আমার মহব্বত ছিলো শত ভাগ বিশুদ্ধ সালফিঊরিক এসিডের মতো,ঝাঁজ ছিলো একটু বেশী আর তাই যেদিন আমি তোর সম্পর্কে কিছু জেনেছি সেদিনই ফিরে এসেছিলাম;জেনে অবাক হবি!তোর জন্মদিনে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে দোয়া চাইতাম,অথচ এখন এসবের খোঁজই রাখিনা;আমি নিজেই টাস্কিত হয়ে গেলাম আজ এ বিষয়টা ভেবে,আশ্চর্য!
আমি পুরুষ তাই কাঁদতে পারতাম না,তবে কী পরিমাণ অসহনীয় যন্ত্রণা ভেতরে ভেতরে হতো!সেটা আর অনেকে বোঝলেও তুই অন্তত বোঝবি না আর এটাই আমার সৌভাগ্য!
কারণ তুই যদি বুঝে যেতিস-আমাকে আবার ফিরে যেতে হতো;
সারারাত নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমের পরে,আমার যবে ঘুম ভাঙ্গতো!বালিশ ছাড়ার আগে তোর ছবিটা দেখে নিতাম প্রাণভরে,ওটা তখনকার কথা যবে তুই আমাকে নিয়ে গিয়েছিলি অবহেলার চূড়ান্ত সীমানায়,
আমি হয়ে গিয়েছিলাম মাছের মতো-পুকুরের মাছ যেমন না বোঝে বার বার টোপ গিলে আর ধরা পড়ে আমিও তেমনই বার বার তোর দেয়া টোপ গিলতাম আর ধরা পড়তাম।
কম করিসনি শয়তান;ইহাকে তোমরা আধুনিকারা ফ্লার্টিং বলো!সিরিয়াল কিলার নরহত্যা করে একধরনের পৈশাচিক আনন্দ পায় তেমনই তোমরা সিরিয়াল ফ্লার্টার গুলো ফ্লার্ট করে করে এক ধরনের মজা পাও।
আমি নিতান্তই সরলতা সম্পন্ন মানুষ,অতো বড় সাইজের মাছ নয় যাকে খেলিয়ে খেলিয়ে পাড়ে তুলতে হয়।
তবুও তো খেলেছিলি!
বড্ডো কষ্ট হয় একবারটির জন্য তোকে বিশেষ কিছু বলে সম্বোধন আমি করতে পারিনি,পারিনি একটা চিঠি তোকে লিখতে,পারিনি একটা ছবি তোর সাথে তুলতে,পারিনি তোর হাতটা একবার ধরতে ধরতে,অথচ দিনের পর দিন রাতের পর রাত শুধু তোর কথাটাই ভেবেছি।আমার অস্তিত্বের সাথে তোকেই জড়ানোর চিন্তা করেছি।
এতো কিছু!কেন এমন ছিলাম?
অথচ পোড়ারমোখি-এতো কিছুর পর আমার অর্জন শূণ্য!আমার জন্য কিচ্ছুটি থাকলোনা,আমি ফিরেছি খালি হাতে।
আবার একটু অবাক হ: আমি তোর জন্য আর পথপানে না চেয়ে থাকলেও,মনে প্রানে চাই ফুল চন্দন ফুটুক তোর কপালে,
তুই সূখী হ: আমার দোয়া,হবি আমার বিশ্বাস।
জানিস?আজ তোকে ভীষণ গালিগালাজ করতে ইচ্ছা করছে!গালি দেয়ার অধিকার আমার আছে,কিন্তু কী হবে নতুন দৃশ্যের সূত্রপাত ঘটিয়ে?তার চাইতে আমি তোকে ঘৃনা করা শুরু করি এটাই সমুচিত হবে বলে আমি মনে করি।
আমি তোকে ঘৃণা করি-প্রচন্ড ঘৃণা-প্রাণ ভরে শুধু ঘৃণাই করি।
তুই বেঁচে থাক আমার ঘৃণা নিয়েই।
পুনশ্চঃ আর কোনো ফাঁদ তৈরী করবিনা কৃপা করে,আমাকে আমার মতো বাঁচতে দিস।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


