ইতোমধ্যে আমার সমগোত্রীয়দের মধ্যে
এক অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে।
কার আগে কে; আমার গায়ে-
তকমার উত্তরীয় পরাবে তারা ঠিক করতে পারছে না।
আমি থামতে বলেছিলাম; কিন্তু থামতে চায়নি তারা; কারণ-
ধপ করে মাটিতে ছুড়ে ফেলবে বলেই এই অহেতুক কানাঘোষা।
না হয় তারা কি পারতো না দু’টো শব্দের ব্যবচ্ছেদ করতে,
পারতো না একটি বাক্য কি করে এফোড় ওফোড়
করে চলে যাবে আমাদের বুক-
তার নব সুত্র আবিষ্কারে আমাকে সাহায্য করতে।
অথবা বলতো এসব কিছুই হচ্ছে না?
ঘটনা শুনুন তবে-
এর আগে কে যেনো একজন জিজ্ঞেস করেছিলো;
মনে নেই,
আজ আবারো আরো একজন জিজ্ঞেস করলো সেই একই কথা -
কবিতা কোথায় থাকে; খাতায় নাকি মাথায়?
আমি বুঝতে পারিনি, জানতে চাইলাম কেন?
উত্তরে-
কবি হবার পূর্ব শর্ত।
হুমম…!
কবিতা মাথায় থাকে।
লাফিয়ে উঠে-
এইতো আপনি কবি হয়ে উঠছেন।
বুঝলাম না কবির সাথে এর সম্পর্ক কি ,
আমি শুধু বুঝলাম-
কবি কতোটুকু হয়ে উঠছি তা জানি না;
তবে তকমা যে লাগানো শুরু হয়ে গেছে
তা আমি নিশ্চিত বুঝে গেছি-
নিচে ফেলবে বলে।
এইসব ভাবতে ভাবতে;
একুশের এই বিকেলে হঠাৎ আকাশে দেখি
সূর্য ঢেকে একগুচ্ছ মেঘ হিমালয়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে।
আমি আরো দেখলাম মেঘের সাদা আর সূর্যের হলদে আভা মিলে
এক ঘিয়ে রঙ ধারণ করেছে আকাশ। বাহরে বাহ! আমি
অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।
কিন্তু; ক্ষানিক বাদেই সূর্য ডুবে গেলো, অন্ধকার নামলো।
অমনি মন খারাপের রাজ্যে ডুবে গেলাম,
আমার আবার মন খারাপ হলো...
এভাবেই আমি, মন খারাপের কথা বলি,
আমার বেদনার কথা বলি, এতো এতো না পাওয়ার
কথা বলি। সেই না পাওযা যখন ক্রোধে রুপ নেয় তখন
আমি আমার ঘৃনার কথা বলি।
আর এসব বললেই যদি কবি হওয়া যায়-
তবে আমরা সবাই কবি।
প্লিজ আমাকে কবি বলবেন না-
মৃত্যুরপর অবশ্যই পোস্টামার্টম হবে,
তখন না হয় সনদ দিয়ো।
আমি একজন অ-কবি,
অ-কবিতা লেখাই আমার কাজ,
আত্মরমন্থনেই আমি সাচ্ছন্দবোধ করি।
সো; সংস্কার কাজ চলছে-
অহেতুক “জ্বালাবেন” না।
(২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, টিএসসি, কমলাপুর)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



