স্বাধীনতার পরও বঙ্গবন্ধুর ভূমীকা ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীকে একই সুতায় বেঁধে ফেলতে বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতার শত্রু যুদ্ধাপরাধীদের পর্যন্তক্ষমা করেছিলেন। সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতারা এমনটাই করে থাকেন যেমনটি করেছিলেন মহানবী হযরত মুহাদ্মদ(সা
পাকিস্তান জন্মই হয়েছিল দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে যার প্রণেতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ। পাকিস্তান স্বাধীন হবার পর এই জিন্নাই দ্বি-জাতি তত্ত্ব একেবারে উড়িয়ে দিয়ে ঘোষণা করেছিল পাকিস্তানের হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে সকলেই এক, সকলেই পাকিস্তানী।
আর ভারতের কথা, এইতো কদিন আগেই দেশের জনগণ বিভক্ত হয়ে পড়েছিল ক্যাথলিক খৃষ্টান ইতলীয় বংশ হতে উদ্ভূত নেত্রী সোনীয়া গন্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন কি না। কিন্তু সকল বিভক্তির অবসান ঘটিয়ে কংগ্রেস নেত্রী স্বেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
বাংলাদেশের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রাহমান বাঙ্গালী জাতীয়তার যায়গায় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবতন করেন শুধুমাত্র জাতীয় ঐক্যের দিক বিবেচনা করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানও এদের কারও ব্যাতিক্রম নন কেননা তিনি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ছিলেন এবং অবশ্যই তিনি এ ব্যাপারে কোন ভুল করেননি। কিন্তু আমাদের দেশের বঙ্গবন্ধুর অযোগ্য উত্তরাধিকার ও পাতি নেতাগণ বঙ্গবন্ধুর রায়ের বিরোধিতা করে স্বাধীনতার 35 বছর পরও তাদের বিচার চান। এ ব্যপারে তারা তাদের কট্টর মৌলবাদী মানষিকতা বারবার প্রর্দশন করে থাকে। তারা জেনেও ভুলে থাকতে চায় সেই অমর বানী Forgiveness is the fragrance of life. এর মাধ্যমে জাতিকে বহু শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত করা হবে এতে সন্ধেয় নাই।
তাই বঙ্গবন্ধু তোমাকে আমাদের আবার প্রয়োজন কেননা তুমি যে----
বঙ্গের বন্ধু,
বাংলাদেশের বন্ধু।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



