কদিন আগে বোটানি এরোমার গোমর ফাঁস হয়ে চাঞ্চল্যকর অবস্থা । ফরসা হবার ক্রীম যাতে দ্রুত কাজ করে সেজন্য তাতে মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করা হত । যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে । যারা এত দিন সরল বিশ্বাসে ব্যবহার করেছেন তাদের এখন আর এ নিয়ে কিছু করার নেই । এসব বিষয় থেকে একটা সচেতনতা হতে পারে যে বাজারে চটকদার বিজ্ঞাপন নিয়ে আসা পণ্যের প্রতি হুট করে ঝুঁকে গেলে চলবে না । এটা মনে রাখতে হবে চট করে চাইলেই দুতিনদিনে ফর্সা হওয়া যাবে না কিংবা চেহারায় ঔজ্জল্য আসবে না। সেক্ষেত্রে ফর্সা হবার ব্যাপারে তাড়াহুড়া না করে চেহারার উজ্জ্বলতা বাড়ানো এবং মুখমন্ডলে তারুণ্যের দীপ্তি আনার ব্যাপারটা বরং বেশি ফলদায়ক হবে । যেসব মহিলারা রূপ চর্চার ব্যাপারে সচেতন তারা নিচের টিপসটা জানা না থাকলে ফলো করতে পারেন ।
মুখমন্ডলের উজ্জ্বলতা বাড়ানো এবং মুখমন্ডলে তারুণ্যের দীপ্তি আনার বিষয়ে অনেক অনেক দিন আগে বেগমে একটা প্রাকৃতিক টিপস চোখে পড়েছিল । প্রাকৃতিক এই কারণে যে এই রূপচর্চায় কোন ক্যামিকেল জাতীয় পদার্থের প্রয়োজন নেই । ধন্যবাদ সেই নাম না জানা আপুকে যিনি বেগম পত্রিকায় এই টিপস টি দিয়েছিলেন ।
প্রথমে একটি ডিম নিয়ে শুধুমাত্র তার সাদা অংশ একটি বাটিতে নিতে হবে । কুসুম বাদ দিতে হবে অর্থাত শুধুমাত্র সাদা অংশটুকু বাটিতে নিয়ে তারপর চামচ দিয়ে ভাল ভাবে ফেটে নিতে হবে । এরপর পরিস্কার তুলা তাতে চুবিয়ে সারা মুখে ভিতর থেকে বাইরের দিকে গোলাকার চক্করে মাখতে হবে । এসময় মুখমন্ডল স্বাভাবিক রাখতে হবে, চামড়ায় যাতে ভাজ না পরে সেইভাবে মুখমন্ডল স্বাভাবিক রাখতে হবে । এসময় কোন কথা বলা যাবে না বা মুখমন্ডলের চামড়া কুঁচকায় এমন কোন ভঙ্গি করা যাবে না । তাহলে চামড়ায় ভাঁজ পড়ে যেতে পারে । সারা মুখে ডিমের সাদা অংশ মাখা শেষ হলে এভাবেই চুপচাপ পচিশ কিংবা ত্রিশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে । তারপর পরিস্কার তুলা দিয়ে ভিতর থেকে বাইরের দিকে গোলাকার চক্করে মুখে লাগানো পেস্ট উঠিয়ে ফেলতে হবে । তারপর মুখে কয়েকবার পানির ঝাপ্টা দিতে হবে ।
উল্লেখ্য যে যেদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে সেদিন মুখে অন্য কোন ফেসওয়াস/সাবান লাগানো যাবে না । এই পদ্ধতি ঘন ঘন না করে নিয়মিত বিরতিতে করাই ভাল ।
প্রসাধনী পণ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব দেশীয় প্রতিষ্টিত ভাল ব্রান্ডের পণ্য ব্যবহার করাই ভাল কারণ কদিন আগে পেপারে এসেছিল যে একটি বড় চেইন স্টোরেও বিদেশি নকল পণ্যের সাপ্লাই দেওয়া এক কোম্পানী ধরা পড়েছে । বিএসটিআই এর নকল সনদ দেখিয়ে সাপ্লায়ার আরামসে নকল পণ্য সরবরাহ করছিল । এক সাংবাদিক যখন চেইন সপের ম্যানেজারকে প্রশ্ন করেছিল যে সনদ নকল কীনা তা না দেখেই কীভাবে সেই সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে পণ্য নিলেন, তখন তার দায়সারা এড়িয়ে যাওয়া উত্তর তার প্রতিষ্ঠানের কমিটমেন্টহীনতাকেই দীনতার সাথে উপস্থাপন করে মাত্র ।
*** একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে যেকোন সাধারণ কসমেটিক্সের মতই উপরের টিপস র্যাশ বা ক্ষতবিহীন স্বাভাবিক মুখমন্ডলের জন্য প্রযোজ্য ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

