somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষা যখন পণ্য।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাছরাঙা টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দেখলাম যেখানে, রাজধানীর ইংরেজী মাধ্যম স্কুলগুলোর লাগামহীন ব্যবসা, যেখানে শিক্ষা পণ্য, মুনাফা লাগামহীন, তাদের প্রধান শিকার মধ্যবিত্ত শ্রেণি।
তবে তাদের এই মুনাফা করার জন্য আমাদের অভিভাবকরাই দায়ী। কারন বাঙ্গালী মহিলাদের চাহিদা তৈরি হয় পাশের বাসার ভাবী অথবা নিজের আত্মীয় স্বজনেরটা দেখে। একজন অভিভাবক যখন দেখে তার পাশের বাসার অথবা আত্মীয় স্বজনের সন্তান একটা তথাকথিত বড় স্কুলে পড়ে অথবা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে তখন তার মধ্যেও একটা প্রবল আগ্রহ জাগে তার সন্তানকেও সেই স্কুলে পড়াতে হবে। সেটা ঘুষ বা ডোনেশন যেভাবেই হোক। এরপর সন্তানকে ৬/৭ টা টিচার এর কাছে পড়ানোতো এখন একটা গৌরব ও গর্বের ব্যাপার।
কিন্তু সন্তানদের মৌলিক শিক্ষা বা বেসিক নলেজ এই নামকরা স্কুল বা কোচিংগুলো দেয় না। কারণ শিক্ষাকে পণ্য বানিয়ে ব্যবসা করা দরকার তাদের শিক্ষা দেওয়া না।
মানসম্মত শিক্ষা, উপযুক্ত পরিবেশ এবং শিক্ষকদের ভালো বেতন কোনটাই নিশ্চিত করছে না এই তথাকথিত স্কুল ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে চড়া টিউশন ফি নেওয়া হচ্ছে তারও কোনও হিসেব নেই।
শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য করার অধিকার রাষ্ট্র তাদের দেয়নি। কিন্তু যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এটা দেখার সেই শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরিদর্শককে বলা হল এই ব্যাপারে কোনও খোঁজ খবর রাখেন কিনা?? "সে এক কথায় বলল না।" এরপর কেলিয়ে কতক্ষণ হাসল। কি পরিমাণ অপদার্থ হলে সে এমন করে হাসতে পারে???? এদেরকে এই পদে যারা বসায় তারাই এটা ভালো বলতে পারবে। যারা তাদের লাগাম টেনে ধরবে তারা যখন ঘুমায় তখন শুধু শিক্ষা না সাথে আরও অনেক মৌলিক চাহিদাও পণ্য হয়। আফসোস স্বাধীনতার এতো বছর পরেও আমরা কোনও সঠিক শিক্ষা নীতি পাইনি।
এভাবেই দিন গড়াবে, এবং তাদের হাতেই জিম্মি হয়ে থাকবে বাচ্চাদের উন্নত শিক্ষার আসায় থাকা মধ্যবিত্ত সমাজ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫২
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ন্যায়ের আন্দোলন হোক নিয়মতান্ত্রিক ভাবে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭

শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত গুটিকয়েক শিক্ষার্থীদের সাথে ভুয়া আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে অরাজকতা প্রিয় অ ছাত্রদের বিরাট একটা অংশ অশ্লীল ভাষায় অশোভন উক্তি করে চলছে। একশ্রেণীর মেয়েরা এহেন অশ্লীল নোংরামির হোতা-... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×