
প্রধানচোরের বক্তব্যের সাথে আমি একমত। যারা আন্দোলন করছে তারা বিসিএসে আসবে না, বা আসলেও হাতে গোনা দু-একজন ছাড়া কেউ এই সিস্টেমে উত্তীর্ণ হতে পারবে না (এ বিষয়ে আমর একটা লেখাও আছে,এখানে ক্লিক করে পড়ুন)। এরা তো নিজের চাকরির জন্য আন্দোলন করছে না। এরা আন্দোলন করছে অযৌক্তিক প্রথার বিরুদ্ধে। এরাই তো একাত্তরে দেশকে স্বাধীন করতে জীবন বাজী রেখেছিল, কোটার জন্য নয়। আসলে এরাই যদি বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে চেয়ারে বসতো, তবে কি আর ১৯০ বছরের ব্রিটিশ গোলামী ব্যাবস্থা এখনো টিকে থাকতো! আবার যারা এই সিস্টেমে উত্তীর্ণ হয়ে বিসিএস ক্যাডার হতে পারবে সেসব কাপুরুষ আন্দোলনে আসবে না, কোটা বাতিলের পক্ষে থাকলেও কাপুরুষদের রাজপথে নামার যোগ্যতা থাকে না। মিলিয়ে নিন, একাত্তরে এরা সহজে পদন্নোতির জন্য মনে মনে দেশের স্বাধীনতা চাইলেও পাকিস্তান সরকারের গোলামীই করে গেছে।
যাইহোক প্রধানচোর আরো বলেছে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতিনাতনিরাও তো মেধাবী আছে। এই কথার সাথেও একমত, অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনিদের মধ্যেও মেধাবী আছে। তারা তাদের মেধায় চাকরি পাক, এ নিয়ে তো কেউ বিরোধিতা করছে না। তবে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের এভাবে রাজাকারের বাচ্চা বলা একজন প্রধানচোরের সাথে যায় না। পোলাপানের রক্ত গরম, প্রধানচোর যেভাবে তাদের বিদ্রুপ করেছে, তারাও একইভাবে প্রধানচোরকে বিদ্রুপ করেছে।
আবার চাটর দল চেতনাকে ঢাল এবং "রাজাকার" শব্দকে বানিয়েছে তলোয়ার। বছরের পর বছর চেতনা নামক ঢালের পেছনে দাড়িয়ে দেশের অর্থ লুট করেছে। কেউ কিছু বললেই রাজাকার নামক তলোয়ারে তাকে দ্বিখণ্ডিত করেছে। গতকাল শিক্ষার্থীরা সেই তলোয়ার ভেঙ্গে একেবারে পশ্চাদে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
বাইদ্যাওয়ে পোলাপানের স্লোগানে যদি আনিসুল হকের খারাপ লাগে, তাহলে পোস্টে সব হা হা রিএক্টে কী হতে পারে? ভাগ্যিস জোকরবাগ কমেন্ট কাস্টমাইজ করার সিস্টেম রেখেছে, এবং তিনি (আনিসুল হক) সেটা ব্যাবহার করেছে। তা না হলে এতো পরিমান সমবেদনার পেত, যে সমবেদনার দোচনে আনোয়ার হোসেনের মতো স্টোক করতো।
★ ফেলানীর জীবনের আলো নিভিয়ে দেয়া, উত্তরবঙ্গকে মরুভূমি বানিয়ে বাংলার কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত করা ভারতকে কেন রেল করিডোর?

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০২৪ দুপুর ২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


