
বিনিময়ে রাষ্ট্রযন্ত্র কি দিচ্ছেঃ
রাষ্ট্রে বিশাল বিশাল খাঁচা বানানো আছে,মানুষরূপি জানোয়ারদের জন্য,সেখানে মানুষেরই সংখ্যা এখন বেশি,জানোয়াররা সব্বাই বুক চেতিয়েই ঘুরছে,কেউই পাজেরোতে,কেউ কারে,কেউ সি এনজি কিংবা কেউ বাইকে!এইতো সেদিন জানোয়াররা বাইকে করে এসে মিতুকে মেরে দিয়ে গেল!আমরা আবারও আশ্বাস পেলাম,জানি বিচার পাব না,জানি আরো মৃত্যু অপেক্ষা করছে মিতু,মিরাজদের জন্য!কিন্তু মিতুর অর্ধাঙ্গ তো বেঁচে আছে,যিনি নাকি আবার জানোয়ারদের জম! এখানে তারেও কাঁদতে দেখলাম।আর দেখলাম,একটা খেলা: প্রাণের বিনিময়ে টাকার কামানোর খেলা,উছিলায় রাতের আঁধারে মানুষের জান নেবার খেলা।সেটাতেও রাষ্ট্রেরই অংশীদার,আসামী ঘোষণার আগেই,কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর আগেই,কিংবা নিরীহ মানুষ জানার আগেই ক্রসফায়ার নাটকে কথিত সন্ত্রসীর মৃত্যু,ডিরেক্টরাই ভাল জানেন,এ নাটক বাজারে চলছে কেমন!নাটক যেমনই চলবে চলুক,জনগণ খাক বা না খাক,সেটা চলবেই.. এখন চলছে মিতুর নাম করে,,সর্বশেষ জেনেছি আট হাজার ছাড়িয়ে গেছে,ক্রসে পরেছে আট/ দশজন।চলছে চলুক,কিন্তু সেটা একজন মিতু হত্যার পর কেন!?!?এর আগেওতো সহস্র প্রাণ বলি গেছে,সহস্রজনের সম্ভ্রম গেছে।তবে কি শাসকদের প্রাণেরই শুধু দাম আছে!?শাসিতের যান- মাল- ইজ্জতের কি কোন মূল্য নেই!?এক মিতুর মৃত্যুতে পুলিশ উঠে পরে লেগেছে,রাতারাতি ক্রসফায়ারে দিচ্ছে,এতদিন ধরে যে মানুষের লাশ পরছে,তাদের বাঁচার আকুতি কিংবা স্বজনের আর্তনাদ কি পুলিশ কিংবা রাষ্ট্রের কর্ণকুহরে প্রবেশ করে নি!?তবে তখন কেন অভিযান হয়নি,ঈদ আসেনি বলে!?নাকি ওনাদের কোন ওয়ারিশের প্রাণ যায়নি বলে!?
এই অভিযান যদি কিছুদিন আগে থেকে হতো,তবেতো মিতুর সন্তানরা মাতৃহারা হতো না,আরো আগ থেকে হলে,পুরোহিত সাহেব,পাদ্রী সাহেব,মাওলানা সাহেবদেরও প্রাণ যেত না,আরো আগ থেকে হলে,হয়তো ইউপি নির্বাচনে এত্তজনের জীবন দিতে হতোনা,যদি আরও আগ থেকে হতো,তবে আস্তিক কিংবা নাস্তিক কারো ঘাড়েই চাপাতির কোপ পরতো না!
ইস্! এই অভিযান যদি শুরু থেকেই হতো,তবেতো পুলিশ কিংবা প্রশাসন নিয়ে এতকথা রটতো না,এত প্রাণ হারানোর ব্যথায় এ জাতি মহ্যূমান হতোনা!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



