের দিয়েছে চরম সম্মান, ইসলামের ছায়া তলে নারীরা পেয়েছেন তাদের প্রাপ্য মর্যাদা,ইসলামের মত অন্য কোন ধর্মে নাকি নারীর যথাযথ স্বাধীনতা নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই কি তাই? আমারে একটু ব্যাখ্যা করেন তো দেখি। কি ভিত্তি আছে আপনাদের এই মিথ্যা দাবীর?" সেই আগের মতই তর্ক করতে কমেন্ট দেবার আগে কয়টা কথা মাথায় রাখবেন -
(১) তর্ক করবেন শুধু বিজ্ঞান, দর্শন কিংবা মানবতার বিচারে। আবেগ,অন্ধ বিশ্বাস আর গাঁজাখুরি কোন মন্তব্য দিয়ে ত্যানা পেঁচাইবেননা। আর দর্শন কিংবা মানবতার হিসাবে যুক্তি দিলে মাথায় রাখবেন আপনি যেই যুক্তি দিলেন আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য কিনা। (২) গালি দিবেন না।ধর্ম নিয়ে চরম সত্যি কথাগুলি ধর্মভীরু মানুষের অন্ধবিশ্বাসের সামনে চলে আসলে মানুষ অসহায় হয়ে গালি দেয়। যাহা সত্যি তাহা মানতেই হবে,তাই সেটা যতই খারাপ হোক। (৩) Reference হিসাবে কুরআন শরীফ আর বুখারি শরীফ দিতে পারেন কারন আপনাদের সব যুক্তি আবার সপ্নপ্রাপ্ত ঐ মার্কেটিং বই থেকে থাকে কিন্তু কোন কাঠমোল্লা কোন তাফসীর এ কোন গাঁজাখুরি গল্প বলছে তা বলবেন না কারন কাঠমোল্লা সব কিছুর ব্যাখ্যা দেন কিন্তু বিজ্ঞান সব জিনিস আবিষ্কারের পরে,তাই তাফসীর নামক Advertising পলিসি গ্রহনযোগ্য নয়। আর মোহাম্মদ যখন কুরান নামের মার্কেটিং বইখানা দিয়ে যায় তখন শুধু "কুরআন শরীফ আর বুখারি শরীফ " এ ছিল তাই উহা গ্রহণযোগ্য। আর নীচে তিন খানা কুরআন এর Online Version দিলাম। কারন এমন অনেক মুসলিম আস্তিক পেয়েছি যারা নিজেদের পিঠ বাঁচানোর সময় আয়াত এর অর্থ নিজেদের মত বের করে নেন। তিনখানাই ইসলামী সাইড। নিজেরাই দেখে নেন।
ourholyquran.com
quranhadith.org
quraanshareef.org
(৪) শর্ত মেনে চললে আপনাদের কোন কমেন্ট কেই Delete করা হবেনা।
=============================
এই ছিল শর্তসমূহ।শর্ত মেনে চলতে পারলে আমারে ব্যাখ্যা করেন
**প্রায়শ মুসলিম ভাইদের বলতে শুনা যায় - "ইসলাম নারীদের দিয়েছে চরম সম্মান, ইসলামের ছায়া তলে নারীরা পেয়েছেন তাদের প্রাপ্য মর্যাদা,ইসলামের মত অন্য কোন ধর্মে নাকি নারীর স্বাধীনতা নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই কি তাই? আমারে একটু ব্যাখ্যা করেন তো দেখি।কি ভিত্তি আছে আপনাদের এই মিথ্যা দাবীর?
কারন নীচে তিনখানা আয়াত দিয়ে দিলাম বাংলা অর্থ সহ
نِسَآؤُكُمْ حَرْثٌ لَّكُمْ فَأْتُواْ حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ وَقَدِّمُواْ لأَنفُسِكُمْ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّكُم مُّلاَقُوهُ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ
"তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।" সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত ২৩।
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاء بِمَا فَضَّلَ اللّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنفَقُواْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللّهُ وَاللاَّتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ وَاضْرِبُوهُنَّ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلاَ تَبْغُواْ عَلَيْهِنَّ سَبِيلاً إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا
"পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।" সূরা আন নিসা আয়াত ৩৪।
وَاللاَّتِي يَأْتِينَ الْفَاحِشَةَ مِن نِّسَآئِكُمْ فَاسْتَشْهِدُواْ عَلَيْهِنَّ أَرْبَعةً مِّنكُمْ فَإِن شَهِدُواْ فَأَمْسِكُوهُنَّ فِي الْبُيُوتِ حَتَّىَ يَتَوَفَّاهُنَّ الْمَوْتُ أَوْ يَجْعَلَ اللّهُ لَهُنَّ سَبِيلاً
"আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন।"
**প্রায়শ মুসলিম ভাইদের বলতে শুনা যায় - "ইসলাম নারীদের দিয়েছে চরম সম্মান, ইসলামের ছায়া তলে নারীরা পেয়েছেন তাদের প্রাপ্য মর্যাদা,ইসলামের মত অন্য কোন ধর্মে নাকি নারীর স্বাধীনতা নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই কি তাই? আমারে একটু ব্যাখ্যা করেন তো দেখি।কি ভিত্তি আছে আপনাদের এই মিথ্যা দাবীর? আপনাদের ধর্মের সরুপটা দেখি।আপনি ব্যাখ্যা এই তিনখানা আয়াতের ব্যাখ্যা দিয়াও দিতে পারেন কিংবা উপরে আমার শর্ত মেনেও দিতে পারেন আমি কিন্তু তর্ক করব শুধু বিজ্ঞান, দর্শন কিংবা মানবতার বিচারে। ধন্যবাদ। আসুন দেখি মুসলিম আস্তিক ভাইদের ইসলাম সম্পর্কে যুক্তি গুলি একটু জানার চেষ্টা করি" **

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

