বেশীদিনের কথা নয় যখন একজন মেট্রিক ফেল করা ছাত্রও তার বাবার কাছে ইংরেজীতে চিঠি লিখতেপারতো । আর আজ ২০১৪ সালে ঢাকা ভারসিটিতে ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করেছে মাত্র দু'জন । অথচ H.S,C পরীক্ষায় পাশের জোয়ারে ভেসে গেছে দেশের শিক্ষা বোর্ড গুলি । গোল্ডেন এ প্লাস বৃষ্টির মত আকাশ থেকে পরেছে ।
আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন সৃজনশীল প্রশ্ন পত্রের জন্য নাকি এ সাফল্য ?
আমরা কম শিক্ষিত লোকেরা দেখছি আর অবাক হয়ে শুনছি । আমরা পাশ চাইনা, চাই শিক্ষা । আমরা সৃজনশীল বুঝিনা আমরা বুঝি এমন শিক্ষা যা কাজে আসবে ।এখন যা হচ্ছে তাতে রাজনীতিকদের পক্ষে মাইক দিয়ে প্রচা্রণা করার, মিছিলে জীবন দেয়ার এবং পোস্টার টানানোর কাজে লাগবে । দেশের কাজে নয় ।
যাদের ছেলে মেয়ে বিদেশে পড়া শুনা করে তাদের সমস্যা নেই। সমস্যসা আমাদের । তাদের ছেলেরা দেশে এসে
রাজনীতি করবে আর আমাদের ছেলেরা তাদের গদিতে বসানোর জন্য জীবন দিবে ,তা হতে পারেনা ।একজন অর্ধ শিক্ষীত লোকের জন্য যেসব উচ্চ শিক্ষীত লোক ঘুরে তারা ঘুরে আর্থিক লাভের জন্য কিন্তু আমাদের লাভ আমাদের সন্তানদের শিক্ষা , আর্থিক লাভ নয় ।
কথা হচ্ছিল ইংরেজী শিক্ষার নিয়ে। এখন যে কোর্স চলছে তাতে মুখে কিছু কথা বলার মত ইংরেজী শেখা যায়। তা দিয়ে ইংরেজী ভাষা শেখা যায়না বলে আমার ধারনা ।
যে লোক ইংরেজীর শেক্ষার নিয়ম জানেনা সে লোক সৃজনশীল কিছু কেমন করে শিখবে ?
কাজে্ই আপনারা আমাদের সন্তানদের ইংরেজী বাক্য গঠনের নিয়ম শেখান,টেন্স,ভয়েজ, ইত্যাদি শেখান যা আপনারা শিখেছেন । আর আমাদের সন্তানদের নিয়ে গবেষণা করবেন না । একজন ছাত্রের প্রেয়েজনীয় ইংজেী গ্রামার শিখতে ৩/৪ মাসের বেশী লাগেনা । অথচ তারা শুথু মুখস্ত করার চেষ্টা করে যচ্ছে । ফলে না বুঝে পড়ার হাফেজ হয়ে রাজনীতিকদের পেছন পেছন হাটছে । তারা সনদপত্র পেয়ে অশিক্ষত রয়ে গেছে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


