
জালিয়াতিদের কঠিন বিচার হওয়া দরকার । এরা দেশ ও জাতির সব থেকে বড় শত্রু।
পত্রিকায় খবরটি পড়ে মনে হল আজ আসলে নকলের দক্ষলে দেশ ও জাতি অতল ভরা মিথ্যের সমুদ্রের জলের এর তলে হারিয়ে যাচ্ছে ।
১। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি নেয়ার অভিযোগে ১৯জন পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গ্রেফতার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানার বাসিন্দা।
প্রশ্নঃ পুলিশের চাকুরি বলে কথা ! এরা ওই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র পেলেন কোথায় ?
এবং যে ব্যক্তিরা এদের কাছে ভুয়া সনদপত্র বিতরন করল তাদের ব্যাপারে বা ওই সকল ব্যক্তিদের ব্যপার সরকার কোন পদক্ষেপ নিছেন কি ?
২। এদের বিরুদ্ধে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া ও জাল সনদ দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশ বিভাগে কনস্টেবল পদে চাকরি নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
প্রশ্নঃ কথা হল প্রথমে যখন এদের চাকুরি দেয়া হয়েছে তখন কাগজ পত্র যে ব্যক্তি চেক করেছিলেন আইমিন যে পুলিশ বেটায় তাদের কাগজ পত্র জমা নিছেন সে কি কাঠের চশমা পড়েছিলেন নাকি মোট অংকের ঘুষ খেয়েছিলেন ।
৩। ২০১২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে পুলিশে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ পেলে অনুসন্ধানে নামে দুদক। দুদকের দায়ের করা মামলায় মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদ নেওয়ার অভিযোগে চাকরি নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রত্যেকের বাবাকেও আসামি করা হয়েছে।
প্রশ্নঃ এদের বাবাদের কি দোষ ? এদের বাবারাতো আর তাদেরকে চাকুরি দেয় না বা তাদের কাগজপত্রও তাদের বাবারা দেখেন নাই ।
৪। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেয়ার অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। এর আগে এমন অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে এসেছে। চাকরি নেয়ার অভিযোগ ছাড়াও চাকরিরত অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অন্যান্য সুযোগ, যেমন চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে নেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
প্রশ্নঃ তাহলে দেশের পুলিশ কমিশনার সহ ডিপারমেন্টের সবাই দেখছি অন্যায় অনিয়ম এবং দূর্নীতির সাথে জড়িত আছে । তাহলে বিচার শুধু গোটা কয়েকজনের কেন ?
বিচার হলে পুরা ডিপার্মেন্টেরি হওয়া ধরকার না কি ?
তথ্যসূত্রঃ
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

