আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় “ঘুষ খাওয়া ভাল না খারাপ”?
আপনি বলবেন খারাপ।কিন্তু কেন খারাপ?
ঘুষ খেলে আপনার বাড়ি, গাড়ি, ফ্লাট হবে।বছর বছর নানা লোকেশনে ভ্যাকেশনে যেতে পারবেন। ছেলেমেয়েদের প্রাইভেট মেডিকেল,ভার্সিটিতে পড়াতে পারবেন।কিন্তু যদি সৎ,ন্যায়পরায়ণ হন তাহলে আপনি ঘুষ খাবেন না।তার ফলে দেখা যাবে হয়তো নিজের খাবারের পয়সা যোগাড় করতেই আপনাকে হিমশিম খেতে হবে।তাহলে তো প্রমাণ হয়ে গেল ঘুষ খাওয়া ভাল।আপনি হয়তো বলবেন ঘুষ খেলে আরেকজনের হক নষ্ট হয় এবং তার কষ্ট হয়।আমি বলবো,“অন্যের কষ্ট হোক,আমি সুখে থাকলেই হলো”।এবার হয়তো বলবেন আমাকে পুলিশ অথবা প্রশাসন চাকরীচ্যুত করে জেলে পাঠাবে।আমি বলবো না,কারণ পুলিশ এবং প্রশাসন ঘুষের পারসেন্টটেজ নিয়ে দেখেও না দেখার ভান করবে।
এবার হয়তো বলবেন নীতিবান লোক আমাকে পাকড়াও করবে।আমি বলবো,আমি নীতিবান লোকের উপরওয়ালাকে ঘুষ দিয়ে নীতিবানকে নীতিচ্যুত করবো।তাহলে তো প্রমাণ হয়ে গেল ঘুষ খাওয়া ভালো।কিন্তু ঘুষ শুধু একটাই কারণে খারাপ আর সেটা হলো পরকালের জবাবদিহিতা।পরকালের জবারদিহিতার বিশ্বাস শুধু ধর্ম থেকেই আসে।পরকালের বিশ্বাস না থাকলে যে কোন ভাল কাজের কোন যৌক্তিকতা থাকবে না।পরকালে বিশ্বাস অথ্যাৎ ধর্মে বিশ্বাস না থাকলে মিথ্যার কাছে সত্য পরাজিত হবে।
কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু মানুষ আছে
যাদের কাছে ধর্ম এলার্জির কারণ।তাদের কারনেই সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরী হয়ে থাকে।ধর্মকে জানতে হলে আলেমদের কাছে যান,কোরআন শরীফ এবং মহানবী(স.) এর জীবনী সম্পর্কে জানুন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


