
মানুষ সুন্দর না হলেও চেহারায় একটা মাধুর্য্য থাকে এই কথাটা আমার এক বান্ধবী বলল অন্য এক বান্ধবীর জামাইকে দেখে।
আমি বললাম এমন করে বলছ কেন? নিশ্চয় যোগ্যতা আছে।
তারপরে সে বলল কদাকার বা কুৎসিতের বিয়ে করতে সমস্যা নেই কিন্তু শুধুমাত্র যোগ্যতা আছে বলেই একটা মায়াবতী মেয়েকে কামলা টাইপের চেহারার লোকের কাছে বিয়ে দেয়া অন্যায়।
আমি বললাম কামলা মানে শ্রমজীবি, খেটে খাওয়া মানুষ, তুমি এদের তুচ্ছ কর?
সে বলল না না, মোটেই তা নয় আমি আসলে ওটা দিয়ে চাহারায় যে সব মানুষের হিংস্রভাব ফুটে উঠে তাদের বুঝাতে চেয়েছি।
ইউনিভার্সিটিতে ২য় বর্ষে অপরাধ বিজ্ঞান পড়তে যেয়ে চেহারা বেশ-ভূষা কিভাবে মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে সে সম্পর্কে লমব্রোসোর তত্ত্ব পড়েছিলাম। আমার বান্ধবীর কথা শুনে সেই অপরাধ বিজ্ঞানীর কথা মনে পড়ে গেল।
আমি ভাবতে বসে গেলাম মায়াবতী মেয়েদের কি আসলেই কুৎসিত পুরুষকে বিয়ে করতে নেই?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ৭:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



