somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দূর্মুখের দল- খেলি তো গালে চপেটাঘাত !!

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এত ঢাক ঢোল পিটানো প্রচার-
!
প্রচারের ্যাবতী্য় এস্টাব্লিসমেন্টের সকল কুশীলব-
!
হলুদ মিডিয়ার শোরগুল-
!
খেকশিয়ালদের সম্মিলিত হুক্কাহুয়া-
!
সবার গালে কি সাংগাতিক চপেটাঘাতটাই পড়েগেলো গতকাল !
!
!
!
হঠাৎ করেই জটিল হয়ে গেল রাজনীতির সমীকরণ। হিসাব মিলছে না। কোথা থেকে কি হয়ে গেল বুঝতে পারছেন না কেউই। একটি সারপ্রাইজ রায় উলট-পালট করে দিয়েছে সব কিছু। রাজনীতির লড়াই আদালতে স্থানান্তর হওয়া অবশ্য এ ভূমে নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে বেশির ভাগ রাজনৈতিক ইস্যুরই মীমাংসা হয়েছে আদালতপাড়ায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মৃত্যুও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের টেবিলে।
বিএনপির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি ছিল ভিন্ন। মোড়ে মোড়ে সাঁজোয়া যান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ। কোথাও কোথাও বিজিবি-ও মোতায়েন করা হয়েছিল। সারপ্রাইজ রায়ের পর অবশ্য কোন কিছুই কাজে লাগেনি। তারেক রহমান অর্থ পাচার মামলায় খালাস পাওয়ায় বহুদিন পর একটি বড় সুসংবাদ পেলো জিয়া পরিবার। বিএনপিতেও ফিরে এসেছে স্বস্তি। যদিও আড়ালে থেকে বড় কোন শক্তি খেলছে কিনা এ নিয়েও কানাঘুষা রয়েছে। হাজার হাজার মাইল দূরে লন্ডনে বসে তারেক রহমান কি ভেবেছিলেন তা জানা যায়নি। তবে নিশ্চিতভাবেই এ রায়টি তার জীবনে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট হিসেবেই এসেছে। বিএনপির রাজনীতি বদলাতে চেয়েছিলেন তারেক রহমান। ড্রইং রুম থেকে রাজনীতিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তৃণমূলে। ফসলের উন্নত বীজ আর দেশের আয়তন বাড়ানোর চিন্তাও ছিল তার। এক যুগের বেশি সময়ের রাজনীতির ক্যারিয়ারে সাংগঠনকিভাবে বিএনপিতে সবচেয়ে কার্যকর নেতা হিসেবেই অভিষিক্ত হন তিনি। যদিও তরুণদের বেশি গুরুত্ব দেয়ার জন্য নিজ দলেও সমালোচনা আছে তার। তবে তারেক রহমানকে সবচেয়ে বেশি পুড়িয়েছে বিরোধীদের বাক আক্রমণ। জোট জমানায় হাওয়া ভবনে ক্ষমতার দ্বিতীয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। বিরোধীপক্ষের রাজনীতিবিদেরা তাদের প্রতিটি বক্তব্যে দুর্নীতি আর অর্থ পাচারের অভিযোগ আনেন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। এ যেন এক নিয়মিত পরিবেশনা। বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছিলেন তিনি। দুর্নীতির কেন্দ্র নয়, হাওয়া ভবনকে অভিহিত করেছিলেন গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে। এক-এগারো তার জীবনে নিয়ে আসে চরমতম বিপর্যয়। মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাকে। তবে তারেক রহমানের সঙ্গে নির্মমতার কাহিনী সেখানেই শেষ হয়নি। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে থাকার সময় তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন। যে নির্যাতনে পিঠের হাড় ভেঙে যায় তারেক রহমানের। পরে সুপ্রিম কোর্টের জামিনে চিকিৎসার জন্য চলে যান বৃটেনে। ফখরুদ্দীন সরকারের পর মহাজোট সরকারের আমলেও তার বিরুদ্ধে একের পর এক দায়ের করা হয় মামলা। সবচেয়ে উচ্চকিত অভিযোগ তিনি বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন। এফবিআই তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। এতে জাতির মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিটি জনসভাতেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তারেক রহমানের বিদেশে অর্থ পাচারের কথা। ক্ষমতাসীন অন্য নেতারাও একই অভিযোগ তুলেছেন। এখন তারা কি বলবেন তা-ই হবে দেখার বিষয়।
তৃণমূলের রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন তারেক রহমান। ঘুরে বেড়িয়েছেন ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়নে, গ্রাম থেকে গ্রামে। তার বিরুদ্ধে চলা দিনের পর দিন প্রচারণা কিছুটা হলেও আঁচড় কেটেছিল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনে। তবে একটি রায়ে বদলে গেছে দৃশ্যপট। বিরুদ্ধ শক্তি ক্ষমতায় থাকতেও আদালতের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হলেন তিনি। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও এ রায়ে তারেক রহমান ফিরে গেছেন আবার তৃণমূলে। যে তৃণমূলই তার রাজনীতির ধ্যান-জ্ঞান। এ এক রাজনীতিবিদের পুনরুত্থানের কাহিনী।
(মানবজমিন থেকে কপি-পেস্ট)বিসতারিত এখানে
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×