এই বোধ আজ হোক কাল হোক সবার মাঝেই ছড়াবে। ছড়িয়ে পড়তেই হবে! শান্তিপূর্ণ অবস্থান এবং নিজ নিজ ইমেজ অস্তিত্ব রক্ষার খাতিরে হলেও সব পক্ষই একদিন ঠিকই উস্কানিদাতাদের নিজ সমর্থণ থেকে বের করে দেবে!

ভাবতে বেশ অবাক লাগে, সাম্প্রদায়িকতার বিরোধীতায় নেমে কিছু লোক প্রচন্ড সাম্প্রদায়িক; মুক্তমনার নামে চরম অসহিস্নু হয়ে উঠেছে!
যাদের হিংসার প্রচন্ড আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিতে ছাড়ছেনা একজন নিরপরাধ অশীতিপর বৃদ্ধা থেকে একটি ছোট্ট শিশুর অনুভূতিকেও!
মানুষের আবেগের বিরুদ্ধাচরন, তীব্র সমালোচনা আর স্বাক্ষাত নাজেহাল করার ফল কখনই ভালো হয়না। আমরা এই সময়টিতে বিবেকের তাড়নায় যত কথাই বলি না কেন, চরম নিগৃহীত মানুষ সেসব কথা শুনতে চাইবেনা।
এ যেন মানবতাকে বিতর্কিত করবার মিশন!
যেন উগ্রতাকে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে দিয়ে নিজের শুধ্যতা প্রমানের এক নির্মম প্রতীযোগীতা! অন্যকে খুটিয়ে খিটুয়ে মানসিকতা নষ্ট করে দিয়ে তাকে নষ্ট বলে প্রমাণ করবার অদ্ভূত কাজ কারবার!
মানুষকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন যদি অপরাধ হয়, তাহলে মানসিক নির্যাতন আরও বড় নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য!- এটাই আমার মুক্ত চিন্তার স্বীদ্ধান্ত। নিশ্চই আমার এ অবস্থানের মুক্তচিন্তার জবাব, আমাকে ছাগু, ধর্মান্ধ কিংবা আমার শ্রদ্ধার স্থানটিকে নিয়ে নিম্ন রুচির গল্প ফাঁদার দ্বারা হবেনা!
মানুষের চিন্তা ও স্বাধীনতার যায়গাটিই তাকে তার চিন্তার সম্মান লাভের অধিকার দেয়। চিন্তার প্যাটার্ন-স্বীদ্ধান্তের অপমানকে অগ্রহনযোগ্য এবং একই সাথে নির্যাতনকে শাস্তিযোগ্য করে তোলে।
মুক্তমন মানে তো স্বেচ্ছাচারীতা ও উগ্রতা নয়! বাক স্বাধীনতা মানে কোন বোধকে রঙ লাগিয়ে বাধনছাড়া উগ্রপ্রকাশ কিংবা বাক শক্তির যথেচ্ছ ক্ষতিকর ব্যবহারের 'স্বাধীনতা' নয়!
মানবিক বিবেকবোধ আমাকে সেই শিক্ষা দেয়না।
একজন লেখককে বিচারবহির্ভূত হত্যার নিন্দা করছি এবং সেই সাথে বর্তমান সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে, সমাজকে শান্তিপূর্ণ ও নাগরিকের সকল প্রকার চেতনা-মতবাদকে অপমান ও লাঞ্ছনা থেকে রক্ষায় একটি মানবিকতা পূর্ণ শোভন আইন ও তার সঠিক প্রয়োগের দাবি জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



