somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

প্রিন্টার কি? আসুন, জেনে নিই বিভিন্ন ধরণের প্রিন্টার সম্মন্ধেঃ

০৩ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিঃ অন্তর্জাল।

প্রিন্টার কি? আসুন, জেনে নিই বিভিন্ন ধরণের প্রিন্টার সম্মন্ধেঃ

আধুনিক এই কম্পিউটারের যুগে ধীরে ধীরে আমরা নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হচ্ছি। একসময় টাইপ রাইটার দিয়ে আমাদের প্রয়োজনীয় লেখাজোখার কাজ সারতে হতো। খটখট শব্দে টাইপ রাইটার চালনার শব্দ এখনও যেন কানে বাজে। কত মানুষের জীবন জীবিকার মাধ্যম ছিল সেই টাইপ রাইটার মেশিন। কিন্তু কালের পরিবর্তনে আজ আর ব্যবহার নেই টাইপ রাইটারের। এখন কোনো কিছু টাইপ করার পদ্ধতিতে যেমন পরিবর্তন এসেছে ঠিক তেমনি তা প্রিন্ট করার ক্ষেত্রেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। কম্পিউটার এসে আমাদের জীবন যাপনের অনেক কিছুতে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছে। এককথায় এটিকে উন্নয়নের বিপ্লব বলা যায়। এখন আর একটি একটি অক্ষর টাইপ করে করে ছাপাতে হয় না; এখন শত শত পৃষ্ঠা প্রিন্ট করার জন্য কম্পিউটারের মাউসের একটিমাত্র ক্লিক বা কমান্ডই যথেষ্ট। এখনকার দিনে প্রিন্টারগুলোতেও এসেছে আধুনিক সংযোজন। দিনে দিনে এর আপগ্রেডেশন চলছেই। আগামীতে প্রিন্টার প্রযুক্তিতে আরও নতুন নতুন উদ্ভাবন আমাদের এই কাজকে হয়তো আরও সহজ করে দিবে। আরও সুন্দর ঝকঝকে করবে। সেই দিনগুলোর প্রত্যাশায়.....

প্রিন্টার কি?

প্রথমেই আসুন, দেখে নেয়া যাক, প্রিন্টার কি। প্রিন্টার হল একটি পেরিফেরাল ডিভাইস যা গ্রাফিক্স, ইমেজ এবং টেক্সট ডকুমেন্ট কাগজে অথবা অন্য কোনো কিছুর উপরে প্রিন্ট করে বা ছাপা আকারে বের করে দেয়। প্রিন্টারকে আউটপুট ডিভাইসও বলা হয়। অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা। প্রিন্টারের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর। বেশি রেজ্যুলেশনের প্রিন্টার নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করে থাকে। প্রিন্টারের রেজ্যুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (DPI)। DPI এর পূর্নরূপ হলো Dost Per Inch । প্রিন্টার একটি অফ লাইন ডিভাইস। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার পাওয়া যায় যেগুলাের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ইমপ্যাক্ট বা ধাক্কা প্রিন্টার ও নন-ইমপ্যাক্ট অধাক্কা প্রিন্টার।

প্রিন্টারের পেছনের কিছু তথ্যঃ

পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রিন্টার ছিল ১৯'শতকের চার্লস ব্যবেজ কর্তৃক আবিষ্কৃত ডিফারেন্স ইঞ্জিনের জন্য যন্ত্রটি।[১] এই যন্ত্রটিতে লোহার রডে অক্ষর ছাপা থাকতো আর কাগজগুলো রডের নিচে রাখা হত। এভাবে ছাপার কাজ করা হত। প্রথম বাণিজ্যিক প্রিন্টারগুলো যেমন ইলেক্ট্রিক টাইপরাইটার এবং টেলিটাইপ মেশিন এই পদ্ধতিতে কাজ করত। দ্রুতগতির প্রিন্ট নেয়ার চাহিদা থেকে নতুন ধরনের পদ্ধতি আবিষ্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল, বিশেষ করে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারের জন্য। ১৯৮০ দশকে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলো যেমন ডেইজি হুইল পদ্ধতির মিল ছিল টাইপরাইটারের সাথে। লাইন প্রিন্টার একই ধরনের আউটপুট দিত কিন্তু আরেকটু দ্রুত গতিতে। ডট মেট্রিক্স পদ্ধতি যাতে লেখা এবং গ্রাফ বা ছবি একত্রে প্রিন্ট করা যেত, কিন্তু তা নিম্ন মানের হত। ব্লুপ্রিন্টের মত উচ্চ মানের গ্রাফিক্সের জন্য প্লটার ব্যবহার করা হত।

১৯৮৪ সালে কম খরচে প্রথম এইচপি লেজারজেট লেজার প্রিন্টার পরবর্তী বছর অ্যাপলের পোস্টস্ক্রিপ্ট লেজার রাইটারের মধ্যদিয়ে ডেস্কটপ প্রকাশনা মুদ্রণে বিপ্লব আসে।

১৯৯০ এবং ২০০০ দশকের সময়ে ইন্টারনেট ইমেইলের দ্রুত বিস্তার ও ব্যাপক ব্যবহার মুদ্রণের প্রয়োজনীয়তাকে ম্লান করে দেয়। বিভিন্ন ধরনের বহনযোগ্য সংরক্ষন ব্যবস্থার কারণে কাগজে মুদ্রিত লেখার প্রয়োজন কমার অন্য আরেকটি কারণ। এমনকি কাগজে মুদ্রিত লেখা যা অফলাইন (ইন্টারনেটে নয় এমন) পড়ার জন্য যেখানে ব্যবহার করা হত যেমন বিমানযাত্রা বা গণপরিবহনে সেখানেও এখন ইবুক রিডার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়। আজকাল প্রিন্টারগুলো ব্যবহার করা হয় বিশেষ উদ্দেশ্যে যেমন ছবি বা শিল্পকর্ম প্রিন্ট করতে। আগের মত আবশ্যকীয় পেরিফেরাল হিসেবে এখন প্রিন্টার আর ব্যবহার করা হয় না।

২০১০ সালের থেকে ৩য় মাত্রার মুদ্রণে ব্যপক আগ্রহ দেখা গেছে যাতে বাস্তবিক বস্তুর প্রতিরূপ মুদ্রণ সম্ভব যেমনটা আগের লেজার প্রিন্টারে একটি চালান প্রিন্ট করা হত। সূত্রঃ উইকিপিডিয়া।

ইমপ্যাক্ট (Impact Printer) বা ধাক্কা প্রিন্টারঃ

যে প্রিন্টারে প্রিন্টহেড যে কাগজে ছাপা হয় তাকে স্পর্শ করে, তাকে ইমপেক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এটি একটি ধীরগতি সম্পন্ন প্রিন্টার। ধাক্কা প্রিন্টার দিয়ে টাইপরাইটারের মতাে কাগজের উপর চাপ দিয়ে লেখা হয়। এই প্রিন্টারের রেজ্যুলেশন কম। প্রিন্টের সময় বিরক্তিকর শব্দ হয়। ধাক্কা প্রিন্টার দুই ধরনের হয়। যথা–

লাইন প্রিন্টার (Line Printer)
সিরিয়াল প্রিন্টার (Serial Printer)

লাইন প্রিন্টার (Line Printer)

লাইন প্রিন্টারে প্রতিবারে একটি সম্পূর্ণ লাইন ছাপা হয়। এটি ধাক্কা প্রিন্টারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির। লাইন প্রিন্টার প্রতি মিনিটে ২০০ থেকে ৩০০০ লাইন ছাপতে পারে। লাইন প্রিন্টারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা - চেইন প্রিন্টার (Chain Printer) এবং ড্রাম প্রিন্টার (Drum Printer)।

সিরিয়াল প্রিন্টার (Serial Printer) বা বর্ণ প্রিন্টার (Character Printer)

সিরিয়াল প্রিন্টারে টাইপ রাইটারের মতাে একবারে মাত্র একটি বর্ণ ছাপা হয়। একে বর্ণ প্রিন্টার ও (Character Printer) বলে। এগুলাে ধীরগতি সম্পন্ন। এ সকল প্রিন্টারের দাম কম কিন্তু এটি এক নাগাড়ে ঘণ্টাখানেকের বেশিক্ষণ কাজ করতে পারে না, উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। সিরিয়াল প্রিন্টারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা–

ডট ম্যাট্রিক্স (Dot Matrix) ও
ডেইজি হুইল (Daisy Wheel)

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot Matrix Printer)

ডট ম্যাটিক্স প্রিন্টার একটি জনপ্রিয় প্রিন্টার। তবে এর গতি অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায় কম। আয়তাকারে সাজানাে কতকগুলাে বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে। যেমন; বিন্দুগুলাে ৮টি সারি এবং ১২টি স্তম্ভে সাজানাে থাকলে তাকে বলে ৮ x ১২ ডট ম্যাট্রিক্স। এই বিন্দুগুলাের মধ্যে কিছু বিন্দু নির্বাচন করে যেকোন বর্ণ ফুটিয়ে তােলা যায়।
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে লেখার জন্য ছােট পিনে গ্রিড ব্যবহার করা হয়। অনেকগুলাে পিনের মাথা রিবনের উপর আঘাত করে কাগজের উপর বিন্দু বসিয়ে অক্ষর তৈরি করা হয়। সাধারণত এ প্রিন্টারে ৭, ৯ অথবা ২৪টি পিন থাকে, যেগুলাে লাইন বরাবর চলাচল করে বিন্দুর মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে। এ প্রিন্টারে ছাপা অক্ষর, প্রতীক বা ছবি সূক্ষ্ম হয় না। এ ধরনের প্রিন্টার বেশ ধীরগতিসম্পন্ন হয়। এর গতি পরিমাপক একক cps। cps এর পূর্ণরূপ হলো characters per second.

ডেইজি হুইল (Daisy Wheel Printer)


ডেইজি হুইল প্রিন্টার হলাে এক ধরনের কোয়ালিটি প্রিন্টার। এ প্রিন্টারে একটি চ্যাপ্টা চাকার সঙ্গে সাইকেলের স্পোকের মতাে অনেকগুলাে স্পোক (Spoke) লাগানাে থাকে। প্রতিটি স্পােকের মাথায় একটি বর্ণ এমবস করা থাকে। এ চাকা বাম থেকে ডানদিকে বা ডান থেকে বামদিকে সরতে পারে আবার ঘুরতে পারে। চাকা ও কাগজের মাঝখানে কালির রিবন থাকে। কোন বর্ণ ছাপাতে ডেইজি হুইল এমন জায়গায় সরে যায় যাতে সবচেয়ে উপরের স্পােক কাগজের যেখানে ছাপাতে হবে সেখানে থাকে। এবার চাকা ঘুরে বর্ণ ছাপাতে হলে স্পােক সবচেয়ে উপরে চলে আসে। সঙ্গে সঙ্গে একটি হ্যামার এ স্পােকের মাথায় আঘাত করে ফলে কাগজে ঐ বর্ণ ছাপা হয়ে যায়। স্পােকগুলােসহ চাকাকে একটি ডেইজি ফুলের মতাে দেখতে বলে এর এই নাম।

অধাক্কা বা নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার (Non-Impact Printer)

অধাক্কা প্রিন্টারে চাপ না দিয়ে উত্তাপ দিয়ে অথবা অন্য কোন উপায়ে কাগজে লেখা হয়। বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অধাক্কা প্রিন্টার হলো–

১। ইঙ্ক জেট প্রিন্টার (Ink jet Printer)
২। লেজার প্রিন্টার (Laser Printer)
৩। থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer)
৪। স্থির বিদ্যুৎ প্রিন্টার (Electrostatic Printer)

ইঙ্ক জেট প্রিন্টার (Ink jet Printer)

ইঙ্ক জেট প্রিন্টারে কতকগুলাে সূক্ষ্ম সূচিমুখ (Nozzle) থেকে বৈদ্যুতিক চার্জযুক্ত কালি বেরিয়ে এসে কাগজের দিকে ছুটে যায়। একটি তড়িৎক্ষেত্র এ চার্জযুক্ত কালির সূক্ষ্ম কণাগুলােকে ঠিকমতাে সাজিয়ে দিয়ে কাগজের উপর কোন বর্ণকে ফুটিয়ে তােলে। স্বল্পদামী প্রিন্টার হিসেবে ইঙ্কজেট প্রিন্টার জনপ্রিয়। সাধারণত বাসাবাড়িতে ইঙ্কজেট প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। ক্যানন বাবলজেট, এইচপি ডেস্কজেট, এপসন স্টাইলাস ইত্যাদি প্রিন্টারসমূহ ইঙ্কজেট প্রিন্টার।

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer)

লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তােলা হয়। এর দ্রতিও অনেক বেশি (10000 lpm)। উন্নত মডেলের লেজার প্রিন্টারে প্রতি মিনিটে ২৫০ পৃষ্ঠা এবং ৩০০ থেকে ১২০০ রেজুলেশনে প্রিন্ট করা যায়। সাধারণত ডেক্সটপ পাবলিশিংয়ের কাজে লেজার প্রিন্টার ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। লেজার প্রিন্টারের ছাঁপা খুবই উন্নতমানের। লেজার প্রিন্টারে মুদ্রণের জন্য লেজার রশ্মি বা আলােক রশ্মি একটি আলােক সংবেদনশীল ড্রামের উপর মুদ্রণযােগ্য বিষয়ের ছাপা তৈরি করে। তখন লেজার রশ্মির প্রক্ষেপিত অংশ টোনার থেকে গুঁড়াে কালি আকর্ষণ করে। এর পর ড্রাম সেই টোনারকে কাগজে স্থানান্তরিত করে। কাগজের উপর পতিত টোনার উচ্চ তাপে গলে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসে যায়। এভাবেই লেজার প্রিন্টারে মুদ্রণের কাজ সম্পন্ন হয়।

থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer)

এর প্রিন্টহেড অনেকটা ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের মতো, তবে পিনের বদলে থাকে কতকগুলাে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু। ছাপার কাগজে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানাে থাকে। কোন বর্ণ ছাপাতে হলে তার অনুরুপ বিন্দু রােধকগুলাের তাড়প্রবাহ দ্বারা উত্তপ্ত করা হয়, এতেই কাগজে সেই বর্ণের ছাপ উঠে যায়। এ ছাপানাের গতি 500 LPM.

স্থির বিদ্যুৎ প্রিন্টার (Electrostatic Printer)

এখানে কতকগুলাে বৈদ্যুতিক নিব থাকে যাকে বলে স্টাইলাস। এর দ্বারা লেখা হয়। বিশেষ ধরনের কাগজে এই নিব দ্বারা কোন বর্ণের ডট ম্যাট্রিক্স উৎপন্ন করা হয়, তবে এই ডটগুলাে হয় বৈদ্যুতিক চার্জের। এবার এই কগজকে বিপরীত চার্জযুক্ত রঙের গুড়ার মধ্যদিয়ে নিয়ে গেলে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের জন্য রঙের গুড়া প্রত্যেক ডটে আটকে যায়। ফলে ডট ম্যাট্রিক্সের বর্ণটি ছাপা হয়ে যায়। এই প্রিন্টারে ছাপার মান ভালাে হয়। এটিও একটি দ্রুত গতিশীল প্রিন্টার।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৪
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫



ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে। এই স্থানটি খুবই নিরিবিলি। দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। এমন ফাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×