somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘অবসিকিউর’ ব্যান্ড এবং আমার প্রিয় কিছু গান

০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার গানের চয়েজ কেমন- সেটা আমার নিজের পক্ষে বলা নিঃসন্দেহে কঠিনই হবে। তবে এটুকু বুঝি- মূলত ক্ল্যাসিক ধারার গানের প্রতি আমার একটা ঝোঁক কাজ করে এবং আমি সুর কিংবা মিউজিক্যাল ইন্ট্রুমেন্ট অপেক্ষা লিরিকের প্রতি বেশি খেয়ালি। সুন্দর লিরিক বরাবরই আমাকে টানে। হাতেগোণা ২৫/৩০টি গান সম্ভবত আমি বিগত ২০ বছর ধরে শুনে চলছি আর তাতে আমার বিরক্তিও নেই। ঐ গানগুলোর পাশাপাশি আরো নানা ধরনের গান সাময়িক ভালো লাগার তালিকায় যুক্ত হয়ে কয়েকদিন টানা আগ্রহ ধরে রেখে আবার মাসখানেক সময়ের মধ্যে নিষ্প্রভ হয়ে যায়। সেগুলো আবার অনেকদিন পর ‍শুনতে ভালোও লাগে। গত কয়েকদিন ধরে বেশ কয়েকটা গান নতুনভাবে ভালো লাগছে এবং লক্ষ করে দেখি সেই গানগুলো যে ব্যান্ড-এর গান তাদের কিছু গান আমি অতীত থেকেও পছন্দ করি। হয়তো এখন একটি গান প্রথমবার শুনছি কিন্তু ঐ রকমের প্রবণতার কোনো গান আমার চিরদিনের লিস্টে আগে থেকেই আছে। গান নিয়ে আমার সবচেয়ে বোকা-বোকা ব্যাপারটা হলো আমি গানটাই ‍শুনি কেবল, কে গাইছেন, কোন ব্যান্ড, কোন ঘরানার গান, এর সুর-লয়-তালের সূত্রগুলো কেমন- এসবের কোনোটাই খেয়াল করি না। আমি ঐ ২৫/৩০টা গানের বেশির গান সম্পর্কেই কোনো বিশেষ তথ্য দিতে পারবো না। বিস্তারিত জানা বা বোঝার আগ্রহও হয়নি কোনোদিন। গত কয়েকদিন ঐ প্রথম প্রথম শোনা গানগুলোর গায়ক, ব্যান্ড কিংবা ঘরানা জানার আগ্রহে একটু মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম ঐ গানগুলোর অধিকাংশই ‘অবসিকিউর’ ব্যান্ডের গান। ইচ্ছে হলো একটা কিছু লিখবো এই ‘অবসিকিউর’ ব্যান্ড নিয়ে। এর কারণ দুটো- এই ব্যান্ড সম্পর্কে কিছু জানা-বোঝা এবং দীর্ঘদিন না লেখার অভ্যাস থেকে একটু বের হওয়া। এই এআই এসে যে বিপদটা ঘটিয়েছে তা আমি হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারলেও প্রত্যাশিত হারে লেখা হচ্ছে না। ‘অবসিকিউর’ নিয়ে জানার সবচেয়ে ভালো উপায় কী? নিঃসন্দেহে এআই। কিন্তু মন চাইলো আগে উইকিপিডিয়ায় একটু খোঁজ করি। দুঃখজনক ব্যাপার হলো সেখানে তেমন কিছু নেই আসলে। এর ইতিহাস এবং প্রতিষ্ঠার পেছনকার কোনো গল্প নেই উইকিপিডিয়ার কাছে। তবুও এআইকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছে না। অবসিকিউর ব্যান্ডকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানেন তবু আমার নতুন জানাকেই এখানে ‍যুক্ত করছি।


‘অবসিকিউর’ শব্দটির অর্থটি চমকপ্রদ, এটি কিছুটা নেতিবাচক ব্যঞ্জনা তৈরি করলেও একটি ব্যান্ডের নাম হিসেবে আমি তাকে একশোতে একশোই দিবো। অবসিকিউর মানে এমন কিছু যা অস্পষ্ট, অখ্যাত, অশ্রুত কিংবা এমন কিছু যা বিখ্যাত নয়, লোকগোচরে নয় কিংবা ম্লান। চমৎকার কিছূ গান তৈরি করে নিজেকে অস্পষ্ট কিংবা অখ্যাত বলাটা মন্দ নয় কাব্যিক দৃষ্টিতে। ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে অর্থাৎ আশির দশকে। বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে মূলত সত্তরের শেষ দিক থেকে ব্যান্ড, পপ কিংবা রক গানের আবির্ভাব ঘটে এবং তা অতিদ্রুত সময়ে মানুষের মাঝে জনপ্রিয়তা পায়। সেই অর্থে আমার ধারণা এই ব্যান্ডও নিশ্চয়ই প্রথমদিকে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ব্যান্ডের প্রধান ভোকালিস্ট শাহিদ হাসান টিপু এই ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা তিনি খুলনায় এই ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সম্পর্কে এবং ব্যান্ড গড়ে ওঠার পেছনকার গল্প নেটে খুঁজলে পাওয়া যাবে হয়তো কিন্তু আমি এখনো সেদিকে মনোযোগ দেইনি। ২০১৯ সালে এই ব্যান্ডের ১৩তম অ্যালবাম ‘টিটোর স্বাধীনতা’ প্রকাশ পায়। এর আগে বেশ দারুণ দারুণ গান সংবলিত অ্যালবাম প্রকাশ পায় সেই ১৯৮৬ সাল থেকেই। ‘অবসিকিউর’-এর যে গানগুলো আমার প্রিয়-
মাঝ রাতে চাঁদ যদি (Click This Link)
রজনী কাটে (https://www.youtube.com/watch?v=dlH5vDYr6rg)
নিঝুম রাতের আঁধারে (https://www.youtube.com/watch?v=kPuCPUWgmY8)
কাল সারা রাত (Click This Link)
মনে পড়ে (Click This Link)
নীলাঞ্জনা (Click This Link)

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৪

হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা
.................................................................



শামুক ভাইটি দিল ছুট,
পায়ে তাহার নাইকো বুট।
হোঁচট খেয়ে থাবড়া,
মাছের নাকে কামড় বা!

মাছটি বলে, "কী আপদ!
ছাড়ো আমার এই পথ।
"ফ্যাঁকফ্যাঁকে সব বুদবুদ,
ছুটলো তারা কুদকুঁদ।

ব্যাঙ ও মাছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেনা অচেনা জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২



ঝড়ের কাছে হেরে যাওয়া গাছ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে পড়ে।
আমি শিকড়ে বেঁধেছি বাসা,
তাই তো দাঁড়িয়েছি ঝড়ের পরে।

একলা রাতের নীরব জানালায়,
কত অশ্রু ভোরের আগে শুকায়।
শান্তি নামে শব্দহীন এক পাখি,
যখন মানুষ নিজেকেই খুঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সমস্যা ও সমাধান

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৬


ছবি-১

চলার পথে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোনে ব্লগ পড়তে বা দেখতে গিয়ে বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। সাধারণত মোবাইল ফোনে যারা ব্লগ পড়েন তাদের ব্লগের লেখা পড়তে ও ব্লগের লেখা সহ ছবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×