somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিসকা হে ইয়ে তুমকো ইন্তেজার, ম্যায় হুঁ না?

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যাক বাবা, বাঁচা গেলো। এতোদিন পরে জরুরি অবস্থা জারির একটা স্বার্থকতা খুঁজে পাওয়া গেলো। বোঝা গেলো কারা ডামি, কারা অরিজিনাল। আমরা ধন্য, আমরা কেতার্থ। আমাদের দেশের রাজনীতি পচে গেছে। তাই দুর্গন্ধযুক্ত এই রাজনীতি সারিয়ে তুলতে আসছেন নোবেল পারফিউমড ড. ইউনূস। আসুন, আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। আরে ভাই, প্রাচীনকালে রাজা রাজড়াদের প্রবেশের আগে যেমন হুঁশিয়ার, সাবধান বলতে হতো, ঠিক তেমনি এতোদিন ধরে আমরা হুঁশিয়ার সাবধান শুনে এসেছি। এবার রাজা মসনদে আসীন হলে শুরু হবে আসল খেলা।
নোবেল জয়ের আগে থেকেই ইউনূস 'নেতিবাচক' রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেন। এরপর তিনি নোবেল পাবার আগ পর্যনত্দ আর মুখ খোলেননি এ নিয়ে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার আর সিপিডি এই কথাগুলো বিরামহীনভাবে বলতে থাকে।
ড. ইউনূসের এই রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছেন সিরাজুল আলম খান। 1996 সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত আসেন। তিনি সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন। দেশে ফিরেই তিনি 2001 সালে তিনি গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে 14 দফা প্রসত্দাব দিয়েছিলেন। তার এই প্রসত্দাবে ছিলো প্রধানমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রীসহ একটি জাতীয় সরকার, নির্দলীয় রাষ্ট্রপতি, দারিদ্র্য দূরীকরণে ুদ্রঋণ প্রসার ইত্যাদি। এতোসব ভালো প্রসত্দাব দিয়েও শেষ হয়নি। এরপরেও তিনি সবচেয়ে 'ভালো' প্রসত্দাবটি রেখেছেন। তিনি বঙ্গোপসাগরে একটি মেগা সি-পোর্ট স্থাপনের কথা বলেছেন। তার অধিকাংশ প্রসত্দাব প্রায় অবিকৃত রেখে রিলে করেন ছুছিল ছমাজ। ড. ইউনূস এগুলোর সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর উন্মুক্ত করে দেয়ার প্রসত্দাব রাখতেও ভোলেননি। চাটগাঁর সনত্দান ইউনূসের হাতে নোবেল এলো এরপরেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন: আরও একটি প্রশ্ন

লিখেছেন মুনতাসির, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

প্রথম আলোতে মুনির হাসানের ‘পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন’ লেখাটি পড়লাম। পাকিস্তানে Google-এর নিজস্ব অফিস চালু হওয়াকে সামনে রেখে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একসময় খুব বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্ব্বহারা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×