বেশিরভাগ মেয়েদের সাইকোলজিক্যাল ব্যাপারটা আলাদা । সাধারণত কোনো মেয়ে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেলে তখন তার ভিতর নতুন করে প্রেম করার একটা স্পৃহা কাজ করে, আর সেইটার ভুক্তভোগী হয় সাধারণত বোকাসোকা টাইপের ছেলেরা । লুচ্চা টাইপের ছেলের সাথে সম্পর্কটা মোটামুটি শরীর পর্যন্তই থাকে আবার নিয়ম করে রেষ্টুরেন্টের গিয়ে খানাপিনা, রিক্সাকে ঘন্টাকারে চুক্তি করে ঘোরা এই পর্যন্তই ।
এই সম্পর্কগুলোকে মোটেও ভালোবাসা বলা যাবেনা । কারণ এখানে শ্রদ্ধাবোধ নেই, একে অপরকে উপলব্ধি করার ব্যাপারটি নেই । বারাঙ্গনাদের মতন ব্যবহার্য হয় তারাও । শুধু সময়েই ব্যবহার করবে তারপর লাত্থি মেরে ফেলে রেখে যায় ।
আরেকটা ব্যাপার হয়, প্রেমের সম্পর্কগুলো যখন পরিবার/সমাজের কাছে ধরা পড়ে বা সম্পর্ক ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয় অথবা ছেলেটা মেয়েটার শরীরটাকে নিয়মিত ভোগ করার পর একসময় পালিয়ে যায় সে সময়গুলো পার করার পর মেয়েগুলোকে সাধারণত ধর্মীয় লেবাস ধরতে দেখা যায় । বোরকা, হিজাব, মোজা । একেবারেই টুয়েন্টি টাইট অবস্থা । এই অবস্থায় এসকল ছলনাময়ী মেয়েগুলোকে চেনা খুব দুষ্কর । আপনার সামনে হুট করে কেউ এরকম উপস্থিত হলে আপনি তাকে স্বর্গীয় দূত ভেবে ভুল করে বসবেন ।
এরা হয় একেবারেই ভালো হয়ে যায়, পরিবারের কাছে অনুগত থাকে; আবার কিছু সংখ্যকদের মধ্যে বড় রকমের ভিলেনি কারবার আঁটতে দেখা দেয় । ছদ্মবেশ নিয়ে কারও সরলতাকে পুঁজি করে শেষমেশ বোকাসোকা বোকাচো*টাকে ধোঁকা দেওয়ার । এ প্রবণতা আপনি চোখ কান খোলা রাখলেই অহরহ দেখতে পারবেন ।
আবার ধর্মকে পুঁজি করে ধর্মীয় বাজনা বাজাতে দেখা যায় । অথচ তলে তলে পুকুর চুরি করে বেড়ায় । এ সংখ্যাও নেহায়েৎ কম নয় ।
এসকল মেয়েদের ক্ষেত্রে হাইড বা গোপন রাখার বিষয়টা বেশী কাজ করে । ঠুনকো থেকে বড় সব ধরনের ব্যাপার চেপে রাখে বা চেপে রাখার মত প্রবল একটা ক্ষমতা কাজ করে তাদের মাঝে । ভন্ড সাধু যাকে বলা হয় । সাজিয়ে মিথ্যা বলার কায়দাটা বেশ রপ্ত করতে শেখে তারা । সাজিয়ে সাজিয়ে আষাঢ়ে গল্প বানিয়ে ফেলার অসাধারণ ক্ষমতা লক্ষ্য করা যায় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

