বাংলা ভাষা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের প্রতীক। বাংলা ভাষা বাঁচলে বাঙ্গালী জাতিসত্বা বাঁচবে। তা-না হলে বাঙ্গালী জাতিসত্বার মৃ্ত্যু অনিবার্য।
নতুন কোনো কিছু প্রবর্তন করতে হলে, তা ইংরেজি ভাষায় প্রবর্তন করতে হবে- এ ধরণের মানসিকতা ভাষার ক্ষতি সাধন করছে। এ ধরণের মানসিকাতা পুন:আভিধানীকরণকে উৎসাহিত করছে।
মাতৃভাষার শব্দভাণ্ডারে যদি কোন শব্দের অস্তিত্ত্ব থাকে, তখন সে শব্দটি ব্যবহার না করে, সেটিকে হটিয়ে বিজাতীয় ভাষার কোন শব্দ ব্যবহার করার প্রক্রিয়াটিকে সংসর্গ-ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় পুন:আভিধানিকরণ (relexification) বলে। পুন:আভিধানিকরণ হলো ভাষার অনুবর্তন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াটি এখন বাংলাদেশে ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি বাংলা ভাষার অবনমন প্রক্রিয়াকে ত্বরাণিত করছে। সে অর্থে পুন:আভিধানিকরণ একটি জাতীয়তাবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ড। যেমন- Rapid Action Battalion-এর একটি বাংলা অভিধা আরোপ করা যেতো। কিন্তু সেটা করা হয়নি। এটি একটি জাতীয়তাবাদ বিরোধী চিন্তা প্রসূত কর্ম বিশেষ। পুন:আভিধানিকরণের ফলে বাঙ্গালি জাতি বিগঠনের দিকে এগোচ্ছে।
পুন:আভিধানীকরণ হলো জাতীয়বাদ বিরোধী চিন্তা প্রসূত অপকর্ম বিশেষ। নিম্নে পুন:আভিধানীকরণের কিছু নমুনা সনাক্ত করা হলো।
পুন:আভিধানীকরণের উদাহরণ [গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী https://www.facebook.com/zapalak থেকে উদ্ধৃত।]
বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্ক কালিয়াকৈর এ ডিজিটাল নিরাপত্তা এজিন্সি’র ভবন নির্মাণ, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার, ন্যাশনাল ডিজিটাল ফরেন্সিক ল্যাব, ইমারজেন্সি রেসপন্স প্ল্যাটফরম, ন্যাশনাল সার্ট এবং সাইবার সিকিউরিটি ট্রেনিং সিমুলেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠাকরণ ছাড়াও তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল সেবা পৌছে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ২৮টি হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন, শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফ্রন্টইয়ার টেকনোলজি, স্কুল অব ফিউচার, আইসিটি সেক্টরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান, স্টার্টআপ প্রকল্পসহ আইসিটি সেক্টরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

