somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

'সালাতুত তাসবিহ' বা 'তাসবিহ এর নামাজ'; একটি দলিলভিত্তিক আলোচনা এবং এই নামাজ আদায়ের নিয়ম

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি: অন্তর্জাল।

'সালাতুত তাসবিহ' বা 'তাসবিহ এর নামাজ'; একটি দলিলভিত্তিক আলোচনা এবং এই নামাজ আদায়ের নিয়ম

'সালাতুত তাসবিহ' বা 'তাসবিহ এর নামাজ' কি?
যে নামাজে বার বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি পড়া হয়, ওই নামাজকে সালাতুত তাসবিহ বা তাসবিহ-এর নামাজ বলে। এ নামাজের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই নামাজের ফজিলত তিনি তাঁর চাচা হজরত আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বর্ণনা করে শুনান। দীর্ঘ হাদিসটি এখানে তুলে ধরা হলো-

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ لِلْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ: يَا عَبَّاسُ، يَا عَمَّاهُ، ” أَلَا أُعْطِيكَ، أَلَا أَمْنَحُكَ، أَلَا أَحْبُوكَ، أَلَا أَفْعَلُ لَكَ عَشْرَ خِصَالٍ إِذَا أَنْتَ فَعَلْتَ ذَلِكَ، غَفَرَ اللَّهُ لَكَ ذَنْبَكَ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَقَدِيمَهُ وَحَدِيثَهُ، وَخَطَأَهُ وَعَمْدَهُ، وَصَغِيرَهُ وَكَبِيرَهُ، وَسِرَّهُ وَعَلَانِيَتَهُ، عَشْرُ خِصَالٍ: أَنْ تُصَلِّيَ أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ، تَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٍ، فَإِذَا فَرَغْتَ مِنَ الْقِرَاءَةِ فِي أَوَّلِ رَكْعَةٍ، قُلْتَ وَأَنْتَ قَائِمٌ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ خَمْسَ عَشْرَةَ مَرَّةً، ثُمَّ تَرْكَعُ فَتَقُولُ وَأَنْتَ رَاكِعٌ عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ الرُّكُوعِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَهْوِي سَاجِدًا فَتَقُولُهَا وَأَنْتَ سَاجِدٌ عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ السُّجُودِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَسْجُدُ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، ثُمَّ تَرْفَعُ رَأْسَكَ مِنَ السُّجُودِ فَتَقُولُهَا عَشْرًا، فَذَلِكَ خَمْسَةٌ وَسَبْعُونَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ، تَفْعَلُ فِي أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ، إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تُصَلِّيَهَا فِي كُلِّ يَوْمٍ مَرَّةً فَافْعَلْ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَفِي كُلِّ جُمُعَةٍ مَرَّةً، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَفِي كُلِّ شَهْرٍ مَرَّةً، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَفِي عُمُرِكَ مَرَّةً“

ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেন, হে চাচা! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে প্রদান করব না? আমি কি আপনার নিকটে আসব না? আমি কি আপনার জন্য দশটি সৎ গুনের বর্ণনা করব না যা করলে আল্লাহ তা’আলা আপনার আগের ও পিছনের, নতুন ও পুরাতন, ইচ্ছায় ও ভুলবশত কৃত, ছোট ও বড়, গোপন ও প্রকাশ্য সকল গুনাহ মাফ করে দেবেন? আর সে দশটি সৎ গুন হলো: আপনি চার রাকাআত নামাজ পড়বেন। প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়বেন। প্রথম রাকাআতে যখন কিরা’আত পড়া শেষ করবেন তখন দাঁড়ানো অবস্থায় ১৫ বার বলবেন:

سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার

এরপর রুকুতে যাবেন এবং রুকু অবস্থায় উক্ত তাসবিহ ১০ বার পড়বেন। এরপর রুকু থেকে মাথা উঠাবেন এবং ১০ বার পড়বেন। এরপর সিজদায় যাবেন। সিজদারত অবস্থায় ১০ বার পড়বেন। এরপর সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন অতঃপর ১০ বার পড়বেন। এরপর আবার সিজদায় যাবেন এবং সিজদারত অবস্থায় ১০ বার পড়বেন। এরপর সিজদা থেকে মাথা ওঠাবেন এবং ১০ বার পড়বেন। এ হলো প্রতি রাকাআতে ৭৫ বার। আপনি চার রাকাআতেই অনুরূপ করবেন। যদি আপনি প্রতিদিন আমল করতে পারেন, তবে তা করুন। আর যদি না পারেন, তবে প্রতি জুমুআয় একবার। যদি প্রতি জুমুআয় না করেন তবে প্রতি মাসে একবার। আর যদি তাও না করেন তবে জীবনে একবার। - সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং- ১২৯৭, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ১৩৮৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং- ১২১৬, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং- ৪৬৯৫, তিরমিযি- ১/১০৬, হাদিস নং- ১২৯৯

হাদীসের মান: সহীহ।

এই হাদীসটিকে যারা সহীহ বলেছেন-

১. ইমাম আবু দাউদ, হাদীস নং-১২৯৭

২. ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন, এর সনদ হাসান। [আলখিছাল-১/৪১]

৩. আল্লামা ওয়াদেয়ী বলেন, এই হাদিসের সনদ হাসান। [সহীহুল মুসনাদ, হাদীস নং-৫৮২]

৪. ইবনুল মুলাক্কিন বলেন, এর সনদ উত্তম। আবদারুল মুনীর-৪/২৩৫]

৫. ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন, হাসান। [তাখরীজুল মিশকাতুল মাসাবীহ-২/৭৮]

৬. নাসীরুদ্দীন আলবানী বলেছেন, হাদীসটি সহীহ। [সহীহুল জামে,হাদীস নং-৭৯৩৭]

৭. ইমাম তিরমিযি রহ. ‘সালাতুত তাসবিহ-সংক্রান্ত হাদিসকে বলেছেন : حسن صحيح আল-মুসতাদরাক কিতাবের মধ্যে এ হাদিস সম্পর্কে মন্তব্য করা হয়েছে : هذا حديث صحيح على شرط مسلم و شاهده حديث اليمانيين في صلاة التسبيح

তাছাড়া নাসির উদ্দিন আলবানি সালাতুত তাসবিহ’র হাদিস সম্পর্কে বলেছেন :
حسن الإسناد [তিরমিযি হাশিয়াসহ : ২য় খন্ড, ৩৪৭]

৮. তুহফাতুল আহওয়াযির লেখক বলেন :

كان عبد الله بن المبارك يفعلها وتداولها الصالحون بعضهم من بعض وفيه تقوية للحديث المرفوع

অর্থ : আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক রহ. সালাতুত তাসবিহ আদায় করতেন। নেককার-বুযুর্গগণ একজনের কাছ থেকে আরেকজন এ নামায শিখতেন। এর দ্বারা মারফু হাদিস আরো শক্তিশালী হয়েছে। অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের মতো মুহাদ্দিস এবং বুযুর্গ ব্যক্তিবর্গ সালাতুত তাসবিহ পড়ার দ্বারা বুঝা যায়, মারফু হাদিসটি সহিহ ও আমলযোগ্য। কারণ, কোনো বিষয়ে সালাফদের আমল থাকার অর্থই হচ্ছে বিষয়টি প্রমাণিত। [২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪৮৯]

ইমাম তিরমিযিও প্রায় এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। সালাতুত তাসবিহ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে উক্ত হাদিসের অধীনে যে-কোনো ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখা যেতে পারে।

এছাড়াও ইমাম দারা কুতনী রহ., খতীব আল বাগদাদী রহ., আবু মুসা আলা মাদানী, ঈমাম হাকেম রহ., ঈমাম সুয়ুতী রহ. প্রমুখ সহীহ বলেছেন।

আর যারা দুর্বল বলেছেন তারা হলেন: ইমাম ইবনুল জাউযী রহ., সিরাজুদ্দীন আল কাজউয়ীনী রহ., ইবনে তাইমিয়াহ রহ. প্রমুখ।

তবে সার্বিক বিবেচনায় হাদীসটি হাসান, যা সহিহ হাদীসের আওতাভুক্ত। অতএব এ হাদীস অনুযায়ী আমল করা শুদ্ধ হবে। তারপরও নিচে দলিল উপস্থাপন করা হল তাদের জন্য যারা কথায় কথায় উক্ত ফজিলতপূর্ন আমলটিকে বাতিল বা বিদ’আত বলে ফতোয়া দেয়ার অপচেষ্টা করেন:

১। দূর্বল হাদীসের ব্যাপারে ইমাম নববী রহ. বলেন- “দূর্বল (যদি জাল না হয় বা এর বিপরীতে সহীহ হাদীস বিদ্যমান না থাকে তবে সে) হাদীসের উপর আমল করা জায়েয বরং মুস্তাহাব।” [ইমাম নববী, আল আযকার, পৃঃ ৭]

২। ইমাম সুয়ুতি রহ. বলেন- “ফজিলতের ক্ষেত্রে দূর্বল হাদিস গ্রহনযোগ্য।” [সূয়ূতী, তাদরীজুর রাবী ১/৩৫০; আবদুল হাই লাখনবী, যাফরুল আমানী ২০৯-২২৪]

সালাতুত তাসবিহ আদায়ের নিয়মঃ
আগেই জেনেছি সালাতুত তাসবিহ চার রাকাআত। প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতিহার পর যে কোন সূরা পড়তে পারেন। তবে এই নামাযের বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রাকাআতে ৭৫ বার করে চার রাকাআতে মোট (৭৫*৪=৩০০) বার নিচের তাসবীহটি পড়তে হবে।

سُبْحاَنَ الله وَالْحَمدُ للهِ وَلآَ اِلَهَ اِلاَّاللهُ وَاللهُ اَكْبرُ

উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

১. ১ম রাকাআতে সানা পড়ার পরে তাসবীহটি ১৫ বার পড়তে হবে।

২. তারপর স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা অথবা অন্তত তিন আয়াত পড়ার পরে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

৩. এরপর রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ পড়ার পরে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

৪. এরপর রুকু হতে দাঁড়িয়ে 'রাব্বানা লাকাল হামদ' পড়ার পরে তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে ।

৫. এরপর সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পাঠের পরে এই তাসবীহ ১০ বার পড়তে হবে ।

৬. প্রথম সিজদা থেকে বসে তাসবীহটি আবার ১০ বার পড়তে হবে ।

৭. এরপর পুনরায় সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পাঠের পরে এই তাসবীহ ১০ বার পড়তে হবে ।

৮. তারপর একইভাবে নামাজের ২য় রাকাআত আদায় করতে হবে, কিন্তু সুরা ফাতিহা পড়ার আগে তাসবীহটি ১৫ বার পড়তে হবে।

৯. অতপর ২য় রাকাআতের ২য় সিজদার পর 'আত্তহিয়্যাতু…', দরুদ আর দোয়া পড়ার পরে সালাম না ফিরিয়ে, ২য় রাকাআতের মতো ৩য় এবং ৪র্থ রাকাআত একই প্রক্রিয়ায় শেষ করতে হবে। অর্থাৎ, তাসবীহটি ১৫ বার পড়ে স্বাভাবিক নিয়মে সুরা ফাতিহা ও অন্য আরেকটি সুরা পড়তে হবে। এভাবে নামাজ শেষ করতে হবে।

আল্লাহ পাক এই নামাজ আমাদের বেশি বেশি আদায় করার তাওফিক দান করুন। এর মাধ্যমে আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করুন। আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১২
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×